somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শীতার্তদের জন্য গরম কাপড়, সেই সাথে শীতের পিঠা খাওয়াব

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শীতের নতুন মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। নতুন বছরে নতুন ফ্যাশন। পুরানো বছরের কাপড়গুলো সব পুরানো ফ্যাশন হয়ে গেছে। নতুন ফ্যাশনের কাপড় কিনতে আবার মার্কেটে যাওয়ার ধুম পড়ে যাবে। কার্ডিগান নাকি সোয়েটার কোনটি পড়লে বেশি স্মার্ট লাগবে, এ নিয়ে ঘুমের পরিমাণও কমে যাবে এ কয়েকদিন। আড্ডাগুলোর বিষয়বস্তু এ ফ্যাশন নিয়েই চলবে কয়েকদিন। পত্র-পত্রিকার পাতাতে চোখ শুধু খুজে বেড়াবে শীতের পোষাকে মডেলদের চেহারা। অবশেষে কিনতে গেলে অনেক সুন্দর সুন্দর ডিজাইন দেখে সুন্দরটি বাছাই করতে গিয়ে আরেক মহাকান্ড বেধে যাবে। কার্ডিগান, সোয়েটার, জ্যাকেট ৩টাই খুব পছন্দ হচ্ছে । অগত্যা কি আর করা? ৩টা কিনতে না পারলেও কমপক্ষে ২টা কিনেই ফিরলেন। সাথে আবার কিনতে হবে প্যান্ট, টুপি। মাফলারটা না হলে ফ্যাশনটা অপূর্ণ থেকেই যায়। কিনে ফেললেন সেটিও। সবশেষ বাসাতে ফেরার সময় দেখবেন, পকেট থেকে চলে গেল ১৫,০০০টাকা। টাকা কম থাকার কারনে শপিংটা অপূর্ণ রয়ে গেল ভেবে মনের ভিতর একটা কষ্ট নিয়েই বাড়িতে ফিরতে হবে।

ভাবুনতো একবার



ভাবুন একবার আমাদের পাশের দরিদ্র লোকদের কথা যারা আমাদের মত উচুতলার মানুষনা। যে কষ্ট করে আপনাকে রিকশাতে করে পার করে দিচ্ছে পথের দূরত্বটুকু, সকাল সকাল বাজারে যাওয়ার কষ্টটুকু দূর করে দেওয়া সেই বৃদ্ধ মহিলা যে বাসাতেই নিয়ে আসেছে শীতের সবজি, কিংবা সেই ছোট্ট শিশু যাকে দেখছি হাড় কাপানো ঠান্ডাতে খালি গায়ে রাস্তাতে দাড়িয়ে ময়লা যুক্ত রুটি খাচ্ছে। এরাও আমাদের মত রক্ত মাংসের মানুষ হওয়ার কারনে শীতের তীব্রতা তাদেরকেও আঘাত করে, প্রতিবছর শীতজনিত অসুখগুলোতে তারাই সবচাইতে বেশি মারা যায়।
আপনি জানেন কি, ১৫,০০০টাকা খরচ করেও নিজে একা তৃপ্ত হতে না পারলেও সেটা দিয়ে কমপক্ষে ১৫০জন দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন মিটিয়ে পূর্ণ তৃপ্তি দেওয়া সম্ভব ছিল। কথাটা মিথ্যা না। এ টাকা খরচ করে ১৫০ জন দরিদ্র মানুষকে কে পরিতৃপ্ত করলে অন্তুর থেকে চলে আসা অকৃত্রিম দোয়াটা আপনার সারাজীবনের চলা পথের সবচাইতে বড় মূলধন হিসেবে পেয়ে যেতেন।

আমরা কি করতে চাই?

আমরা সবার দোয়া নিয়েই আজকের এ অবস্থানে পৌছেছি। আমরা মানে ক্রিয়েটিভ আইটি পরিবার মানুষের দোয়া নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই আরো অনেক দূর। আর সেজন্য সারা বছর ৯৮৫ জনকে (১৫০জনকে নিজস্ব উদ্যোগে ও ৮৩৫ জনকে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে) ফ্রি প্রশিক্ষণ দিয়ে সাবলম্বী করেছি, প্রায় ৮০০ জনকে আউটসোর্সিং কিংবা লোকাল চাকুরী প্রদানের মাধ্যমে ৮০০টি পরিবারের অর্থনীতিক অবস্থা পরিবর্তন করেছি এ বছর। এবার চাচ্ছি একদম পথের দরিদ্রদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে।

পথের পাশের দরিদ্র শিশুদেরকে নিয়েই আমাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছি।
- ১০০০ শিশুকে শীতের কাপড় বিতরণ
- ১০০০ শিশুকে শীতের পিঠা খাওয়ানো
- ১০০০ শিশুকে চিত্তবিনোদন দেওয়া

প্রতি শিশুকে প্রদান করা হবে ৩রকমের পিঠা।
১) ভাপা পিঠা।
২) পুলি পিঠা।
৩) তেলের পিঠা।

কবে করব এ আয়োজন?

ক্রিয়েটিভ আইটি আগামী ১ জানুয়ারি’২০১৫ ৭ম বর্ষে পদার্পন করতে যাচ্ছে। নতুন বছরের পদার্পনের শুরুর দিনটি আমরা এবার ব্যতিক্রমভাবে আয়োজন করব। সেই আয়োজনটি হবে দরিদ্র পথশিশুদের নিয়ে। শীতের বস্ত্র বিতরনের মাধ্যমে তাদের শীতের কষ্ট দূর করার চেষ্টা করা হবে এবং প্রত্যেক শিশুকে ৩রকমের শীতের গরম পিঠা প্রদান এবং বিনোদনের ব্যবস্থার মাধ্যমে মুখের হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা হবে। আশা করি এ কাযক্রমের মাধ্যমে নতুন বছরটি দরিদ্র শিশুদের দোয়া নিয়েই শুরু করতে পারব। ১জানুয়ারি ঢাকার ৫টি স্পটে সকাল ৮টা থেকে আমাদের কাযক্রম পরিচালিত হবে।

যে কেউ শামিল হতে পারেন

যে কেউ চাইলে এ উদ্যোগে শামিল হতে পারবেন।

শামিল হওয়ার সুযোগ রয়েছে পাঁচ ভাবে।
- এ কাযক্রমের জন্য তৈরি বিশেষ ফান্ডে টাকা জমা দিতে পারেন।
- ঘরে থাকা পুরানো কাপড় জমা দিতে পারেন।
- পিঠা বানিয়ে নিয়ে আসতে পারেন
- পিঠা বানানোর সরাঞ্জামাদি দেওয়ারও সুযোগ থাকছে।
- পুরো কাযক্রমে ভলান্টিয়ার হিসেবেও অংশগ্রহন করতে পারবেন।

যাদের ৫টির কোনটি করার সামর্থ্য নেই তারা এ পোস্টটি নিজেদের ওয়্যালে শেয়ার করেও আমাদের কাযক্রমে সহযোগিতা করতে পারেন। তাতে আপনার অন্য বন্ধুরাও জানতে পারবে এ কাযক্রম সম্পর্কে। হতে পারে, আপনার বন্ধুদের মধ্য থেকে কেউ হয়ত এ কাযক্রমে সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছে।

ফান্ডে টাকা জমা দিতে হলে যা করবেনঃ
- অফিসে বক্স তৈরি করা হয়েছে, সেখানে এসে জমা দিতে পারেন।
- বিকাশেও টাকা জমা দিতে পারেন।

বিকাশ নাম্বারঃ ০১৭১০০১৯৯০৭
যেকোন যোগাযোগের জন্য ফোন করুনঃ রিফাত হোসেন (০১৭১০০১৯৯০৭)




যেকোন যোগাযোগের জন্যঃ

ফেসবুক গ্রুপঃ https://www.facebook.com/groups/creativeit/

ফেসবুক পেজঃ https://www.facebook.com/CreativeBangladesh



সার্বিক সহযোগিতায়ঃ জেনেসিসব্লগস
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!



একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×