somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাংসদ গণের আমৃত্যু সাংসদ থাকার বিধান করলে বহু টাকার সাশ্রয় হবে

২০ শে জুন, ২০২৩ বিকাল ৪:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত এবং উন্নয়ন অব্যাহত রাখার জন্য সাংসদগণকে ভোট ভিক্ষা করতে দেখা যায়। এর জন্য দায়ী প্রতি পাঁচ বছর পরপর জাতীয় সংসদের নির্বাচন হওয়া। দূর্জনেরা বলছে তিনি অসমাপ্ত খাওন সমাপ্ত করার জন্য ভোট চান। দুষ্ট লোকেরা বলে তিনি তিনি নিজ পকেটের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ভোট চান। কেউ কেউ তাঁর হাঁটে হাঁড়ি ভাঙ্গে। তাতে করে কেউ বলে থলের বিড়াল বেরিয়ে গেল। তারমানে তিনি থলে পেঁচিয়ে বিড়াল রাখলেন হাঁড়ির ভিতরে। দুষ্ট লোক সেই হাঁড়ি হাঁটে ভাঙ্গায় থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে। ভদ্রলোক সাংসদদের বিরুদ্ধে দুষ্ট লোকদেরকে এত্ত সুযোগ দেওয়ার দরকার কি? আমরা দেশটা স্বাধীন করেছিকি দুষ্ট লোকদের দুষ্টামির জন্য? সাংসদ কি জনগণের বাইরের কেউ? তাঁর পকেটের উন্নয়ন কি জনগণের উন্নয়ন নয়। একজন জনপ্রতিনিধির মা বললেন, টাকার বস্তার মুখ খুলে দিয়েছি। ভোটে জিতলে আবার টাকা কুড়িয়ে বস্তা ভরব। এসব মুরব্বী গণকে এত কষ্ট দেওয়ার কি দরকার? তারচে টাকা বস্তা ভরাই থাকুক। নতুন টাকা এলে তিনি আবার টাকা বস্তা ভরে রাখবেন। টাকা যদি বস্তা থেকে বেরিয়ে পড়ে তবে তো টাকায় ধুলা-বালি লাগবে। এদিকে লোকেরা রাতের ভোটের কথা বলে। রাত জেগে নেতা-কর্মীদের ভোট দেওয়ার কষ্ট কেন করতে হলো? এরজন্য তো পাঁচ বছর পর পর ভোট হওয়াই দায়ী। প্রথম বারই যদি আইন করা হতো পাঁচ বছর পর পর আর ভোট হবে না। ভোট হবে সাংসদ মারা গেলে। তাহলে দিনের ভোট রাতে করার দরকার হত কি?

সাংসদ মারা যাওয়ার পর ভোট হতে হতে বিরোধী দল যদি দেখে সরকারের আর সংখ্যা গরিষ্ঠতা সংসদে নাই তখন বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে অসনাস্তা প্রস্তাব আনবে। তখন সরকার পরিবর্তন হবে। কেউ হয়ত বলতে পারেন এমন অবস্থায় শত বছরেও সরকার বদলাবে না। তাতে কি হয়েছে? আব্বাসীয় সরকার তো সাড়ে সাতশত বছর সরকারে ছিলো তাতে কি কারো নুন পানি হয়েছে? আমি ইতিহাসের ছাত্র আমি এসব জানি। বিশ্বের বহু দেশে একেক দলের সরকার শতশত বছর ছিলো। এমন ঘটনা এ বঙ্গভূমিতেও ঘটেছে। এমন ঘটনা এ ভূ-ভারতেও ঘটেছে। দাসেরা, মোগলেরা, ইংরেজরা শত শত বছর ক্ষমতায় ছিলো। কই দাসেরা যে মনিবের মনিব হয়েছে তাতে কেউ তো কিছু বলেনি। বাপের পর পুত, তারপর নাতিপুতি মিলে চৌদ্দ পুরুষ রাজত্ব করেছে তাতেও কেউ কিছু বলেনি। আমি হয়ত সাংসদের আমৃত্যু সাংসদ থাকার কথা বলেছি, তাতে এমন দোষের কথা কি বলেছি? তাতেও হয়ত কেউ কেউ আমার লজিক নিয়ে কটাক্ষ করতে পারে। এদেশে আসলে উচিত কথার ভাত নেই।

সাংসদ আমৃত্যু স্বপদে বহাল থাকলে তো গণতন্ত্র বানের জলে ভেসে যাচ্ছে না। তাঁর মৃত্যূর পর তো সেখানে ভোট হচ্ছে। তাতেই তো সরকার ঠিক থাকছে। বঙ্গবন্ধু জাতির মঙ্গলের জন্য বাকশাল করতে চাইলেন। তাতে করে ভোট প্রেমিদের মনে চিনচিনে পিনপিনে ব্যাথা হলো।অবশেষে পথভ্রষ্ট লোকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বসলো। অত:পর জেনারেলরা গণভোট দিলেন। ভোট দাতাগণ তৃপ্তি সহকারে ভোট দিলেন। তারপর আরো বহু রকমের ভোট হলো। কিন্তু কিছুতেই ভোট দাতাগণকে খুশী রাখা যায় না। নির্বাচন কমিশন বলে নির্বাচন সুষ্ট হয়েছে, অথচ দুষ্ট লোকেরা বলে ভোট সুষ্ঠ হয় নাই। এত যোগ-অভিযোগ কত আর শুনা যায়। সেজন্য আর কি ভোট ব্যবস্থার একটুখানি সংস্কারের কথা বললাম।


সরকার বদলের ভোটে বহু সাইবোর্ড পরিবর্তন হতে দেখেছি। যে দেশে এমন কান্ড ঘটে সেদেশে সরকার বদলের দরকার আছে বলে মনে করি না।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০২৩ বিকাল ৪:৫৯
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমুদ

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

আমুদ
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

সে এক রাজ্যে রাজার রাজকন্যা
তাঁর রূপ, লাবণ্য, গড়নে মুগ্ধ!
সে বিকশিত গুণবতী
তাকে দেখে জাগে মনে প্রীতি!

তাঁর খুব রাগ কিন্তু মায়াবতী
তাকে দেখলে উদ্ভূত হয় প্রেম রাতারাতি।
সে উড়ে নীল আকাশে
আমি কাতর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি দাঁড়ানো সম্ভব নয়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৫


ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত যখন মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন , তখন তার চোখে রাগ ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত অভিমান। একটা মুসলিম দেশ, কোটি কোটি মুসলিম মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×