somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে হলে...

২৪ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের যেকোন সরকারী কাজ মানেই হল হয়রানি আর দীর্ঘসুত্রিতা। এই রুম ওই রুম, এখানে যাও, ওখানে যাও। আর দূর্নীতির ভয় তো প্রচুর। সেটা হল ওপেন সিক্রেট। সবাই জানে দেখে কিন্তু ঝামেলা এড়াতে কেউ বলে না, অভিযোগ করে না।

একটি পুরাতন গাড়ি কিনেছিলাম। মালিকানা পরিবর্তন করতে গিয়ে পড়লাম মহা চিন্তায়। কিভাবে কি করতে হয়। কিছু জানি না। ব্লগ আর গুগলে সার্চ দিলাম সেরকম বিস্তারিত কিছু পেলাম না। হালকা যা ধারণা পেয়েছিলাম তাই নিয়ে বাংলাদেশের একটি অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্থ অফিসে ঝাপ দিয়েছি। অনলাইনে একটু ডিটেইলস আকারে লেখা থাকলে মনে হয় আমার মত অনেকের সুবিধা হত। তাই এই লেখাটা লিখতে বসেছি।

বিআরটিএ-এর ঢাকা সার্কেল (উত্তর) মিরপুর-১৩ এর অফিসে গেলাম একদিন। ঘুরে দেখে আসলাম জায়গাটা কেমন। সকালের দিকে গিয়েছিলাম। অসংখ্য মানুষ, শতশত গাড়ির জটলা। ফিটনেস নবায়ন আর ডিজিটাল নাম্বারপ্লেট লাগানোর জন্য বিশাল লাইন।

১ম গেট দিয়ে ঢুকতেই দেখলাম কোন বিল্ডিং এ কিসের কিসের কাজ হয় তার একটা সাইনবোর্ড টানানো। পড়ে নিলাম। আরেকটু সামনে এগোতেই ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য নির্ধারিত বিল্ডিং এর সামনে পেয়ে গেলাম মালিকানা পরিবর্তনের জন্য কি কি লাগবে তার একটা লিস্ট। নিচে উল্লেখ করেছি।
কতগুলো ফর্ম লাগবে।
১। “ফরম-টি ও”
২। “ফরম-টি টি ও”
৩। “বিক্রি রসিদ”
৪। “OWNER’S PARTICULARS/SPECIMEN SIGNATURE”

ফর্মগুলো বিআরটিএ-এর ওয়েবপেজ http://www.brta.gov.bd থেকেই ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নেওয়া যাবে। অথবা তাদের অফিসের গেটেই বিভিন্ন ফটোকপি দোকান আছে, তাতে পাওয়া যাবে।

আর লাগবে ১৫০ টাকা মূল্যমানের দুইটি স্ট্যাম্প যাতে গাড়ির সকল তথ্য ও ক্রেতা-বিক্রেতার সকল তথ্য দিয়ে হলফনামা লিখতে হবে। একটি ক্রেতার পক্ষে আরেকটি বিক্রেতার পক্ষে। এগুলো আমার কাছে ঝামেলার মনে হল। অফিসের গেটের দোকানে ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য আলাদা আলাদা ভাবে কম্পিউটার কম্পোজে প্রিন্ট করা ৫০ টাকার মূল্যের স্ট্যাম্প পেয়ে গেলাম। কিছুটা ঝামেলা কমলো।

এবার চিন্তিত হলাম অফিসে বলা ১৫০ টাকার স্ট্যাম্প, এখানে দেওয়া ৫০ টাকার স্ট্যাম্প। ঝামেলা হবে না তো আবার। অফিসের ভিতর থেকে জানতে পারলাম ১০০ টাকার দুটি সাদা স্ট্যাম্প জমা দিলেই হবে।

গাড়ি কেনার দিন থেকে শুরু করে ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে এই কাজ গুলো সম্পন্ন করতে হবে।

গাড়ি কেনার সময় বিক্রেতার কাছ থেকে বুঝে নিতে হবে তার-
১। সম্পুর্ণ ঠিকানা (স্থায়ী এবং অস্থায়ী)
২। গাড়ির ব্লু-বুক
৩। গাড়ির মূল রেজিস্ট্রেশন সনদ
৪। গাড়ির হালনাগাদকৃত মূল ট্যাক্স-টোকেন পেপার
৫। গাড়ির হালনাগাদকৃত মূল ফিটনেস সার্টিফিকেট পেপার
৬। গাড়ির হালনাগাদকৃত মূল ইনস্যুরেন্স সার্টিফিকেট
৭। বিক্রেতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
৮। বিক্রেতার টিআইএন সার্টিফিকেটের ফটোকপি।
৯। বিক্রেতার দুই কপি ছবি (সত্যায়িত করতে হবে)

পূরণকৃত ফরম গুলোতে এবার স্বাক্ষরের পালা। স্বাক্ষরগুলো যেন ব্লুবুকের অনুরূপ হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, নয়তো বিক্রেতাকে কাগজ জমার দেওয়ার সময় উপস্থিত হতে বলবে। সবচেয়ে ভাল হয় ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই কাগজ জমাদানের সময় উপস্থিত থাকা। স্বাক্ষর কোথায় নিবেন নিম্নরূপ-

১। “ফরম-টি ও”-তে ক্রেতা/“হস্তান্তরকারী গ্রহিতা” স্বাক্ষর করবে। উল্লেখ্য যে, এই ফরমে বিক্রেতার নামের একটি স্থান আছে, সেখানে বিক্রেতার নামের পাশে তার মোবাইল ফোন নাম্বার লিখে দিতে হবে।

২। “ফরম-টি টি ও”-তে বিক্রেতা/“হস্তান্তরকারী” তার ব্লুবুকে প্রদানকৃত স্বাক্ষরের অনুরূপ স্বাক্ষর প্রদান করবেন। এই ফরমের এক জায়গায় ক্রেতার দুইটি নমুনা স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।

৩। “বিক্রি রসিদ”-ফরমে সকল তথ্য পূরণের পর টাকা লেনদেনের সময় উপস্থিত তিন জন সাক্ষীর নাম ও স্বাক্ষর গ্রহণ করতে হবে। নামের পাশে তাদের মোবাইল ফোন নম্বর লিখে দিতে হবে। এই ফরমে সাক্ষীদের সাক্ষরের স্থানের পাশে একটি ১০ টাকা মূল্যমানের রেভিনিউ স্ট্যাম্প আঠা দিয়ে লাগাতে হবে এবং তার উপর দিয়ে বিক্রেতা তার স্বাক্ষর প্রদান করবেন যেন তা সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্প দুই অংশেই পড়ে।

৪। “OWNER’S PARTICULARS/SPECIMEN”- নামক ফরমটিতে ক্রেতার সকল তথ্য সঠিকভাবে পরিষ্কার ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে। নিচে চারটি ঘর আছে যার প্রত্যেকটিতেই ক্রেতা তার নমুনা স্বাক্ষর প্রদান করবেন। এই ফরমে নির্ধারিত স্থানে ক্রেতার ৩টি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি স্ট্যাপলার দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে।

৫। স্ট্যাম্পে ক্রেতা ও বিক্রেতার হলফনামায় তাদের স্বাক্ষর ও তারিখ প্রদানের পর তা ক্রেতা ও বিক্রেতার সত্যায়িত ছবি সহ নোটারি করতে হবে। খরচ ১৫০-৩০০ টাকা।

হয়ে গেলো ফরম পূরণ ও হলফনামা তৈরির কাজ। এবার যে কাজটি করতে হবে তা হল টাকা জমা দেওয়া। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য টাকার পরিমান বিআরটিএ গাড়ির সিসি, সিট, বয়স ভেদে নির্ধারণ করে। বিআরটিএ নির্ধারিত যেকোন ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় গিয়ে ট্যাক্স-টোকেনের কাগজ দেখালে তারা বিআরটিএ-এর সার্ভার থেকে টাকার পরিমান আপনাকে জানিয়ে দিবেন। ব্যাংকের নির্ধারিত শাখাগুলোর তালিকা বিআরটিএ-এ ওয়েবপেজে দেওয়া আছে। আপনার নিকটস্থ শাখায় গেলেই হবে। ১৫০০ সিসির গাড়ি হলে আনুমানিক ২১-২২ হাজার টাকা খরচ পড়বে। আমার ভ্যাটসহ লেগেছিল ২০২০২ টাকা।

দুইটি পৃষ্ঠায় টাকা প্রদানের তিনটি রশিদ আপনাকে দিবে। একটি পৃষ্ঠা আপনার কাছে থাকবে, অন্যটি বিআরটিএ তে জমাদানের জন্য (নীল রঙের ব্যকগ্রাউন্ড)।

এবার আসুন ক্রেতার পক্ষ থেকে কি কি কাগজ জমা করতে হবে।
১। ক্রেতার জাতীয় পরিচয় পত্র।
২। ক্রেতার টিআইএন সার্টিফিকেটের ফটোকপি। (সত্যায়িত)
৩। ক্রেতার Recent আয়কর প্রদানের রশিদ। (এটি নাকি সাথে আনতে হয়, কিন্তু অফিস জমা নেয়নি।)

গাড়ির সকল কাগজের দুই সেট ফটোকপি করে রাখবেন।

এবার আসুন কোন ফরমের সাথে কি কি সংযুক্ত করবেন।

“ফরম-টি ও”- এর সাথে গাড়ির মূল ব্লুবুক, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন এবং ইনস্যুরেন্স সার্টিফিকেট জেমস ক্লিপ দিয়ে সংযুক্ত করুন।

“বিক্রি রসিদ” ফরমের সাথে মালিকানা পরিবর্তনের ফি প্রদানের বিআরটিএ কপি, “OWNER’S PARTICULARS/SPECIMEN SIGNATURE”-ফরম, ক্রেতার জাতীয় পরিচয় পত্র, ক্রেতার টিআইএন সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি এবং ছবিসহ হলফনামা জেমস ক্লিপ দিয়ে সংযুক্ত করুন।

“ফরম-টি টি ও”-এর সাথে বিক্রেতার জাতীয় পরিচয় পত্র, ছবিসহ হলফনামাটি জেমস ক্লিপ দিয়ে সংযুক্ত করুন।

এবার কাগজপত্র জমা দিতে যেতে হবে। ভিড় বেশি হলে প্রসিডিয়র গুলো খানিক জটিল এবং ধৈর্য্য সাপেক্ষ্য। মিরপুর বিআরটিএর কথা এখানে লিখছি। অন্য শাখায়ও প্রসিডিয়রগুলো একই। আপনার গাড়ির কাগজ যে শাখায় এনডোর্স করা তা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নিন।

মিরপুর বিআরটিএ-এর ক্ষেত্রে প্রথমেই ১১৫ নম্বর রুমে যাবেন। সেখানে আপনার কাগজপত্রগুলো দেখাবেন, তারা আপনার গাড়ির সিরিয়াল অনুসারে নির্ধারিত টেবিলে পাঠাবে। সেখানে আপনার কাগজপত্রগুলো দেখবে, গাড়ির মূল ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স-টোকেন ও ইনস্যুরেন্স সার্টিফিকেট চেক করে তা আপনাকে ফেরত দিবে। বাকি কাগজগুলো চেক করবে। কোনটার ফটোকপি দরকার হলে আপনার কাছে চাইতে পারে। তারপর সব সমন্বিত করে স্ট্যাপলার করে আপনাকে দিয়ে নাম এন্ট্রি করতে বলবে।

নাম এন্ট্রির জন্য এই কাগজগুলো নিয়ে যেতে হবে ২০২ নম্বর রুমে। এটা ১১৫ নম্বর রুমের সামনেই বিল্ডিং এর গেট দিয়ে ঢুকে সিড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে হাতের ডানে। একটি ছোট্ট জানালার মধ্যে দিয়ে দুইজন ব্যক্তি নাম এন্ট্রির জন্য বসে থাকেন। তাদেরকে কাগজটি দেখালে তারা এর উপর একটি সিল দিবেন এবং নাম এন্ট্রি করবেন।

তারপর আপনাকে গাড়ি নিয়ে ঐ ১১৫ নম্বর রুমের সামনে এসে সিরিয়াল দিতে হবে ইন্সপেক্টরের পর্যবেক্ষণের জন্য। তিনি গাড়ির ইঞ্জিন নাম্বার, চেসিস নাম্বার সহ অন্যান্য বিষয় চেক করবেন। তারপর কাগজে “Seen” লিখে স্বাক্ষর করে দিবেন।

গাড়ি বিআরটিএ-এর বাইরে “নিরাপদ” জায়গায় রেখে আবার কাগজগুলো নিয়ে ১১৫ নম্বরে ঐ একই টেবিলে যাবেন।
কেন “নিরাপদ” জায়গা? যদি যত্রতত্র গাড়ি রাখেন, তো খবর আছে। সেখানে সার্জেন্ট পুলিশ থাকে, গাড়ি জব্দ করার জন্য যেন তারা তক্ষক। জরিমানা, মামলা করে দিতে পারে। রেকারে চলে যেতে পারে গাড়ি। যদিও তারা প্রচন্ড ব্যস্ত থাকে গাড়ির ভিড় সামলানো আর রাস্তা ক্লিয়ার রাখার ব্যাপারে। সবচেয়ে ভালো হয় সাথে দুই/তিনজন সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। গাড়িতে একজন থাকলেন, আরেকজন অফিসের ভিতরে। বিআরটিএ থেকে দূরে গলির ভিতরে গাড়ি রেখে আসবেন অথবা এমন ভাবে রাখবেন যাতে রাস্তায় কোন প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি না হয়।

এবার বিআরটিএ-র গেটের দোকানগুলো থেকেই সংগ্রহ করুন একটি ফিতাসহ কাগজের ফাইল যাতে আপনার কাগজগুলো রাখা হবে। এটা আপনাকেই কিনে দিতে হবে। তারপর চলে যাবেন ১১৫ নম্বর রুমে।

এবার শুরু হবে আসল খেলা। সেখানে আপনার কাছে হয়তোবা “অফিস খরচ”-এর নামে কিছু উৎকোচ চাইবে। আমার কাছে ৩-৪ হাজার টাকা দাবী করেছিল অফিস সহকারী পদের লোকটি। আমার সাথে খুব বেশি টাকা ছিল না। দিতে চাইলাম না। আমার কাজও বন্ধ। কিছুক্ষন বসে থাকলাম। অন্যান্যদের কাজ চলতে থাকলো।

তারপর তাকে বললাম- আমি তো জানি না মালিকানা পরিবর্তনের ফিস জমা দেওয়ার পরও "অফিস খরচ" দিতে হয়। আমি সাথে তেমন টাকা আনিনি। সাথে যা টাকা ছিল তাই দিলাম।
লোকটা এমন একটা ভাব নিল যেন আমি কোন অপরাধ করেছি। আমাকে তিরষ্কারের ভাষায় বললেন-আপনি সরকারি অফিসে এসেছেন আর আপনি জানেন না এখানে "অফিস খরচ" লাগে। আপনি কি বাংলাদেশে বসবাস করেন?

মুখ বুজে শুনলাম। অসহায় একটা চেহারায় তাকালাম তার দিকে। লোকটি তার পিয়নকে তাগাদা দিল আমার ফাইলটা জমা নিয়ে রিসিট দিয়ে দিতে। পিয়নটাই সব লিখলো, অফিস সহকারি ঝিমালো। কাগজ উত্তোলনের তারিখ দিল ৬ মাস পর। তারপর ঝিমানো থামিয়ে লোকটা স্বাক্ষর দিলো তাতে। বললো ১০২ নম্বর রুম থেকে আরেক ব্যক্তির স্বাক্ষর নিতে।

এবার সিরিয়াস ভয় পেলাম। পকেট ততক্ষণে আমার খালি। আবার ১০২?

গেলাম। দেখলাম একজন ভদ্রলোক বসে আছেন। তিনি আমার কাগজটি নিয়ে সুন্দরমত চুপচাপ স্বাক্ষর করে দিলেন। আমি বের হয়ে এলাম।

কাজ শেষ। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম।

এই কাগজটিই আপনার বর্তমান "সাময়িক রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট"। এটি গাড়িতে সযত্নে রাখবেন যতদিন আপনি মুলটি হাতে না পাচ্ছেন। রাস্তায় চেক করলে এটি দেখাতে হবে।

কাগজে প্রদত্ত তারিখে বিআরটিএ তে যাবেন। বিল্ডিং ১ এর ডান পাশে একটি একতালা ঘরের ১২০ নম্বর রুমে ২ টি কাউন্টারের যেকোনটিতে লাইনে দাঁড়াবেন। সাথে রাখবেন মুল কাগজ ও তার একটি ফটোকপি, মুল জাতীয় পরিচয়পত্র ও তার একটি ফটোকপি নিয়ে যাবেন। এখানে উল্লেখ্য যে ফটোকপিগুলো এ৪ সাইজের কাগজে হতেই হবে। নতুবা দীর্ঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে আবার আপনাকে নতুন করে ফটোকপি করে এনে আবার লাইনে দাঁড়াতে হবে। যদি মুল জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে বা হারিয়ে গিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে পাসপোর্ট যদি থাকে তবে তার মুল কপি ও পরিচয় অংশের পৃষ্ঠাগুলো এ৪ সাইজের কাগজে ফটোকপি করে নিয়ে যাবেন।

এখানে আপনার নাম পরিচয় যাচাই করে, নাম পরিবর্তন ডাটাবেজে ইনপুট হওয়া সাপেক্ষে আপনার বায়োমেট্রিক্স (আঙ্গুলের ছাপ, স্বাক্ষর, ছবি তোলা) গ্রহণ করার জন্য একটি টোকেন নম্বর হাতে লিখে প্রদান করা হবে। এটি নিয়ে চলে যাবেন ১১৮ নম্বর রুমে। বসে থাকুন। ডিজিটাল ডিসপ্লেতে টোকেন নম্বরের সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা করুন। সিরিয়াল আসলে ডিসপ্লেতে প্রদর্শিত কাউন্টারে চলে যাবেন। সেখানে আপনার বায়োমেট্রিক্স ও মোবাইল নম্বর গ্রহণ করে আপনার ঐ "সাময়িক রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে" সম্ভাব্য একটি তারিখের সিল দিয়ে দিবে। ঐ তারিখে বা তার আগে/পরে আপনি আপনার মোবাইলে এসএমএস পাবেন কবে নতুন রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটটি আপনি তুলতে পারবেন।

অতঃপর
অপেক্ষায় থাকুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০০
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×