মূল গল্প শুরু:---
অনেক দিন আগে পড়া একটা গল্প বলি। পুরোটা মনে নেই, যেটুকু আছে-
এক লোক তার ছেলেকে নিয়ে মহা মুসিবতে আছেন। ছেলেকে তার শিক্ষক যে বিষয়েই কিছু বলতে বলে না কেন, সেখানে কুমির এসে পড়ে। তো তিনি উপায় অন্তর না দেখে তার এক জ্ঞানী বন্ধুকে ডাকলেন। বন্ধুটি ছেলেকে প্রথমে গরু রচনা করতে বললেন। ছেলে শুরু করলো-
গরু একটি গৃহপালিত পশু। এর দুইটি চোখ, দুইটি কান, চারটি পা, একটি লেজ আছে। গরু প্রিয় খাবার খাস। গরুটি খাস খেতে খেতে একদিন নদীর পাড়ে গিয়েছে, অমনি এক কুমির এসে গরুটিকে খেয়ে ফেললো। রচনা শ্যাষ!
বন্ধুটি রচনা বাদ দিয়ে এবার তাকে ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন করলেন, "আচ্ছা বাবা, সম্রাট শাহজাহান সম্পর্কে কিছু বলো তো"
ছেলে এবার শুরু করলো-
সম্রাট শাহজাহান খুব ভালো লোক ছিলেন। তিনি একদিন যোহরের নামাজ পড়ার জন্য যমুনা পড়ে গিয়েছেন অযু করতে। অমনি একটা কুমির এসে তাকে খেয়ে ফেললো।
জ্ঞানী বন্ধুটি বুঝলেন একে অন্যভাবে সাইজ করতে হবে। সুতরাং তিনি উড়োজাহাজ সম্পর্কে কিছু বলতে বললেন।
ছেলে শুরু করলো-
উড়োজাহাজ আকাশে উড়ে। একদিন একটি উড়োজাহাজটি আকাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। এমন সময় ক্রাশ করে একটি নদীতে পড়ে গেল। সেই নদীতে ছিলো অনেক কুমির। তারা বিমানের যাত্রীদের সব টেনে বের করে খেয়ে ফেললো।
জ্ঞানী বন্ধুটি তো এই কথা শুনে পুরা থ!
এই ব্লগেও এরকম মজার কিছু কান্ড ঘটতে দেখছি গত দেড় বছর ধরে। এখানে সুই হতে শুরু করে উড়োজাহাজ পর্যন্ত যাবতীয় সকল বস্তু নিয়ে আলোচনার মাঝে যেভাবেই হোক "আওয়ামী ফোবিয়া" এবং "ইসলাম ধর্ম" চলে আসে, অবাক লাগে। এসব দেখে শুনে হয়তো ঐ জ্ঞানী বন্ধুটির মতই "থ" মেরে যান অনেকে। কিছু বলতেও সাহস পান না, পাছে 'তথা কথিত মুক্তিযোদ্ধা ' খেতাব দিয়ে দেয় সেই স্বাধীনতার বিপক্ষশক্তির লোকেরা। ঘাতক দালালদের বিভিন্ন ছবি ও লেখা কপি-পেষ্ট করে এবং মাঝে মাঝে কঠিন আবেগময় ভাষন দিয়ে তাহারা নিজেদের রাজাকার ও দালাল প্রমাণ করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে... ওটাই তাদের ছাট্টিফিকেট... কিন্তু এরা সবসময়ই বলে তারা রাজাকার না। কারন সকল ইতিহাস অস্বীকার করে এবং ইতিহাস ভুলার জন্যে ঘুমপাড়ানীর গান গায়।
কিন্তু এরা সবসময় সকল সত্যানুসন্ধানী প্রশ্ন এড়িয়ে চলে। প্রশ্ন করলে লগ অফ করে ফেলে এবং চেষ্টা করে ধর্মের আবরনে রাজাকারীকে জায়েজ করতে।
(পাঠক - দয়া করে এই পোস্টাকে টপ পোস্টে উঠান...কারন এর মধ্যে ৯৯% শব্দই একজন সর্বদা টপপোস্ট দখলকারীর একজন দৈনিক ১৮ ঘন্টার ব্লগীর। যদি এটা টপে না যায় তবে জনাবের অপমান হবে যে।)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



