
সেই ২০০৯ সালে তিনি যে ক্ষমতার মসনদে বসলেন তারপর থেকে কেউ তাঁকে মসনদ থেকে ঠেলে ফেলতে পারেনি। যারা তাঁকে ঠেলে ফেলবে তাদের বড়টাকে তিনি বোতল বন্দ্বি করেছেন। তারপরের টা বিদেশে পালিয়ে গেছে। আর কতগওলো তো ঝুলেগেল ফাঁসির দড়িতে। তারপর যারা আছে তাদের ধাক্কায় তাঁর অটল মসনদ টলছে না। সুতরাং শতায়ূ হোন হে মাননীয়া।
পুত্র-পুত্রাধিক্রমে তাঁর রাজত্বের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দূর্বল প্রতিপক্ষ যতই কিচির মিচির করুক না কেন তাঁর দল সেটার থোড়াই কেয়ার করে। গণতন্ত্র এখন তাঁদের নিজেদের মাঝে সংঘটিত হচ্ছে। ভোটারদের মনে চাইলে তারা কেন্দ্রে যায়, নতুবা যায় না। বিরোধীদের এখন একমাত্র কাজ তাদের দলের লোকদেরকে বহিষ্কার করা। তাদের পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে।
জনগণের অবস্থার বিবরণ না দিলেও চলে। কারণ এখন যারা সরকারে আছে তারাই আসল জনগণ। তারা ভালো আছে। লোকেরা যাদেরকে জনগণ ভাবছে তারা সরকারে থাকা জনগণের গড় আয় কমানো ছাড়া মূলত কোন কাজে লাগে না।
দেশ এখন উন্নয়নের মড়াসড়কে আছে। এ সড়ক ধরে দেশ যে কোথায় যায় কে জানে? কেউ বলে সব ঠিক আছে, কেউ বলে সব ঠিক নাই। আমরা ওসব বিতর্কে যেতে চাই না। এসময়ে চুপ থাকা সবচেয়ে নিরাপদ।
অনেকেই সরকারের অনেক দোষ বলে। বিরোধীরা এমন চিরকাল বলে। ওসব শুনতে নেই। শুনতে হবে সরকারের গুণগান। তাতেই মন ভরতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০২৪ বিকাল ৫:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




