somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

'বাবু': একটি শব্দের উদ্ভব ও এগিয়ে চলা

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'বাবু' আমাদের প্রতিদিনকার জীবনে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। কয়েক শ' বছর আগেও শব্দটি ছিল। বাংলা ভাষাভাষীরা সেটা ব্যবহারও করতেন; তবে তা ভিন্ন অর্থে। 'বাবু' শব্দের উৎপত্তি ও বিবর্তনের ধাপগুলো এই আলোচনায় তুলে ধরা হলো ।

১. শব্দটির উদ্ভব ও বিকাশ
ভাষাবিদদের মতে, 'বাবু' শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছে (সংস্কৃত হচ্ছে শুদ্ধ বা কঠিন ভাষা (পণ্ডিতদের ভাষা); প্রাকৃত হচ্ছে সাধারণ মানুষের মুখের সহজ ভাষা, আর অপভ্রংশ হলো প্রাকৃতের ক্ষয়ে যাওয়া বা বিবর্তিত রূপ যা থেকে বাংলার জন্ম)। সংস্কৃত 'বাপ্প' (পিতা) থেকে প্রাকৃত 'বব্বক' হয়ে বাংলায় 'বাবু' শব্দের উৎপত্তি। এটি মূলত 'বাবা' শব্দের একটি আদরসূচক বা লঘু রূপ। 'বাবু' বলতে বোঝায় এমন একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ বংশজাত বা সম্মানিত, কিন্তু শব্দটির মূল শেকড় পারিবারিক স্নেহের মধ্যে নিহিত। (সূত্র: জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস, বাঙ্গালা ভাষার অভিধান)।

শব্দটির পারস্য বা ফার্সি ভাষার সাথে যোগসূত্র রয়েছে । মোগল বা মুঘল আমলে যখন ফার্সি ছিল রাজকীয় ভাষা, তখন এই শব্দের বিবর্তন ঘটেছিল । ফার্সি ভাষায় 'বাবা' (Baba) শব্দটি অত্যন্ত সম্মানজনক। এটি কেবল পিতাকে নয়, বরং আধ্যাত্মিক গুরু, সুফি সাধক বা বয়োজ্যেষ্ঠ জ্ঞানীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো (যেমন: বাবা ফরিদ)। মোগল আমলে ফার্সির প্রভাবের কারণে বাংলায় 'বাবা' শব্দের একটি আদরসূচক বা লঘু রূপ হিসেবে 'বাবু' শব্দের প্রচলন ঘটে। ফার্সি ভাষার আদলে কোনো ব্যক্তিকে সম্মান দিতে তাঁর নামের সাথে 'বাবু' যোগ করার রীতিটি রাজকীয় শিষ্টাচারের অংশ হয়ে ওঠে। Hobson-Jobson অভিধানে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর ভারতে ফার্সি প্রভাবিত উচ্চবিত্তরা শব্দটি শিশুদের এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতেন।

মোগল আমলের শেষ দিকে এবং নবাবী আমলে রাজকীয় সেরেস্তা বা দপ্তরে হিন্দু কর্মকর্তাদের আধিপত্য ছিল। ফার্সি ভাষায় দক্ষ হিন্দু অমাত্য বা রাজস্ব কর্মকর্তাদের (যেমন: কায়স্থ বা ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়) মোগল দরবার থেকে সম্মান জানিয়ে 'বাবু' সম্বোধন করা হতো। এটি ছিল অনেকটা ফার্সি 'খাজা' (যেমন, খাজা নাজিম উদ্দিন) বা 'মির্জা' (যেমন, মির্জা গালিব) উপাধির হিন্দু সংস্করণ। ফার্সি সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে এই শব্দটি 'ভদ্রলোক' বা 'অভিজাত পুরুষ' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। Platts, John T. (1884): A Dictionary of Urdu, Classical Hindi, and English. শব্দটিকে 'Baba' বা 'Bappa' থেকে আসা বলে উল্লেখ করলেও ফার্সি/উর্দু পরিবেশে এর 'Gentleman' বা 'Master' হিসেবে বিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। ফার্সি 'Baba' শব্দের রাজকীয় ও সম্মানজনক ব্যবহারের উৎস পাওয়া যায় Steingass, Francis Joseph এর A Comprehensive Persian-English Dictionary তে । অর্থাৎ, ফার্সি Baba বা আধ্যাত্মিক গুরু/পিতা মোগল দরবারে হিন্দু কর্মকর্তাদের জন্য সম্মানসূচক সম্বোধন হিসেবে গৃহীত হয় যা বাংলা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে ('বাবা' + আদরসূচক প্রত্যয়) = 'বাবু' রূপ নেয়। সহজ কথায়, শব্দটি সরাসরি ফার্সি নয়, তবে ফার্সি রাজকীয় সংস্কৃতিই একে একটি সাধারণ পারিবারিক ডাক থেকে ‘সম্মানজনক সামাজিক উপাধিতে’ রূপান্তর করতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
ফার্সি শব্দ 'বা-আদব' (Ba-adab)—যার অর্থ 'শিষ্ট' বা 'ভদ্র'—এর সাথেও কেউ কেউ লোকজ ব্যুৎপত্তিগত (Folk Etymology) মিল খোঁজার চেষ্টা করেন। যদিও এটি ভাষাতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণিত নয়, তবে ফার্সি সংস্কৃতির 'আদব-কায়দা' এবং 'বাবুইয়ানা' মেজাজের মধ্যে একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক মিল ছিল।

২. মোগল ও আদি ব্রিটিশ আমল (আভিজাত্যের প্রতীক)
এই পর্যায়ে শব্দটি একটি উচ্চমর্যাদার উপাধি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মোগল শাসনকালে এটি হিন্দু রাজন্যবর্গ, জমিদার বা পদস্থ রাজকর্মচারীদের নামের শেষে সম্মানসূচক উপাধি হিসেবে যুক্ত হতো। ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকেও এটি ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নির্দেশ করত।

৩. ঔপনিবেশিক আমল ও ‘কেরানি’ সংস্কৃতি
ব্রিটিশ রাজত্বকালে শব্দটির অর্থ এক নাটকীয় মোড় নেয়। 'বাবু' তখন কেবল অভিজাত নয়, বরং ব্রিটিশ প্রশাসনের অধীনে কর্মরত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বা কেরানিদের পরিচয় হয়ে ওঠে। একই সাথে ব্রিটিশরা Babu English শব্দটি ব্যবহার করত সেই সব ভারতীয়দের উপহাস করার জন্য যারা ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী হওয়ার চেষ্টা করত কিন্তু তাদের প্রকাশভঙ্গি ছিল অত্যন্ত পুঁথিগত ও কৃত্রিম।

৪. রাজা রামমোহন রায় ও 'বাবু' সমাজ
উনিশ শতকের কলকাতায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে (দেওয়ান বা মুৎসুদ্দি হিসেবে) কাজ করে বা ব্যবসা করে একদল বাঙালি প্রচুর অর্থের মালিক হন। এই বিত্তশালী ও ইংরেজি শিক্ষিত শ্রেণিকে তখন 'বাবু' বলা হতো। রামমোহন রায় এই শ্রেণিরই একজন ছিলেন, যিনি প্রশাসনিক কাজে দক্ষতার মাধ্যমে প্রভূত প্রতিপত্তি অর্জন করেছিলেন।
তৎকালীন বাবুদের একটি বড় অংশ বিলাসিতা, আমোদ-প্রমোদে মত্ত থাকলেও রামমোহন রায় ছিলেন এই শ্রেণির বুদ্ধিবৃত্তিক ও সংস্কারবাদী রূপের পথিকৃৎ। সাধারণ অর্থে 'বাবু' বলতে তখন সামন্ততান্ত্রিক বিলাসিতাকে বোঝাত। রামমোহন এই 'বাবু' পরিচয়টিকে সামাজিক নেতৃত্ব এবং ইউরোপীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের বাহক হিসেবে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। 'বাবু'রা ছিলেন ব্রিটিশদের ঘনিষ্ঠ এবং ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত। রামমোহন এই ইংরেজি শিক্ষাকে কেবল চাকরির মাধ্যম হিসেবে না দেখে একে যুক্তিবাদের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৮২৩ সালে লর্ড আমহার্স্টকে চিঠি লিখে ভারতে আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষার দাবি জানান, যা ছিল শিক্ষিত বাবুদের পক্ষ থেকে আধুনিক ভারতের জন্য এক জোরালো আবেদন। রামমোহন রায়ের জীবনধারা ও চিন্তাভাবনা 'বাবু' শব্দটির নেতিবাচক অর্থ (যেমন কেবল শৌখিনতা) পরিবর্তন করে তাকে 'ভদ্রলোক' শ্রেণির প্রারম্ভিক স্তরে উন্নীত করে। তিনি দেখিয়েছিলেন যে, একজন 'বাবু' বা উচ্চবিত্ত বাঙালি একইসাথে ধনাঢ্য শৌখিন এবং অত্যন্ত প্রগতিশীল ও সমাজ সচেতন হতে পারেন। ঐতিহাসিকভাবে শব্দটি এভাবে কলকাতার নবজাগরণ বা 'বেঙ্গল রেনেসাঁ'র সময়ের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বা 'ভদ্রলোক' শ্রেণির সমার্থক হয়ে ওঠে।

৫. আধুনিক প্রেক্ষাপট ও বৈচিত্র্য
বর্তমানে 'বাবু' শব্দটি বহুমাত্রিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন, পারিবারিক স্নেহ: শিশুদের বা ছোটদের ক্ষেত্রে সম্বোধন, সম্মানসূচক: নামের শেষে ভদ্রতাসূচক ব্যবহার (যেমন: অমল বাবু), আমলাতন্ত্র: সরকারি অফিসে ফাইল আটকে রাখা বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্যকে নির্দেশ করতে 'বাবুতন্ত্র' শব্দটি ব্যবহৃত হয় (বিশেষত, পশ্চিমবঙ্গে)। বর্তমান যুগে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শব্দটির ব্যবহার সম্পূর্ণ বদলে গেছে । বর্তমানে শিশুদের সম্বোধন (যেকোনো ছোট শিশু বা পরিবারের ছোট ছেলেকে আদর করে 'বাবু' ডাকা হয়), রোমান্টিক পার্টনার (সোশ্যাল মিডিয়া এবং আধুনিক ডেটিং কালচারে প্রেমিক-প্রেমিকারা একে অপরকে 'বাবু' বলে সম্বোধন করে (যেমন: ‘বাবু খেয়েছো/খাইছো?’), যা অনেক সময় হাস্যরসের বা ইন্টারনেটে 'মিম' (Meme) তৈরির উপাদানে পরিণত হয়েছে। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বী সহকর্মীদেরও বাংলাদেশে 'বাবু' বলতে শোনা যায় ।

'বাবু' শব্দটির বিবর্তন ও ব্যবহারের কালানুক্রমিক ইতিহাস



তথ্যসূত্র:
1. Chowdhury, S. (2018). The Modern Bengali Identity and Language. (আধুনিক প্রেক্ষাপটে শব্দের রূপান্তর)।
2. Times of India Article: The Rise and Fall of the Bengali Babu. Link (আধুনিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট)।
3. Platts, John T. (1884): A Dictionary of Urdu, Classical Hindi, and English. Digital Dictionaries of South Asia (Platts) (এখানে 'Babu' লিখে সার্চ করুন)।
4. Steingass, Francis Joseph: A Comprehensive Persian-English Dictionary. Web Link: Steingass Persian Dictionary
5. Chatterji, Suniti Kumar (1926). The Origin and Development of the Bengali Language. Calcutta University Press. (ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ)।
6. Yule, Henry & Burnell, A.C. (1886). Hobson-Jobson: A Glossary of Colloquial Anglo-Indian Words and Phrases. (ঔপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গি ও 'Babu English' এর ইতিহাস)।
7. দাস, জ্ঞানেন্দ্রমোহন (১৯১৬). বাঙ্গালা ভাষার অভিধান। সাহিত্য সংসদ। (শব্দের ব্যুৎপত্তি ও বাংলা অর্থ)।
8. সরকার, বিনয় কুমার. Bengali Culture and Society. (সামাজিক বিবর্তন)।
9. সরকার, সুশোভন। (১৯৭০)। Notes on the Bengal Renaissance। ন্যাশনাল বুক এজেন্সি। (উনবিংশ শতাব্দীর শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ও রামমোহন রায়ের ভূমিকা বুঝতে এই বইটি সহায়ক)।
10. ব্যানার্জী, সুমন্ত। (১৯৮৯)। The Parlour and the Streets: Elite and Popular Culture in Nineteenth Century Calcutta। সিগাল বুকস। (কলকাতার 'বাবু' কালচার এবং আভিজাত্য থেকে 'ভদ্রলোক' শ্রেণিতে রূপান্তরের বিস্তারিত বিবরণ এখানে রয়েছে)।
11. সেন, সুকুমার। (১৯৬০)। History of Bengali Literature। সাহিত্য একাডেমি। (মধ্যযুগের বাংলা শব্দভাণ্ডার ও সামাজিক সম্বোধনের বিবর্তন)।
12. সূত্র: J.H. Broomfield, Elite Conflict in a Plural Society: Twentieth-Century Bengal। Link: Packing a Punch at the Bengali Babu - ResearchGate
13. Babu (title). (2024, May 18). In Wikipedia. Click This Link)&oldid=1224424905
14. বাংলাপিডিয়া। (২০১২)। রামমোহন রায়। এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশ। http://bn.banglapedia.org/
15. Packing a Punch at the Bengali Babu (ResearchGate Article by Varun Kumar Roy) Link: Packing a Punch at the Bengali Babu - ResearchGate
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজব পোশাক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬


এক দেশে ছিল একজন রাজা। রাজার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া। সিপাহী-সামন্ত লোকলস্করে রাজপুরী গমগম। রাজার ধন-দৌলতের শেষ নেই। রাজা ছিল সৌখিন আর খামখেয়ালি। খুব জাঁকজমক পোশাক-পরিচ্ছদ পরা তার শখ। নিত্যনতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচনী অঙ্গীকার চাই ফুটপাথ ফেরাও মানুষের কাছে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬


ভোটের মিছিলে কথা হয় অনেক
পোস্টারে ভরা উন্নয়নের ঢাক
কিন্তু বলো তো ক্ষমতাপ্রার্থী দল
ফুটপাথ কার এ প্রশ্নের কি জবাব?

ঢাকা ছোটে না, ঢাকা পায়ে হেটে ঠেলে চলে
শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই পড়ে কষ্টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×