somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জনসংখ্যা বেশি নিয়েই দেশ অনেক এগিয়ে যাবে

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের দেশেই এখন নতুন নতুন অনেক কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে।ডিজিটাল ইলাস্ট্রেশন অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে আকাঁআকিঁ একটি পেশা।আবার আছে অ্যানিমেশন।আছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।কার্টুনিস্ট,ভিজুয়াল ইফেক্ট, গেইম ডেভেলপমেন্ট, থ্রিডি মোশন গ্রাফিক্স,ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এ পেশাগুলো অনেকের কাছেই নতুন বলে মনে হবে।আমাদের দেশে আরও কিছু কর্মক্ষেত্র রয়েছে আগ থেকেই।সাংবাদিক,ডেটা এন্ট্রি অপারেটর,সংবাদ পাঠক, ফটোগ্রাফার,ভিডিও এডিটর,ক্যামেরামেন ইত্যাদি বিভিন্ন রকম পেশায় পেশাজীবি হিসাবে কাজ করছে অনেকেই। আরও কিছু পেশার কথা বলতে পারি।মার্কটিং, প্রুফ রিডার,দরজি, হিসাব রক্ষক, স্টোর কিপার,ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার,কমপিউটার অপারেটর ইত্যাদি। এখানেই শেষ না করি।অফিস মনিটরিং ও কিন্তু একটি পেশা।ফটো এডিটিং একটি পেশা।ডিজিটাল মার্কটিং আরও একটি পেশা।ভাবলে এমন আরও কিছু পেশার কথা মনে আসবে।আমি যেটা বলতে চাচ্ছিলাম সে কথাটাই এখন বলি। লক্ষ্য করবেন উপরোক্ত প্রত্যেকটি পেশার সঙ্গে নিজেকে জড়িত করতে কিন্তু অনেকের মাঝেই একঘেয়িমি আসবে না এবং আসেও না।কারণ উপরোক্ত পেশাগুলোর যে কোনো একটিতে নিজেকে পেশাজীবি হিসাবে দেখতে চাইলে আপনি একঘেয়েমি পড়াশোনার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। উপরোক্ত বিষয়গুলোতেও কিন্তু পড়াশোনা করতে হয়। কিন্তু এ পড়াশোনাটা হয় শতকরা ৯০ ভাগই হাতে কলমে। একটি দেশের প্রত্যেক ছেলে মেয়েকেই যে হয় বিজ্ঞানে দক্ষ হতে হবে কিংবা বিজনেস অ্যাডমিনিষ্ট্রেশনে দক্ষ হতে হবে এমনতো কোনো কথা নেই।আবার প্রফেসর কিংবা অধ্যাপক হতে হবে এমনো তো কথা নেই।আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোন কোন বিষয়গুলোতে আমাদের ছেলে মেয়েদের আগ্রহ রয়েছে।যে বিষয়ে যার আগ্রহ রয়েছে সে বিষয়ের উপরই তাকে শিক্ষা প্রদান করাই কি শ্রেয় নয়?বাজার চাহিদাকে গুরত্ব দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সাজানো কি খুব কঠিন বা অবিবেচকের কাজ হবে? এ বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে পঞ্চম কিংবা ষষ্ঠ শ্রেণীর পর পরই যদি ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার বিষয়কে সাজানো হয় তাহলে কি খুব মন্দ বা অস্বাভাবিক দেখাবে? আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বিষয়টি আসলো। তাই তুলে ধরলাম ব্লগের মাধ্যমে।আপনারা আপনাদের মতামত জানান। এতে যদি সমস্যা হয় তাও জানান।আসলে কি, আমাদের দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। তাই এ জনসংখ্যা দেশের বোঝা নয় দেশের সম্পদ হিসাবে কিভাবে ব্যবহৃত হবে সে বিষয়কেই আমাদের প্রাধান্য দিতে হবে।তাহলেই দেশে বৈষম্যতা দূর হবে। দেশের সামগ্রিক উন্নতি হবে।জনসংখ্যা বেশি নিয়েই দেশ অনেক এগিয়ে যাবে

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নারীর ক্ষমতায়নের নামে বাঙালিকে স্রেফ টুপি পরানো হয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৩


বাংলাদেশে চেয়ার একটি আধ্যাত্মিক বস্তু। শুধু বসার জন্য নয়, এটি পরিচয়ের প্রমাণ, অস্তিত্বের স্বীকৃতি, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবনের চূড়ান্ত অর্জন। গাড়ি থাকুক না থাকুক, বেতন আসুক না আসুক,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইন, রাজনীতি ও বাস্তবতা: নিষিদ্ধ করলেই কি সমাধান?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৩২

আইন, রাজনীতি ও বাস্তবতা: নিষিদ্ধ করলেই কি সমাধান?


গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একটি মৌলিক নীতি হলো- অভিযোগ থাকলে তার বিচার হবে আদালতে, প্রমাণের ভিত্তিতে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কোনো রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×