Click This Link
*ওহুদের যুদ্ধে যখন মুসলিম বাহিনী বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় তখন শত্রুপ রাসুল (সা
*ওহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের মনোবল ভেঙ্গে ফেলার জন্য একটি গুজব ছড়ানো হলো যে রাসূল (সা
পথিমধ্যে অপর এক ব্যক্তি সংবাদ দিলেন যে, তুমি কি জানো যুদ্ধে তোমার পিতা শাহাদৎ বরণ করেছেন..... তিনি আবরও জানতে চাইলেন আগে বলো আমার রাসূলের খবর কি???
এ বলে দ্রুত যুদ্ধের ময়দানে পৌছলেন এবং রাসূল সো
অর্থাৎ স্বামী, সন্তান ও পিতা হারানোর বেদনা রাসূলকে দেখে হালকা হয়ে গেলো। তিনি রাসূল (সা
আর এধরনের নজির কিন্তু অনেক রয়েছে ইতিহাসের পাতায়...
রাসূল (সা
তাই আসুন সবাই মিলে রাসূলকে ভালোবেসে, রাসূলের আদর্শকে ভালোবেসে প্রকৃত মুমিন রুপে সুন্দর ও সূখী জীবন গড়ে তুলি এবং সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
তবে এ কথা আমাদের অবশ্যই স্বরন রাখতে হবে যে, সন্তানকে তার পিতা-মাতার প্রতি এবং পিতা-মাতাকে তার সন্তানের প্রতি , স্বামীকে তার স্ত্রীর প্রতি এবং স্ত্রীকে তার স্বামীর প্রতি যেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য এর কথা কোরআন ও নবী করীম (সা
রাসূল (সা
আরো বলেন "তারাই( পিতামাতা) তোমার বেহশত ও দোযখ" (ইবনে মাজাহ)
আর সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্যের কথা বলতে গেলে ....
হাদিস শরীফে বর্নিত আছে , সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পরই পিতামাতার উপর তাদের চারটি হক আসিয়া দাড়ায়"
আর সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে তা আরো বৃদ্ধি পায়।
আবার স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্যের কথা বলতে গিয়ে..... হজরত (দ
তিনি আরো বলেন "যখন স্বামী আপন বিবিকে ডাকিবে তখনই আসিয়া হাজির হইতে হইবে, যদিও সে স্ত্রী তন্দুরের( দুধ জাল দেওয়ার কাজে নিবিষ্ট) উপর থাকে ।"
স্ত্রীর উপর স্বামীর যেমন কতগুলো হক আছে তেমনি স্বামীর উপরও স্ত্রীর কতগুলো হক আছে....এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেছেন " ( হে মুসলমানগন) তোমরা নিজ বিবিদের সহিত সদাচার ও সদ্ব্যবহারে জীবন যাবন কর "
এ সম্পর্কে রাসূল (সা
( বোখারী, মোছলেম)
(শেষ)
( আমি এ লেখাটি লিখতে অনুপ্রানিত হয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের লেকচারার এর লেকচার শুনে।একটি অনুষ্টানে তিনি এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি পেশ করেন।উনার নামটা মনে না আসাতে বলতে পারলাম না ।এ লেখাটি উনাকে উৎসর্গ করলাম)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


