
তুমি যখন ছিলে এই মনে, নূতনত্বকে আদৃত করিয়াছিলাম বিনা সিগনালে। তুমি হাসিলে হাসিত সব পতত্রীকূল, ফুটিত ফুল অচিরাৎ। আর আমি বিস্মিত ভঙ্গিতে প্রেমোন্মত্ত হইয়া শুনিতাম তোমার হাসি।
কিন্তু হঠাৎ করিয়া অন্তরখান মেঘাচ্ছন্ন করিয়া সব তমসাচ্ছন্ন করিয়া দিলে। বিদায়বেলায় বিষাদময়, দুঃখজাগানিয়া স্মৃতিকথা অর্পণ করিয়া গেলে। মোহান্ধতার বৈপরীত্যে পশ্চাদপসরণ করিয়াছ আর বিদায়বেলায় দিয়াছ আমায় কষ্টকে সঙ্গী করিয়া। তুমি কি জানো কতটা পীড়িত হইয়াছিলাম একাকীত্ব হইয়া! কতটা রাত্রিজাগরণ করিয়াছি, মুখচাপা দিয়া জ্বালা-ধরানো বিষাদ সহ্য করিয়াছি! কি আর বলিব তোমায়, বুকের দগদগানি বুঝিবার সামর্থ কখনো তোমার হইবে না। চেষ্টা থাকিলেও বুকের প্রদাহের জ্বালা নিভাইতে পারিব না।
খুব জানিতে ইচ্ছা করে তুমি কি আজো সূচ্যগ্র মনোহারিণী সুস্বরে কথা বলো! ভুল করিয়াও কি আমাকে স্মরণ করো না যেমন করিয়া প্রতিনিয়ত আমি অন্বেষণ করি তোমার কথারঢং গুলি? অনেক কষ্ট সয়েছি তোমার লাগি, সব যে পার করিয়াছি বহুদূর।
কোথায় যাইবে যাও, আমি আর ভয় পাইনা তোমায় হারানোর। মুক্তি মেলিছে তোমার ইচ্ছায়, হয়তো ডানাওয়ালা পরী হইয়া ভিড়াইবে তরী অপর কোন লালসে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

