দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্র “প্রথম আলো” এবং “THE DAILY STAR” আজ সংবাদ পত্রে দুটি শিরোনামে লিখেছে, “সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে পাঁচ আদিবাসী যুবক নিহত” এবং “Five indigenous youths were killed in a gunfight with Army”। এখন আমার প্রশ্ন, এই পত্রিকা দুটি এখানে আসলে আদিবাসী বলতে কাদের বুঝিয়েছে? তারা কি আসলে জেনেও না জানার ভান করে এই ধরণের অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, নাকি কারও দালালী করছে? তারা কি জানে আদিবাসী কাকে বলে? আদিবাসী কারা? নৃ-গোষ্ঠী আর আদিবাসী এই তত্ত্বজ্ঞান তাদের ভিতরে নেই বলেই তারা এ ধরণের সংবাদ প্রকাশ করেছে। দেশের জনগণ সঠিক, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ সংবাদে বিশ্বাসী। বিভ্রান্তিমুলক সংবাদ প্রকাশ করে জনগণকে ধোকা দিয়ে কি লাভ? এ ধরণের সংবাদ প্রকাশ থেকে তাদের বিরত থাকা উচিত। যারা নিহত হয়েছে তারা সন্ত্রাসী।তারা সেনাবাহিনীর পোশাক পরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল।ঘটনাস্থল থেকে দুটি চায়নিজ রাইফেল, তিনটি এসএলআর (এম-১৬), গুলিভরা ম্যাগাজিনসহ একটি এলএমজি, একটি এসএমসি, একটি পিস্তল, সেনাবাহিনীর ছয়টি প্যান্ট, ১০টি শার্ট ও টুপি এবং কোমরে গুলি রাখার বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।তারা কি আসলে আদিবাসী ছিল নাকি নৃ-গোষ্ঠী, সন্ত্রাসী।সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য মিথ্যা সহানুভূতি সৃষ্টিতে ব্যবহার করা হল বিতর্কিত আদিবাসী শব্দটি। এদের কাছে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ত্বও নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। দেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। জনসেবায় নিবেদিত এই সেনাবাহিনীকে নিয়ে কোন ধরণের অপপ্রচার কোনভাবেই কাম্য নয়। স্বার্থেন্নেসি মহলের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এই ধরণের প্রতারণামূলক সংবাদ প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই নয়। সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তিকে জনগণের কাছে ম্লান করার জন্য এরা উঠে পড়ে লেগেছে। আর সে জন্যই তারা এ ধরণের বিভ্রান্তিমুলক সংবাদ পরিবেশন। ধিক্কার জানাই এই ধরণের বিভ্রান্তিমুলক সংবাদ পরিবেশনকারীদের।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৮:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



