সমধর্মী আধান পরস্পরকে বিকর্ষণ করে, বিপরীতধর্মী আধান পরস্পরকে আকর্ষণ করে। এই পার্থিব নীতি মেনে চলেই, প্রিয়ংবদাকে ভাল লাগে সুব্রতের। প্রিয়ংবদা দেখতে সুন্দর কিন্তু তার সুন্দর্য নয়, সুব্রতের ভাল লেগেছে তার সরলতা। খুবই সরল প্রিয়ংবদা । তার হাসি সুব্রতের মন কে দোলা দেয়, তার মনের কষ্ট সুব্রতকে আলোড়িত করে। সুব্রতর মনের মাঝে তখন ভালবাসার ঝড় । সেই ঝড় তাকে প্রতিনিয়ত নাড়া দেয়। কষ্টে ছটফট করে তার মান। সে সহ্য করতে পারে না। প্রতিনিয়ত তার মনে হয়, সে তার মনের কথা খুলে বলবে প্রিয়ংবদাকে। কিন্তু বলা হয়ে উঠে না। কারণ তার মনের মাঝে ভয়, যদি প্রিয়ংবদা তাকে প্রত্যাখান করে। তার মনের মাঝের ঝড়টা সব তোলপার করলেও এই ভয়টাকে উপড়ে ফেলতে পারে না। এভাবেই দিন যায়, মাস পেরোয়, বছর ঘুরে আসে....কিন্তু সুব্রতের মনের কথা বলা হয় না প্রিয়ংবদাকে। বুকের মাঝের ঝড়টা বেড়েই চলে। এরই মাঝে জীবনের তাগিদে সুব্রত ও প্রিয়ংবদার মাঝে দূরত্ব বাড়ে। চোখের আড়াল হলে মনের আড়ালও নাকি হয়ে যায়। কিন্তু প্রিয়ংবদার স্মৃতি নাড়া দিতে থাকে সুব্রতকে। আর সইতে না পেরে প্রিয়ংবদার কাছে ছুটে আসে সুব্রত। কিন্তু ততদিনে প্রিয়ংবদা হয়ে গেছে অন্যের।
আর সুব্রত সেই বা আবার কি করবে.....প্রিয়ংবদার ছবি হৃদয়ের মাঝে যত্ন করে রেখে ঘুরে বেড়ায় পথে পথে..................... আর কি বা করতে পারে সে............................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


