সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এলোমেলো ভাবনা
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
গত জানুয়ারীতে প্রচন্ড মাথা ব্যাথার অভিযোগ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে সব কিছু দেখে শুনে ডাক্তার উনার ল্যাপটপে কিছু এটা দেখে বললো - বাংলাদেশে কি সমস্যা চলছে? যা হোক এই বিষয়ে বেশ কিছুক্ষন কথা বলার পর ডাক্তার টিভি আর ইন্টারনেটের বরাদ্ধ কমানোর পরামর্শ দিয়ে বিদায় দিলেন। কিছু দিন পর বাংলাদেশের গনেশ উল্টে গেল। আমার মাথা ব্যাথাও সাথে সাথে শেষ হয়ে গেল। কিন্তু সুযোগ পেলেই দেশের খবরের জন্য টিভি দেখার লোভ সামলানো কঠিন। এখন দেখছি শুধু মাথা ব্যাথাই না - টিভির খবর দেখলে আমার মনও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই সংক্রান্ত একটা ঘটনা বলা যেতে পারে।তারেক রহমানকে যখন ধরে নিয়ে গেল - উনার বিভ্রান্ত চাহনী দেখে রাতে ঘুমাতে পারিনি। একটা ভাবনা আমাকে পেয়ে বসেছিল - ভেবেছি - ভদ্রলোক সেই সময় কি ভাবছিলেন। উনি কি উনার কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত - নাকি ভাবছে অন্যরা তাকে বোকা বানিয়েছে - নাকি ভাবছে একবার ছাড়া পেয়েনি, শালারা বুঝবি। এই সব আবোল তাবোল ভাবতে ভাবতে মাথা গরম হয়ে গেল। তাই আর ঘুমাতে পরিনি। এরপর দেখালো এক পুলিশের এসআইকে এক সেনাসদস্য কলারে ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এসআই সাহেবের দশাসই শরীরের পাশাপাশি আর্মীটার শুটকা শরীর বেশ বেমানান দেখাচ্ছিল। পুলিশ সাহেবের চেহারায় একটা অসহায় ভাব - অনেকটা কোরবানীর গরুর চাহনীর মতো। কোরবানীর ছুরি চালানোর আগের মূহুর্তে যখন গরুটা আর কোনভাবেই আর নিজেকে মুক্ত করতে না পারার বিষয়টা বুঝতে পারে - তখন যেখাবে বড় বড় করে তাকায় ঠিক তেমনি করে তাকাচ্ছিলেন এসআই সাহেব। আমরা যেমন করে কখনই যানবো না - সেই গরুটা কি বলতে চায় - টিক তেমনি সেনাবাহিনীর হাতে ধরাপড়া পুলিশের দারগার মনের কথাও আমরা কখনও জানবো না। কিন্তু আমরা কিছুটা ধারনা করতে পারি। যেমন বলতে পারি - তখন সে প্রথমত নিজেকে দোষারোপ করছিলো শেষ ডিলটায় নিজেকে জড়ানোর জন্যে। হয়তো আল্লাহ কে ডাকছিলো একটু দয়ার জন্যে - হয়তো ভাবছিলো তার মান সন্মানের কথা - হয়তোবা ভাবছিলো তার ছোট্র শিশুবাচ্চাটার কথা - যে আব্বুর আগমনের প্রতীক্ষায় রাতজেগে মাকে জ্বালাতন করে - হয়তো ভাবছিলেন তার প্রেয়সীর কথা - যার কাছে সে একজন হিরো হিসাবে ছিল। আজ সে জিরো - সেই মুখটা দেখাবে কিভাবে। ইত্যাদি ইত্যাদি। সেগুলো আমার সমস্যা না। কিন্তু একটা কথা বারবার মনে ঘুরপাক খায় - এরা কি জানতো যে - এদের অবস্থা এ রকম হবে কখনও। হয়তো বা - হয়তো বা না!
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - 'সত্য বলার সনদ'

রাত দুটায় রাকিবের ফোন বেজে উঠলো।
—ভাই, আপনার মুক্তিযোদ্ধা সনদটা কোথায়?
—কেন?
—একজন আমেরিকা-প্রবাসী ব্লগার বলেছেন, আপনি নাকি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।
রাকিব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,
—আমার সনদ তো আলমারিতে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার,... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
গল্পঃ রক্ত ঋণ

আমাদের পরিবারে সাব্বির নামটা উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ । সাব্বির ভাইয়া আব্বুর প্রথম সংসারের একমাত্র সন্তান আর আমরা দুই ভাই -বোন তার দ্বিতীয় সংসারের।
সাব্বির ভাইয়ার মা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আর্কাইভ থেকে: আহ প্রিয়তমা, মিলনের গল্প জানো না

ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।