somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জিনিভার জলরং-2

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জিনিভা লেকের ওপারে পাহাড়ি এলাকায় হচ্ছে পুরনো জিনিভা শহর। সিঁড়ি ভেঙ্গে নানা কসরত করে পুরনো শহরের একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম খাবারের খোঁজে। সবকিছুরই দাম এখানে একটু বেশি। লন্ডনের চেয়েও বেশি। তবে আমাদের পাশের টেবিলে রাখা রম্নটির টুকরোগুলো নিশ্চিনত্দে খাচ্ছিল কয়েকটি চড়ুই। ওদের নিশ্চিনত্দভাব দেখে বুঝলাম এদেশে পাখির দিকে কেউ ঢিল ছোঁড়ে না। সেরকম কোনো আতংক বা সতর্কতা ওদের আচরণে দেখা গেল না।

জিনিভা শহর তেমন বড় নয়, পুরনো শহরটা আরো ছোট। সেখান থেকে আমরা ফিরে আসলাম নতুন শহরে টু্যরিস্টদের প্রিয় জায়গাগুলোয়। খুব সুন্দর করে বড় বড় কাঁচের জানালায় সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সুইস পণ্য। 150 বছর ধরে পর্যটন ব্যবসা করে খাচ্ছে ওরা। সুতরাং কাজটা ওরা ভালোই জানে। সুইস পণ্য বলতে অবশ্য অল্প কয়েকটা জিনিস; ঘড়ি, চাকু আর চকলেট। ঘুরে ফিরে শহর জুড়ে শুধু এগুলোরই দোকান। বিভিন্ন আকারের আকর্ষণীয় সব ঘড়ি দিয়ে সাজানো দোকানের জানালা। সুইজারল্যান্ডের কৃষকরা নাকি হাতে কাজ না থাকলে ঘড়ি বানায়। তবে ওরা বানায় শুধু দামী আর বিলাসী ঘড়ি। সবচে' বিখ্যাত হয়েছিলো তাদের কুক্কু ঘড়ি (সেই যে ঘন্টা বাজার সময় হলে কাঠের ঘর (শ্যালে) থেকে কোকিল বের হয়ে এসে ডাকে)। সু্যভেনির শপে এই কুক্কু ঘড়ির রমরমা ভাব। ঐশ্বরিয়া রায়-ও মায়াবী তাকিয়ে থাকে জানালায় ঘড়ি নিয়ে। এক মার্কেটে রাত নয়টায় দেখলাম বিভিন্ন সুর-মূচ্র্ছনায় বেজে উঠলো একটি ঘড়ি। তাতে একদল পুতুল সৈন্য মার্চপাস্ট করে ঘড়ির একদিক থেকে আরেক দিকে যাচ্ছে (ছবি দেখুন)। আমাদের সাথে ভিড় করে আরো কিছু পর্যটক এটা দেখলেন।

শহর দেখার কিছু নেই। তাছাড়া হাতে আছে সুইস পাস। তাই ঠিক করলাম কাল রওয়ানা দেব ইন্টারলেকেনের দিকে। সুইজারল্যান্ডের সব সৌন্দর্য নাকি ওখানে। দুটি লেকের মাঝামাঝি জায়গা ইন্টারলেকেন। আর ওখান থেকেই যাওয়া যায় সব টপ অব দ্য ইউরোপে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুগুল মিটে হঠাৎ ব্লগীয় আড্ডা (টেস্ট)

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৩৯

ব্লগের সবাই আশা করি ভালো আছেন। আজ বাংলাদেশের রাত ১০.৪৫ মিনিটে একটি ব্লগীয় আড্ডা'র আয়োজন করেছি। নিচে গুগল মিটের লিংক দিয়েছি। আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। ইচ্ছা করলে, নিজের ভিডিও অফ রেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“জ্ঞাতি ভাইদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে তার দন্ত মোবারক আর আগের জায়গায় নেই।”

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:০৭

“জ্ঞাতি ভাইদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে তার দন্ত মোবারক আর আগের জায়গায় নেই।” ...বাকিটুকু পড়ুন

আখিরাত ঠিক করার পাশাপাশি দুনিয়ার রাজনীতিতেও ঢুকে পড়লেন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০৮


জাতীয় নির্বাচন শেষ হওয়ার দুই মাস পার হয়েছে। দেশের মানুষ একটু দম ফেলছে , চায়ের আড্ডায় যখন ভোটের উত্তাপ ফিকে হয়ে আসছে, ঠিক তখনই খবর এলো সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্মি এখনও ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেনা কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৪৫

“শেখ হাসিনার পতনের মূল কারণ ছিল চীনের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়া, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ভূরাজনৈতিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে, দেশের অভ্যন্তরে একটি পরিকল্পিত পরিবর্তন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:০৩

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা, ভৌগোলিক প্রভাব এবং আধ্যাত্মিক প্রতিফলন

আমরা প্রতিদিন যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখি, সেটাকে এতটাই স্বাভাবিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×