somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাশিয়ার জটিল ইতিহাস

১২ ই মার্চ, ২০২২ বিকাল ৫:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



রাশিয়ার ইতিহাস আমার কাছে সব সময় জটিল মনে হয়েছে। কেন রাশিয়ায় ১৯১৭খঃ সালে বিভিন্ন দল ছিল; কার উদ্দেশ্য কি ছিল; কিছু পড়েছি কিন্তু কিন্তু দল গুলোর উদ্দেশ্য বুঝতে পারিনি; এখন তো আরও পারি না (কি উদ্দেশ্য নিয়ে জনাব পুটিন উক্রেইনে গেল)

তবু ও রাশিয়ার কিছু কিছু ইতিহাস অনুবাদ করে এখানে দিচ্ছিঃ-

১। রক্তাক্ত রবিবার এবং ১৯০৫খৃঃ সালের বিপ্লব

রবিবার, জানুয়ারী ৯, ১৯০৫ সাল, পুরোহিত জর্জ গ্যাপন সেন্ট পিটার্সবার্গে শীতকালীন প্রাসাদের বাইরে জার নিকোলাস "দ্বিতীয়" এর কাছে একটি পিটিশন পেশ করার জন্য শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে একটি জনতার নেতৃত্ব দেন। তারা চেয়েছিল জার খাদ্য ও কাজের ঘাটতি নিয়ে এই সরকার কিছু করুক। কিন্তু শন্তিপূর্ণ (বলা হয়) প্রতিবাদটি রক্তপাতের মধ্যে শেষ হয় যখন জার সৈন্যরা জনতার উপর গুলি চালায়। এটি রাশিয়ার চারপাশে একের পর এক ধর্মঘট ও দাঙ্গা আরম্ভ করে যার ফলে ১৯০৫ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার প্রধান শহরগুলিতে "সোভিয়েত" গঠন করা হয়; এই "সোভিয়েট" এর অর্থ "কাউন্সিল" বা "পরিষদ"। এর নেতৃত্বে ছিলেন শ্রমিকরা, বিপ্লবী নেতাদের দ্বারা সমর্থিত যারা প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল ১৯১৭খৃঃ সালের বিপ্লবে।

২। ডুমা

সের্গেই উইট, জার এর অন্যতম উপদেষ্টা, একটি সাংবিধানিক সরকারের জন্য একটি প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছিলেন, যা অক্টোবর ইশতেহার নামে পরিচিত, যা জার গোষ্ঠী অনিচ্ছা থাকতেও স্বাক্ষর করেছিলেন। এই সরকার, বা ডুমা, নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত তবে
কাউন্সিল দ্বারা পরিচালিত হবে এবং যার গোষ্ঠীর কাছে শুধু প্রতিবেদন জমা দেবে।
শুধুমাত্র রাশিয়ান পুরুষদের ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। যার অক্টোবরের ইশতেহারের শর্তের বিরুদ্ধে গিয়ে দুবার ডুমাকে বরখাস্ত করেছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে চারটি ডুমাস মিলিত হয়েছিল। যদিও রাশিয়ার তখন একটি সাংবিধানিক সরকার ছিল, যার এর স্বৈরাচার এটিকে গণতান্ত্রিক হতে বাধা দেয়। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় রাশিয়ার ক্ষতি ১৯১৭ সালের বিপ্লব এবং রাশিয়ায় স্বৈরাচারী সরকারের অবসান ঘটায়।


(চলবে .. . .)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০২২ বিকাল ৫:১১
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রোজার ২৪ আধুনিক মাসআলা, যেগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন সকলেরই - রিপোস্ট

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

রোজার ২৪ আধুনিক মাসআলা, যেগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন সকলেরই - রিপোস্ট

ছবিঃ অন্তর্জাল।

পবিত্র মাহে রমজান খুবই নিকটবর্তী। আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা'বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান। হে আল্লাহ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামায়াতের আমিরের একাউন্ট হ্যাক আওয়ামী লীগের হ্যাকাররা করে থাকতে পারেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৮



নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি। গত বছর, লন্ডন থেকে আমার এক আত্মীয় হঠাত একদিন আমাকে জানান যে, 'গ্রামের রাজনীতি' নামক এক ফেসবুক পেইজে আমার উপরের ছবি দেওয়া হয়েছে। আমি হতবাক!... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একটি জোনাক প্রহর দেবে আমায়=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৮


গাঁয়ের বাড়ি মধ্যরাতে
জোনাক নাকি বেড়ায় উড়ে,
ঝিঁঝি নাকি নাকি সুরে
ডাকে দূরে বহুদূরে?

মধ্যরাতের নীল আকাশে
জ্বলে নাকি চাঁদের আলো!
রাতে নাকি নিরিবিলি
বসে থাকলে লাগে ভালো?

শিয়াল ডাকে হুক্কা হুয়া;
কুকুর ডাকে একা ঘেউ ঘেউ;
মধ্যরাতে গাঁয়ে নাকি
ঘুমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তানের বির্যে জন্ম নেয়া জারজরা ধর্মের ভিত্তিতে, বিভাজিত করতে চায় বাংলাদেশের নাগরিকদের ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৯



বাংলাদেশী ধর্মান্ধ মুসলমান,
বাঙালি পরিচয় তোমার কাছে অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য।
তুমি কি দেশে দেশে Ehtnic Cleansing এর ইতিহাস জানো? জাতিগত নিধন কী বোঝো?
বাঙালি জাতি নিধনের রক্ত-দাগ প্রজন্ম থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উৎসর্গ: ব্লগার রাজিব নূর এবং মহাজাগতিক চিন্তা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৩৬


ঢাকার শীতের সকালটা একটু ঘোলাটে ছিল। রাজিব নূর ট্রেনে চড়ে বগুড়া যাচ্ছিল। হাতে একটা পত্রিকা, মাথায় অন্য কিছু। ট্রেনের জানালা দিয়ে মাঠ, গ্রাম, আর ধোঁয়াটে আকাশ পেরিয়ে যাচ্ছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×