somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উড়াল-3

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৮:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিকোয়েন্স 6
স্থানঃ সজিবের রেস্টুরেন্ট
সময়ঃ রাত

ঝকঝকে পোষাকে রাশেদ ঢুকে রেস্টুরেন্টে।
সজিব কাজ করছিল।
রাশেদকে দেখে সজিব খুব অবাক হয়।

সজিবঃ ডালিম কুমার। একটু অন্যরকম লাগছে তোমাকে? বিষয় কি? একটু বেশি বেশি খুশি মনে হচ্ছে।

(রাশেদ কিছু একটা বলতে যায়। সজিব তাকে থামিয়ে দেয়।)
সজিবঃ দাড়া। দাড়া আমি বলছি।
আমি নিশ্চিত, আমি নিশ্চিত ডালিমকুমার, রাজকুমারীর সাথে আজ তোমার দেখা হয়েছে।
রাশেদঃ তাই নাকি?
সজিবঃ নাটক, সিনেমা আমি বহু দেখেছি। আমি জানি এরপর কি আছে?
রাশেদঃ এরপর কি?
সজিবঃ এরপর সে তোমাকে দেখে আনন্দে আত্মহারা। কিছুতেই ছাড়তে চাচ্ছিল না। অসুবিধা নেই। আবার দেখা হবে কাল।
রাশেদঃ অলমোস্ট কারেক্ট! তুই তো একেবারে জ্যোতিষী হয়ে গেছিস? ঘটনা কি?
সজিবঃ প্রতি সপ্তাহে দুটো ফিল্ম। হিসাব করো 20 বছরে কতটা হয়। যাক্ সব ভালো তো।
তালে তুই তো বলেছিলি এটা মরীচিকা। এখন কি বলিস?
সজিবঃ শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি দোস্ত। তবে খারাপ ভালো যাই হোক নাটকীয় ঘটনাই ঘটবে।

সিকোয়েন্স 7
স্থানঃ একটি রেস্টুরেন্টের রান্নাঘর
সময়ঃ দিন (সকাল)

একটি রেস্টুরেন্টের ভেতর মতিন, পানখা আর জনৈক কর্মচারি। পানখা প্লেট ধুচ্ছে। আর মতিন একটা উঁচু জায়গায় বসে পা দোলাচ্ছে। কর্মচারিটি পেঁয়াজ কাটছে।


মতিনের চিৎকার শুনে ভয়ে কর্মচারিটি গান থামিয়ে ফেলে। গান গিলে ফেলে আরো দ্রুত পিঁয়াজ কাটা শুরু করে। পানখাও ভয় পেয়ে যায়।

পানখাঃ আইজা কিন্তু আমি তোমার কাম করতে পারমু না। তুমি ডেইলি ডেইলি আমারে দিয়া তোমার কাম করাও। এই যে, তোমার ভাগের প্লেট আমি ভাগ কইরা রাখছি।
মতিনঃ তোরে আমার কাম করতে কইছে কে? ডিসি, ওসি হওয়ার লাগি আমি এইখানে আইছি নি।...
কর্মচারিঃ (ডিসি, ওসি'র কথা শুনে কর্মচারিটি মুখ টিপে হাসতে হাসতে জোরে গেয়ে ওঠে) 'আমি অখন পিঁয়াজ কাটি, লন্ডন শহরে। ও সখিনা...গেছস কিনা...
মতিনঃ (জোরে চিৎকার করে ওঠে) ..আব্বে চুপ।


মতিনঃ স্যরি ভাই আমি আপনারে কিছু কই নাই। হুন পানখা ... 10টা বাজুক। আমি ট্রাভেল এজেন্সিতে ফোন করতাছি। আইজ আর কেউ আমারে আটকাইতে পারবো না।
পানখাঃ ঠিক ঠিক আছে। আমি ধুইয়া দিতাছি। (মতিনের ভাগের প্লেটগুলোয় হাত দেয় পানখা) তোমার আসলে কপালটাই ভালা। সব সময় ভালা ভালা বন্ধু পাও।
মতিনঃ কি কইতে চাস তুই।
পানখাঃ এই যে এই রেস্টুরেন্টে ফ্রি ঘুমাও ফ্রি খাও। রেস্টুরেন্টের মালিক তোমার বন্ধু এই লাইগাই তো।
মতিনঃ ফ্রি দেখলি কই। হালায় কিপটা, কাম দরায়া দিছে না।
পানখাঃ হেই কামও আমি কইরা দিতাছি। এর লাইগাই তো কইলাম তোমার কপালটা ভালা। আর আমারটা ফাডা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ

লিখেছেন সামিউল ইসলাম বাবু, ০৬ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৩৫

আমার ভালোলাগা কিছু ছবি নিচে শেয়ার করা হলো। একটা আায়াত জানলেও তা অপরের কাছে পৌঁছে দাও(আল-হাদিস

পৃথিবীতে কেও আপন নয়। একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা ব্যতিত। তাই ভালো মন্দ সকল বিষয়েই কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার বেঁচে আছে?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:০২





আপনার মা/বাবা বেঁচে থাকলে আপনি এখনো সৌভাগ্যবান -এরকম ভাবনা হয়তো ৯৮ ভাগ মানুষ ভাবে। মা/বাবা নিয়ে মানুষের ইমোশন, সংগ্রাম নিয়ে সবাই কিছু কিছু লিখতে পারবে, বা মুখে বলতে পারবে। গোর্কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার কারণে দিদি হেরেছন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩




আপা এপারের হিন্দুদেরকে স্নেহ করতেন তাতে ওপারের হিন্দু খুশী ছিল। আপা ভারতে বেড়াতে গেলে মোদীর আতিথ্যে আপা খুশী। কিন্তু আপার আতিথ্যে দিদি কোন অবদান রাখলেন না। তাতে হিন্দু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখালিখি হতে পারে আপনার বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করার খোরাক।

লিখেছেন মাধুকরী মৃণ্ময়, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

এই যেমন আমি এখন লিখতে বসছি। সর্বশেষ লিখেছি ২০২১ সালে জুলাই এর দিকে। লিখতে গিয়ে আকাশে বাতাসে তাকাচ্ছি, শব্দ, বিষয় খুজছি। কিন্তু পাচ্ছি না। পাচ্ছি যে না , সেইটাই লিখছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×