somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ইভ টিজিং ; কারন নাকি ফলাফল!!!

১১ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রিয় ব্লগাররা আমরা যতই যুক্তি প্রদান করি আর গলাবাজি করি না কেনো জীবনের কঠিণ বাস্তবতাকে কখনও ই কি অস্বীকার বা এড়াতে পারি??

এটা কি কখনো সম্বব যে এমন একটি সমাজ বা রাষ্ট্র গঠিত হবে যেখানে কোন দুষ্ক্রীতীকারী থাকবে না, চোর - বাটপার থাকবে না, আমি মনে করি সম্বব না। কারন নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি আকর্ষন স হজাত প্রবৃত্তি, আর যুবকদের আচরনে এটা আরও প্রকট ভাবে প্রতীয়মান হয়।

সমাজে চোর, বদমাসদের শাস্তি দেয়ার জন্য আইন আছে, দুটো কারনে মানুষ খারাপ কাজ করে না...
১। বিবেক তাকে বলে চুরি করা কারাপ , এ কাজ সভ্য মানুষ করতে পারে না।
২। আইনের ভয় যে চুরি করলে তাকে জেলে যেতে হবে, কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।
কিন্তু আমরা যদি একটু চিন্তা করি দেশে ১০০% মানুষ কি বিবেক বান হতে পারে, না কখনোই সম্ভব না, প্রতিটি সমাজে কিছু ভালো কিছু খারাপ মানুষ থাকতে বাধ্য, আর এই খারাপ মানুষদের জন্যই আইন দরকার।
ইভ টিজারদের জন্য কি কোন আইন আছে আমাদের দেশে??

অন্য দৃষ্টিতে আমাদের সমাজে এমন একটা দল থাকতেই হবে যারা মানুষকে ভালো কাজের আহবান জানাবে, খারাপ কাজে ণিষেধ করববে এবং অন্যয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে, যাদেরকে আমরা বলি দায়িলাল্লাহ বা আল্লাহর দল।
এমন কোন দল বা মতের মনুষ কি আমাদের সমাজে আছে, যদি থাকে তাদের কে কি নির্বঘ্নে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে, হচ্ছে না!!!!
আমি একটি উদাহরন দিচ্ছি,
আমি দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যখন ইসলামী সংগঠগুলো কাজ করতো তখন কিন্তু কোন মেয়েকে টিজ করতে কেউ সাহস পেতো না, কারন এই দলটা এর প্রতিবাদ করতো। নাটোরের শিক্ষক মিজানুর রহমান একা না হয়ে যদি সব স্কুল শিক্ষক একত্রে টিজিং এর প্রতিবাদ করতো তাহলে মনে হ্য় এমন করুন পরিনতি হতো না।

একই ভাবে আমাদের সমাজে যে আইন আছে তার পূর্ন প্রয়োগ নেই , আমি যদি ক্ষমতাশীণ কোন মানুষের আত্বীয় বা কাছের মানুষ হই তাহলে আমার সব দোষ মাফ। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় অর্ধ পৃথিবীর খলিফা উমর রাঃ এর পুত্রকে মদ্যপানের কারণে এমন সাজা দিয়েছিলেন উমর যে সে মৃত্যুবরণ করেছিল।

আমাদের দেশে কি এমন উদাহরন সম্ভব, জানি সম্ভব না।
তাই আসুন একত্রিত হই ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে এককভাবে নয় , সবাই মিলে।
দশের লাঠি একের বোঝা
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×