
ছোট জামাই জুলাই সনদে হ্যাঁ বলতে বলেছে। মেঝ জামাই না বলতে বলেছিল। বড় জামাইর মতামত জানা যায়নি।সরকার হ্যাঁ বলতে বলেছে। সজিব ওয়াজেদ জয় না বলতে বলেছে। গোলমালে মাথাটাই গোলায়ে গেল। তবে আমি হ্যাঁ এর পক্ষে। এরপর উভয় পক্ষে হাজারটা যুক্তি পাওয়া যাবে সে জন্যই ভোট। যাতে সংখ্যা গরিষ্ঠের মত গৃহিত হয়। এর নাম গণতন্ত্র। আব্বাসী বলে এটা হারাম। হালাল হলো খেলাফত। আব্বাসী খেলাফত কায়েম করুক। তারপর না হয় খেলাফতের কথা ভাবা যাবে। আপাতত বিবাদ মিমাংসায় ভোটের বিকল্প নাই।
আপা সুষ্ঠ নির্বাচন করেছেন। তারপর ইন্ডিয়া বেড়োতে গেছেন। ড. ইউনুস সুষ্ঠ নির্বাচন করে কোথায় যাবেন? যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন তাঁরা জনগণকে অনেক কিছু দেবেন বলছেন। কোন দিকে লাভ বেশী হিসাব মিলাতে পারছি না। আপা বলছেন আমার ক্ষমতা আমাকে ফিরিয়ে দাও। কে কাকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিবে? আপার লোকজন যারা ক্ষমতায় আছেন তাঁদেরকে তাড়া দিবেন। তারা তাড়া খেয়ে পালিয়ে যাবেন। তখন আপা এসে তাঁর ক্ষমতার নরম গদিতে বসে যাবেন। আপার লোকেরা রাস্তায় না নামলে আপা ক্ষমতা কেমন করে ফিরে পাবেন? কোন লোক কোন লোককে ক্ষমতা এমনি এমনি দেয় নাকি?
ব্লগে আপার লোকেরা অনেক কিছু লিখছেন। তাতে ব্লগারদের সাড়া মিলছে না। আমার মনে হয় জনতা এখন আপার বিশ্রাম চায়। তবে নতুন কেউ ক্ষমতায় আসুক। নতুনদের মধ্যে কারা বড় খাদক? তারা খেয়ে দেয়ে জনতার জন্য কিছু থাকবে কি? তখন কি জনতা তাদেরকে তাড়াতে রাস্তায় নামবে? তারপর তারা অন্য কোন নতুনের পিছনে ছুটবে?
জনগণের সেবার সুযোগ সবাই চায়। কোন পক্ষের সেবা উন্নত মানের। আপার দল বলছে আমরাই ভালো ছিলাম। নিজের ঢোল সবাই পিটায়। কার ঢোল পিটানি ভালো সেটা জনগণ দেখবে। ভোটের মাধ্যমে তারা তাদের মতামত জানাবে। এ ভোটটাই আপা ঠিকঠাক করেননি। এ বিষয়ে আপার অনেক বদনাম।
এমন পক্ষ চাই যারা জনতার সুনাম পাবে। এমন পক্ষ কোন পক্ষ? হিসাব মিলাতে না পেরে ভোটের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি। ভোট দিতে যেতে কমপক্ষে পাঁচ হাজার টাকা লাগতে পারে। পথ খরচ কম হলেও শ্বশুর বাড়ী যাওয়া, নিজের বাড়ি যাওয়া ও মেয়ের বাসায় উঠার খরচ অনেক। উপঢৌকন কম হলে লোকে মেয়েকে কথা শুনাবে। এ পৃথিবীতে সবাই কথা শুনায়। সব দিক বিবেচনায় মনে হয় মরে গেলে বাঁচি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



