somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দীপ নিভার গল্প

১৩ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.
২০০৮ সালের কথা । কাজিনের বার্থডে পার্টীতে গেছি । অনেকগুলো কাজিন এক সাথে হলে যা হয় । হাসি,ঠাট্টা ,গল্প গুজব চলছে । অঙ্কন,ঐশ্বর্য,আমি জমিয়ে আড্ডা মারছি ।
আরও কিছু পিচ্চি কাজিন আমাদের আড্ডাই নাক গলাচ্ছে । ছোটোদের পাত্তা না দিলেও তারা কেন যেন বড়দের আশেপাশে ঘুর ঘুর করে ।
রোমান্স ভাইয়া ওদিকে বড়দের সাথে বসে আছে । অঙ্কন তো বলেয় বসলো "এখন তো রোমান্স ভাইয়ার ভাব বেড়ে গেছে । আমাদের সাথে থাকেই না । সিনিয়ারিটি দেখায় । " আসলেই ভাইয়া অনেক বদলে গেছিল । অনেক ম্যাচিউরিটি এসে গেছে ভাইয়ার মধ্যে ।
আমাদের মতো পুলাপাইন টাইপ আচরণ এখন আর ও করেনা । জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব । আমি অঙ্কনকে বললাম "আরে বাদ দে ওর কথা । ভাইয়া আর কদিন পর ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যাবে আমাদের
সাথে বসে বসে গেম খেলার বা আড্ডা মারার টাইম কি তার আছে ।" আমরা আমাদের মতো আড্ডা মারতে থাকলাম ।
একটু পরে ডিনারের ডাক পড়ল । ডিনার শেষে বসে আছি । এইবার রোমান্স ভাইয়া আমাদের সাথে যোগ দিল । এসেই আমাকে জিজ্ঞেস করল পড়ালেখার খবর কি ? ফিজিক্স,ম্যাথ কোন স্যারের কাছে পড়ছি ? এসব প্রশ্ন ।
এরপর নানা উপদেশ দিল । পুরাই বড় ভাই সুলভ আচারণ ।
ওহ ! আগে রোমান্স ভাইয়া সম্পর্কে একটু বলে নেই । ও আমার ফুপাতো ভাই ।
রোমান্স ভাইয়ার মতো ভদ্র আর ইন্টিলিজেন্ট ছেলে আমি কমই দেখেছি । ভাইয়া অনেক স্মার্ট । চেহেরা
রাজপুত্রের মতো । মেধাবী ছাত্র । ক্লাস এইটে বৃত্তি পেয়েছিল । এস.এস.সিতে ভালো রেজাল্ট । নটরডেমে পড়েছে । আর এখন এম.আই.এস.টিতে(মিলিটিরি ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলোজি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে ।
আজকের নম্র ভদ্র রোমান্স ভাইয়া আগে কিন্তু এমন ছিলনা । উফ্‌ফ্‌ !!! কি ভয়ানক দুষ্টুই না ছিল ভাইয়া । যখনি আমরা একসাথে হতাম ও আমাদেরকে ছোট পেয়ে বোকা বানাতো ।
একবার ও আমাকে বলল "এসো তোমার গায়ে ড্রিয়িং করে দেই ।" ও খুব ভালো আর্ট করতো আমি ভাবলাম ভালই তো দেখি কি আকায় ও । তখন ও আমার পেটে বিশাল একটা সেলাই এর চিত্র একে দিল ।
দেখে মনে হবে অ্যাপেন্ডিক্স এর অপারেশন হয়েছে আমার । মনোপোলি খেলতে গেলে তো কোনদিন জিততে পারতামনা । ও এতো বেশি চিটিং করতো জিতবো কিভাবে ? নতুন নতুন নিয়ম বানাত খেলার । ছোটতে ও অনেক বেশি চঞ্চল ছিল । বাসার সব জিনিস চুপ করে রাস্তায় ফেলে দিত । কে বলবে আজকের এই রোমান্স কি দুর্দান্তই না ছিল ।

২.
সেদিন ছিল ২০০৯ সালের ৯ জুলাই । এইচ.এস.সি এক্সাম শেষ হয়ে গেছে । তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রিপারেশন নিচ্ছি । এই দিনটা এবং এর পরের দুটো দিন যে আমার জীবনের সবচেয়ে
স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে সেদিন সকালেও তা জানতাম না । সেদিন সকাল ছিল অন্যান্য দিনের মতই সাধারণ । সকালের নাস্তা খেতে বসেছি এমন সময় দুঃসংবাদ এল দিদিমা মারা গেছেন ।
আমি আমার আপন দিদিমাকে দেখিনি । আমার বাবার বিয়ের আগেই তিনি মারা গেছিলেন । আমার দাদুও আমি যখন ছোট তখন মারা গেছেন । এই দিদিমা আমার দাদুর ছোট বোন ।
দাদুর ভাই বোনদের মধ্যে তিনিই শুধু বেঁচে ছিলেন । দিদিমা কে আমরা সব কাজিনরা নিজের দিদিমাই মনে করি । তিনি আমাদেরকে ভীষণ ভালোবাসতেন ।
মনে হলো আমি একটা নিরাপদ আশ্রয় হারিয়ে ফেললাম । আমাদের সব আত্মীয় স্বজন আসলো বিভিন্ন জায়গা থেকে ।
রোমান্স ভাইয়া তখন নতুন চাকরিতে জয়েন করেছে ডানা গ্রুপে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে । তারপরেও দিদিমা বলে কথা ।
ও ছুটি নিয়ে ঢাকা থেকে চলে এসেছে দিদিমাকে শেষ বারের মতো দেখার জন্য ।
যাই হোক,আমাদের বাসার সামনে একটা ঈদগাহ আছে । জানাজার আগে সেখানে দিদিমার লাশ রাখা হলো ।
আমি আর রোমান্স ভাইয়া সেখানে দাড়িয়ে ছিলাম । আমার মনের অবস্থা যথেষ্ট খারাপ । ওরও অবস্থা যে আমার মতো তা আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম । তাই আমি আর ওকে জিজ্ঞেস করলাম না ওর চাকরি কেমন চলছে বা অন্যান্য সাধারণ কথা । আমরা শুধুই চুপচাপ দাড়িয়ে ছিলাম । জানাজা শেষে দিদিমাকে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হলো । বেশ খানিক পথ রোমান্স ভাইয়া কাঁধে নিলো ।
এরপর আমিও কাঁধে নিলাম । দিদিমার দাফন সম্পন্ন করে ভারাক্রান্ত মনে বাসায় ফিরে এলাম ।
আজকের এই লেখাটা এই পর্যন্ত এসে থেমে গেলেই ভালো হতো কারণ এখানেই ঘটনার শেষ না ।
আর একটি মর্মান্তিক ঘটনা,না ভুল বললাম দুর্ঘটনার শুরু । রোমান্স ভাইয়া,ফুফা,ফুফু আর চাচা,চাচি ঢাকা থেকে মাইক্রো ভাড়া করে রাজশাহী এসেছিল । ওর যেহেতু নতুন চাকরি তাই
ওর যাওয়া জরুরি হয়ে পড়ে তাই রোমান্স ভাইয়া পর দিনই চাচা চাচির সাথে রওনা দেয় । আমার চাচা চাচি তারমানে ওর মামা মামী । আর ফুফা ফুফু রাজশাহীতে থেকে যান ।
ওরা তিনজন রাজশাহী থেকে ঢাকা যাবার পথে হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে গাড়ি থামিয়ে খাওয়া দাওয়া সারে । এরপর রওনা দিলে যমুনা সেতু পেরিয়েই ঘটে সেই দুর্ঘটনা । মাইক্রো টাঙ্গইল পৌঁছালে সেখানে
একটি দ্রুতগামী বাস ওভারটেক করার সময় মাইক্রোকে ধাক্কা দেয় । মাইক্রো গিয়ে পড়ে রাস্তার পাশের খাঁদে । সবাই গাড়ি থেকে ছিটকে বাইরে পড়ে । চাচা,চাচি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন ।
তাদের যখন জ্ঞান ফিরে তখন কিছু মানুষ জড়ো হয়েছিল । চাচা দ্রুত রোমান্স ভাইয়ার কাছে গিয়ে দেখেন তার জ্ঞান নেই । তিনি তাকে চেড়ে নিয়ে রাস্তায় আসেন । ওদিকে চাচি পা ভেঙে পড়ে আছেন ।
এরকম বিভষিকাময় পরিস্থিতি আসলে আমার পক্ষে বর্ণনা করা সম্ভব নয় । তবুও চেষ্টা করে দেখলাম ।
এরপর ওখানকার কিছু লোকজনের সাহায্যে তারা তিন জন হাসপাতালে পৌছায় ।
কিন্তু ততোক্ষনে অনেক দেরি হয়ে গেছে । রোমান্স ভাইয়াকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি । চাচির পায়ের গোড়ালির নিচে ভেঙে কুচি হয়ে গেছিল । চাচার কলার বোন ভেঙে গেছে ।
আমারা খবর পেলাম বিকালের দিকে । তবে স্পষ্ট খবর না ।
আমরা জানতে পারলাম এক্সিডেন্ট হয়েছে কিন্তু কারো কিছু হয়েছে কিনা সেটা জানা যাচ্ছিলোনা । রাজশাহী থেকে আমার বড়চাচা সহ আরও কয়েক জন রওনা দেন টাঙ্গাইল ।
সন্ধ্যার সময় আমি জানতে পারি রোমান্স ভাইয়া মারা গেছে । কিন্তু আমি কথাটা বিশ্বাস করতে পারছিলামনা । মৃত্যু কথাটার মানে আমি সেই মুহূর্তে ঠিক ধরতে পারছিলাম না ।
কেন যেন সেই সময় আমি কাঁদতে ভুলে গেছিলাম । বাসায় মেয়েদের কেউই জানত না ব্যাপারটা । ফুফা ফুফুর একমাত্র সন্তান ছিল রোমান্স ভাইয়া । আমরা ঠিক করলাম তাদেরকে এখন জানানো যাবে না । জানালে হয়তো তাদেরও কিছু হয়ে যাবে । আমি তাদের রুমে যেতেই আমাকে ফুফু জিজ্ঞেস করল "অঞ্জন কেউ কিছু বলছেনা আমাকে । তুইই বল রোমান্সের কি হয়েছে ?
আমার বাবুর কি হয়েছে ? " আমি এতক্ষণ কাঁদছিলামনা । আসলে আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না কি হচ্ছে । ফুফুর এই প্রশ্নে আমি ঝরঝর করে কেঁদে ফেললাম যদিও আমাকে ফুফুর সামনে
কাঁদতে মানা করা হয়েছিল । আমি কাঁদতে কাঁদতেই বললাম "কিছু হয়নি । রোমান্স ভাইয়ার কিছু হয়নি ।"
ফুফু আর্তনাদ করে বলে উঠলো " তাহলে তুই কাঁদছিস কেন ? " আমার কাছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর ছিলনা । একজন মাকে তার একমাত্র সন্তানের মৃত্যু সংবাদ দেওয়া মনে হয় পৃথিবীর সব চেয়ে কঠিন কাজ । আমি যথেষ্ট শক্ত মনের মানুষ তবুও আমি এই কঠিণ কাজটা করতে পারলাম না ।
রোমান্স ভাইয়ার লাশ বাসাই আসলো রাত সাড়ে তিনটার দিকে । আমরা কেউ চোখের পাতা এক করিনি । শুধু কেঁদেই গেছি । রোমান্স ভাইয়ার কাছে গেলাম দেখে মনে হয়না সে
এক্সিডেন্টে মারা গেছে । আমার মনে হলো সে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে । আঘাতের তেমন কোন চিন্হ নেই ওর শরীরে । আমার এক ফুফু গ্রীসে থাকেন । তিনি বললেন তিনি না আসা পর্যন্ত যেন মাটি না দেওয়া হয় । দিদিমা মারা গেছেন
তাকে তিনি দেখতে পাননি এরপর ভাইয়া । আমারা তাই কফিনে বরফ দিয়ে ভাইয়ার লাশ রেখে দিলাম ।
আমার ফুফুর জ্ঞান ছিল না । এতো বড় শক তিনি সহ্য করতে পারছিলেন না ।
ফুফা পাগলের মতো করছিলেন । মোট কথায় সে এক দুঃসহ পরিবেশ । এদিকে আমার চাচার প্রেশার হাই হয়ে গেছে । আমি রিলেক্সিন কিনতে গেলাম ওষুধের দোকানে । তারা বলে এই ওষুধ নাই ।
যে দোকানে যাই সেখানেই একি কথা । পরে বুঝলাম ব্যাপারটা কি । এই দুইদিন আমি একটুও ঘুমাইনি । আমার উপর দিয়ে যে চাপ গেছে তাতে যে আসল ঘটনা জানেনা সে দেখেই বলবে আমি
ড্রাগ এডিক্ট ।
যাই হোক রিলাক্সিন না পেয়ে সেডিল নিয়ে গেলাম ।
রোমান্স ভাইয়া কে দিদিমার পাশেই কবর দেওয়া হয়েছিল ।
জাফর ইকবাল তার রঙ্গিন চশমা বইয়ে একটি কথা লিখেছিলেন । আমারও আজ সে কথাটি লিখতে ইচ্ছে করছে " হঠাৎ মনে হল আমার বয়স বুঝি অনেক বেড়ে গেছে " ।

৩.
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছি । তাই এখন ঢাকাই থাকি । একদিন আম্মুর সাথে ফুফুর বাসায় গেলাম তাদের দেখতে । তারা সারাদিন কান্নাকাটি করেন । পুরা বাসা জুড়ে রোমান্স ভাইয়ার ছবি । তাদের একমাত্র সন্তানের স্মৃতি তারা ভুলবে কিভাবে ।
ফুফু রোমান্স ভাইয়ার কিছু বই আমাকে দিলেন । তার ফটো এ্যালবাম দিলেন । একটা ছবি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল
একটি জ্বলন্ত মোমবাতি তার সামনে খোলা ডায়রি, ডেয়ারির ওপর চশমা । ডেয়ারিতে লিখাছিল " সত্য সুন্দর । কিন্তু একটি অসুন্দর সত্যও আছে আর তা হলো মৃত্যু ।"
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×