অহৃদা চটুল ব্যক্তিত্বের ছিল
ওর আচরণ ছিল বিরক্তিকর মাত্রার চাইতে
কয়েক গুণ উপরে।
কত জনের মন সে পেতে চায় কিংবা
কত জনের মন সে যুগিয়ে চলতে চায়, সে-হিসাব হয়ত
সে নিজেও জানতো না।
'লালসূদন আমাকে ভালো বোঝে। হিমাদ্রিও অনেক অনেক বেশি বোঝে আমাকে' -
অবিরাম বলতো অহৃদা।
আরে ও ঢঙি মেয়ে, কে-কে তোমাকে বোঝে বা বোঝে না,
এ তল্লাটে তা খুঁজে বেড়ানো বা বলে বেড়ানো বড্ড আদিখ্যেতা
এখানে কেউ কাউকে বুঝতে আসে না
কেউ তোমাকে বুঝুক, সেটা যেমন অবান্তর বায়না
কাউকে বুঝতে চাওয়াটাও অমূলক ভাবনা
ওর যন্ত্রণায় অতীষ্ঠ হলো আবালবৃদ্ধবণিতারা
কতজনে তারা জানালো নালিশ
কিন্তু কেউ ওর ঢং দেখানো ঝুঁটির একটা চুলও ছিঁড়তে পারলো না।
একদিন খুব আহ্লাদ করে জানালো- আমাকে নাকি সে ভালোবাসে।
আমি এম্নিতেই রেগে ছিলাম এবং আরো রেগে গিয়ে
ঠোঁট উলটে বললাম, সোনার চাঁদনি পিতলা মেয়ে, তুমি আমাকেও ভালোবাসো?
তারপর মনের সব ঝাল মিটিয়ে ভর্ৎসনা করলাম তাকে।
অহৃদার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া হলো হলো না, আমার দিকে
স্বভাবতই অপলক তাকিয়ে থাকলো।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কোথায় হলো জানেন? জনৈকা
কূটলিচেরি আমার সাথে কথা বলাই বন্ধ করে দিল।
কীজন্য, কেউ কি বলতে পারেন?
এভাবে কতদিন চলে গেছে জানি না
এই সেদিন সেই কূটলিচেরি এসে একটা নির্বিষ প্রশ্ন করলো-
কেমন আছেন?
অহৃদার সাথে হৃদয়ঘটিত কোনো ব্যাপারস্যাপার না ঘটলেও
আমাদের দিনযাপন ছিল আগের মতোই।
কূটলিচেরি এমন কেন করেছিল, কেউ কি বলতে পারেন?
৩১ মে ২০২৪
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



