
পিতা বিজ্ঞানী। মাতা সফল রাজনীতি বীদ।নানা জাতীর জনক। উচ্চ শিক্ষিত। ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল রূপকার। বয়স একান্ন। প্রধানমন্ত্রী হয়ে সাফল্য দেখাতে পারলে অনেক দিন রাষ্ট্র সেবার সম্ভাবনা।এমন একজন লোককে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ তাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেছে দিতে পারে কি? কি মনে হয় তিনি কি নৌকা ভাসাবেন না ডুবাবেন? বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁর চেয়ে যোগ্য আর কে হতে পারেন?
যার কান্ডজ্ঞান আছে এমন লোককে জাতির কান্ডারী হতে হয়। আমি তাঁর বক্তৃতা যতটা শুনেছি তাতে তাঁর যথেষ্ট কান্ডজ্ঞান আছে বলে মনে হয়েছে। কেউ যখন পরিবর্তন চায় তখন তাকেই বলতে হবে কোন একজনকে পরিবর্তন করে সেই স্থানে কাকে বসাতে হবে? আওয়ামী লীগের বাইরে কোন ব্যক্তির পক্ষে জাতীয় পছন্দ আছে বলে মনে হয় না। অনেকেই নিজেকে লাইম লাইটে আনতে চেষ্টা করেছেন। তথাপি আমার মনে হয় তারা অন্ধকারেই রয়ে গেছেন। নিজেকে সবার পছন্দ হতেই পারে তাতে লাভ নাই যদি জনগণ পছন্দ না করে। আমার নিজেকে অনেক যোগ্য মনে হয়। কিন্তু ইদানিং ব্লগে যে নমিনেশন চলছে তাতে আমার অবস্থা হতাশা জনক। আমাদের রাজনীতিবীদদের অবস্থা সেরকম। তাদের সবার অবস্থা গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল জাতীয়। সাংবাদিকরাও গত্যান্তর না পেয়ে তাদের কথা জনগণকে শুনায়। কিন্ত জনগণ তাদের কথা শুনে না। উল্টা জনগণ তাদের কথা না শুনে নাটক-ফাটক দেখে সময় কাটায়। যারা তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশ উদ্ধার করবে তাদের প্রতি জনগণের কোন মনোযোগই না থাকে তাহলে কেমন কি হয়?
আমাদের চাঁদগাজী অনেক বলেছেন ওমুকের মাথায় মগজ নেই, তমুকের মাথায় মগজ নেই। কিন্তু কার মাথায় যে মগজ আছে চাঁদগাজী সেটা বলছেন না। বললে তার মাথা ফাটিয়ে দেখা যেত তার মাথায় আসলে মগজ আছে কিনা। চাঁদগাজী সবাইকে তো বেকুব বলছে, কিন্তু কে চালাক সেটা বলছে না। তো সবাই যদি বেকুব হয় তবে অমুক বেকুব তমুক বেকুব এটা আর বলার দরকার কি? আর কেউ যদি চালাক হয়েই থাকে তবে সে লাইম লাইটে আসছে না কেন? তার বুদ্ধিইতো তার লাইম লাইটে আসার জন্য যথেষ্ট হতে পারতো।
তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা অনেকে ভাবে। কিন্তু তার পক্ষেও জনজোয়ার নেই। তার পক্ষে জনজোয়ার থাকলে সেই জোয়ারে আওয়ামী লীগ ভেসে যেত আর তিনি তাতে পেয়ে যেতেন ক্ষমতার নাগাল। বেগম জিয়াকে আর ক্ষমতার জ্বালাতনে ফেলার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। এখন ইবাদত-বন্দেগী করে তাঁর পরকাল হাসিলের সময় হয়েছে। শেখ হাসিনাও যদি পরকাল হাসিলের চিন্তা করে থাকেন তাহলে তিনি তাঁর পদ তাঁর পুত্রকে ছেড়ে দিতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


