আমাদের দেশ অতিথি পরায়ন, তা বহু পূর্ব থেকে দেখে এসছি, জানি এবং গরীবদের বাড়ীতে পদার্পন করলে তারাও চেষ্টা করেন যতটুকু পারেন অতিথি সমাদর করতে। আমি নিজেও চিনির শরবত দিয়ে এ ভাবে সমাদৃত হয়েছিলাম।
সাম্প্রতিক বিদেশী হত্যা আমাদের সেই সমাদর প্রথা তথা অতিথি পরায়নতা সংস্কৃতিকে কিছুটা কালিমা এঁকে দিয়েছে।
বর্তমান পশ্চিমা সভ্যতা তৃতীয় বিশ্বের দেশ তাও যদি মুসলিম প্রধান হয়ে থাকে, তা হলে তো এই ধরনের ঘটনাকে মুখরোচক তথা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করনের সংবাদ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করবে। এটা বর্তমান পরিপ্রক্ষিতে অত্যন্ত স্বাভাবিক।
সে জন্যে কিছু কিছু সময়ে মিডিয়ার কাছে বিশেষ করে বিদেশী মিডিয়ার নিকট বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে ধরে রাখার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি অবশ্যই ব্যবহার করবেন।
সম্প্রতি থাইল্যান্ড এ এক বয়স্ক পর্যটক যুগল কাদা পানিতে আটকে গেছিলেন, সমুদ্র তীরবর্তি স্থানীয় এক লোক তাদের কাদাপানি থেকে উদ্ধার করে, তার ভিডিও সোশাল মিডিয়া "ভাইরাল" হয়ে গেছে, মানে ভাইরাসের মত ছড়িয়ে গেছে, তার লিংক নিচে দিলাম। স্পীড ভাল থাকলে দেখে নিয়েন।
https://youtu.be/gRYd-jMYi5Y
২০০৮ সালের জানুয়ারী কি ফেব্রুয়ারী তে আমি নিজেও একবার বেকার্সফিল্ড, ক্যলিফোর্নিয়ায় কাজ করার সময়ে দপ্তর থেকে সতর্ক বানী শুনেছিলাম। শহরের কোন এক এলাকায় গ্যংস্টারদের শুটিং হচ্ছে। তারা যদি তোমার গাড়ি লক্ষ করে গুলি করে, তা হলে গাড়িতে উঠে সোজা পুলিশ স্টেশনে গাড়িটি চালিয়ে চলে আসবে এবং ওখানেই থাকবে। গোলাগুলি পর্যবেক্ষন করার কোন দরকার নেই।
এই বিশেষ দাপ্তরিক সতর্কবানীর জন্য আমি কখনও মিডিয়াকে বলিনি যে ব্যকার্সফিল্ড কাজ করার জন্য সংকটময় বা নিরাপত্তাহীন এলাকা। যেটা পশ্চিমা বিশ্ব বা মিডিয়া আামাদের দেশ সন্মন্ধে অহরহ চেষ্টা করে যাচ্ছে।
প্রত্যেকটি দেশেই কিছু না কিছু অনিরাপদ শহর বা এলাকা আছে। তাও আবার সেটা হয়ে থাকে সাময়িকভাবে(যদি যুদ্ধাবস্থা না থাকে)।
যা হোক, যারা এনজিওতে কাজ করেন, তাদের নিকট এরকম সুযোগ অনেক। বিদেশীদের অল্প একটু সাহায্য করলেও তা ইউটিউব জাতিয় সোশাল মিডিয়া উঠিয়ে দিতে কার্পন্য করবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




