somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হারেমািন

১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হারমোনি-৩

বাবা বিদেশ থেকে পিএইচ, ডি করে দেশে ফেরার পর আমি বিদ্যাময়ী স্কুলের হোস্টেল থেকে চলে এলাম আমাদের বা ক বি ক্যাম্পাসের র বাসায়। এখানে এসে প্রতিবেশী হিসেবে পেলাম আমার ই ভবিষ্যৎ শিক্ষক প্রফেসর ডঃ সোমেন দেওয়ান স্যারের পরিবারকে। উনারা থাকতেন একই দালানের দো-তলায় আর আমরা নীচ-তলার বাসায়। উনাদের ছাড়াও নিকট প্রতিবাশী হিসেবে পেয়েছিলাম উনাদেরই নিকটাত্মীয় আমার বাবার একজন শিক্ষক প্রফেসর ডঃ মানিকলাল দেওয়ান নানার পরিবারকে। মানিকলাল নানা দেখা হলেই হা হা করে হাসি দিয়ে উচ্চস্বরে ডাকতেন- “ওই শহীদের বেটি (আমার বাবার ডাকনাম শহীদ)” অথবা “মাৎস্য রাণী” বলে । আমার চোখে এই দু-জন সত্যিকারের “পাহাড়ী যোদ্ধা”, কারন তাঁরা দু-জনেই দুর্গম পাহাড়ী প্রতিকূলতাকে জয় করে চাকমা সমাজ থেকে উঠে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছেন, হাজার হাজার ছাত্রকে শিক্ষা দিয়ে দেশকে শিক্ষিত নাগরিক উপহার দিয়েছেন। আজ এ সু্যোগে সত্যিকারের দুই “পাহাড়ী যোদ্ধা”কে নমস্কার জানাই ।
দেখতে দেখতে সময়ের সাথে সাথে সোমেন স্যারের বাসা আর আমাদের বাসা কখন যে এক বাসা হয়ে গেল, আমাদের পরিবার আর সোমেন স্যারের পরিবার যে কখন এক পরিবার হয়ে গেল - আমরা টেরও পাইনি । সোমেন স্যারের বড় মেয়ে হোলি আর তার বন্ধুরা ছিল ক্যাম্পাসে আমারই ক্লাশের একঝাঁক পাখির (!) মতো। তো এই হোলি, প্রাক্তন ভি সি মুহাম্মদ হুসেইন স্যার এর মেয়ে নবেলী, আমার বাবার শিক্ষক/ অন্য সহকর্মীদের মেয়ে – নাজ, জুলিয়া, মিলি, সুমী, সাথী, নীলা এমনি মিষ্টি মিষ্টি নামের দুষ্টু পাখির (!) ঝাঁকে ঢুকে পরতে আমার বেশী সময় লাগেনি। এই এক ঝাঁক দুষ্টু পাখির (!) মধ্যে শুধু নাজ আর আমি পড়তাম বিদ্যাময়ী স্কুলে। নাজের মা ছিলেন বিদ্যাময়ী স্কুলের শিক্ষক (পরে তিনি এ স্কুলের হেড মিসস্ট্রেসও হন)। নাজের মা (আমারও আরেক মা) পরম মমতায় আমাদের দু-জনকে সাথে করে তখন ক্যাম্পাস থেকে শহরে বিদ্যাময়ী স্কুলে নিয়ে যেতেন, আসতেন। উনার ছায়ায় ছিলাম বলে আমার বাবা – মাও নিশ্চিন্ত থাকতেন। আমরা বেশিরভাগ সময় বাসেই যাওয়া – আসা করতাম। তারপরও মাঝে মাঝেই আমাদেরকে রিক্সায় করে যাতায়াত করতে হতো। নাজের মা (আমাদের নার্গিস ম্যাডাম) কোনদিন আমাকে একা অন্য রিক্সায় তুলে দেননি। উনার হয়তো কষ্ট হতো বড় বড় দুটি মেয়েকে নিয়ে এক রিক্সায় চলাফেরা করতে, কারন আমি পাশের সীটে বসাতে নাজকে উনার কোলে নিতে হত কিন্তু আমি কোনদিন এজন্য উনার চাহারায় কোন বিরক্তির রেখাটাও দেখিনি। “পক্ষীমা” হয়ে সদাসর্বদা তিনি নাজ আর শিখা নামের পাখি (!) দুটিকে আগলে রাখতেন। মাঝে মাঝে ভাবি- উনার জায়গায় আমি হলে এভাবে দিনের পর দিন একইভাবে কি এত ভালবাসার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারতাম? কিন্তু তিনি পেরেছেন । আর এসব পেরেছেন বলেই ভাল একজন শিক্ষিকা হবার পাশাপাশি তিনি একজন খুব ভাল মা হিসেবে এবছর “রত্নগর্ভা মা” উপাধিতে সম্মানিত হয়েছেন। আমাদের নার্গিস ম্যাডাম, আমার আরেক মাকে এসুযোগে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
ক্যাম্পাসের ওই এক ঝাঁক পাখির মধ্যে প্রায়ই যে দুটি পাখির (!) মধ্যে খুনসুটি লেগে থাকতো- তারা হলো হোলি আর শিখা......। কাপড় ইস্ত্রি করতে ভাল লাগত না হোলির, আমারো লাগতো না (কারো ভাল লাগে নাকি ?), এখনো লাগে না। কিন্তু অফিসে যাবার আগে অথবা মিটিং এ যাবার আগে আমার দো-তলার বাবা (সোমেন স্যার) প্রায়ই উনার শার্ট ইস্ত্রি করে দেবার জন্য আমার কাছে পাঠিয়ে দিতেন, আমি করে দিতাম। পরে উনার সাথে দেখা হলে আকর্ণ বিস্তৃত হাসি দিয়ে স্যার বলতেন-“থ্যাংক ইউ শিখা মা, আমি তোমার কাছে শার্ট ইস্ত্রি করতে পাঠাই কারন হোলিটা একটা ফাঁকিবাজ । শার্টের বডি ইস্ত্রি করে তো কলার ইস্ত্রি করে না । কিন্তু তোমার ইস্ত্রি করাটা একেবারে প্রফেশনাল হয়।“
ইস্ত্রি সংক্রান্ত স্যারের প্রশংসা ( আগেই বলেছি কাপড় ইস্ত্রি করা আমার অপছন্দের কাজ) শুনে মন্দ লাগে না । উনি তো আমার আরেক বাবা ই । উনাকে যদি সুন্দর করে ইস্ত্রি করা কাপড় পড়ে খুশী হতে দেখি, এতে তো আমার খুশীও বেড়ে যায়, চোখের আরাম হয়- যেমন হয় মায়েদের । ছেলে-মেয়েদের জন্য বাবা-মায়েরা কি না করেন!
এত গেলো স্যার বাবার কথা । এখন আসি নিজের বাবার কথায় । আমার বাবা এমনিতেই খুব লোকজন ভালবাসতেন। ফলে আমাদের বাসায় প্রায় প্রতিদিনই নানা পেশা, নানা জাতি, শ্রেণি, বর্ণ, ধর্মের আমার বাবার সামাজিক বন্ধু-বান্ধবরা আসতেন । এদের মধ্যে প্রয়াত কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মনি সিংহ দাদুর একমাত্র ছেলে আমার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু টুটুল আঙ্কল । উনি একজন ডাক্তার। আমার বাবা যখন রাশিয়াতে পড়তে যান তখন টুটুল আঙ্কল, দেবপ্রিয় আঙ্কল( বর্তমানের দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ডঃ দেবপ্রিয় ভট্টআচার্য), উনার ছোট ভাই, আবুল বারাকাত আঙ্কল (বর্তমানের দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ), সুবিনয় নন্দী আঙ্কল (গায়ক সুবীর নন্দীর ছোট ভাই) উনাদের সাথে বাবার বন্ধুত্বের সম্পর্ক গভীর হয়। তো টুটুল আঙ্কল যখন উনার ইন্টারনী শীপের জন্য মমেক ইন্টারনী হোস্টেলে থাকতেন তখন সপ্তাহে অন্ততঃ একদিন হলেও আমাদের বাসায় আসতেন। সন্ধ্যা থেকে রাত ১০/১১ পর্যন্ত বাবার সাথে বেডরুমে বসে কত যে গল্প করতেন! তারপর যাবার আগে ডাইনিং টেবিলে ভর্তা, শুঁটকি যা–ই থাকতো তা-ই দিয়ে ডিনার করে যেতেন।
ওই সময়টাতে আমাদের বাসায় আসতেন “নরেশ স্যার” (ময়মনসিংহ হোমিও কলেজের শিক্ষক) নামে একজন খ্রিষ্টান ফাদার। উনি হাতের দশ আংগুলে নানা বর্ণের দশটি আংটি পরতেন, অদ্ভুত অদ্ভুত সব (!) কথা বলতেন। আমার সেই কিশোর বেলায় উনার সংস্পর্শে আসা, ময়মনসিংহ শহরে নানা পুরনো জিনিসে (বিশেষতঃ হাজারো রকমের পুরনো ঘড়িতে) ঠাসা মিউজিয়ামতূল্য উনার বাসাটিতে মাঝে মাঝে আমার বাবার সাথে যাওয়া, সময় কাটানো, উনার বিচিত্র সব কাজকর্ম দেখা আমার জন্য ছিল দারুন রোমাঞ্চকর।
স্কুল শেষে কলেজে ভর্তি হবার পর সংস্পর্শে এলাম ময়মনসিংহ শহরের এক প্রবাদতূল্য শিক্ষক দেবপুরুষ “দেবনাথ স্যার” এর। অসাধারন এক শিক্ষক ; তারো চেয়ে বেশি- বড় অসাধারন একজন মানুষ। উনার মেয়ে সীমা দেবনাথ ছিল আমাদের খুব কাছের বন্ধুদের একজন। দেবনাথ স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে পড়ায় কোন ভুল করে ফেললে, ভুল উত্তর দিলে “এম্বায় আও” – “এদিকে এসো” বলে এক ঝটকায় টেবিলের বিপরীত প্রান্ত থেকে খপ করে আমার হাত ধরে ফেলতেন, হির হির করে কাছে টেনে নিয়ে বলতেন –“ঘারডা নুয়াও” – “ঘাড়টা নোয়াও”, বলেই আমার পিঠে দুম দুম করে কিল মারতেন.........যা কিনা আমার শিক্ষাজীবনের স্মৃতিটি করেছে রঙিন । স্যার এর এই অসাধারন “মার” (আদর -ভালবাসা) আমাকে সত্যিকার অর্থে করেছে ঐশ্বর্যময় । স্যার পান খেতেন, উনার ফর্সা মুখের ঠোঁট দুটি সবসময় লাল হয়ে থাকতো । আমাকে যে মেরেছেন সেজন্য স্যারের রাগ একটু কমে গেলে পান –খাওয়া লাল ঠোঁটে মিষ্টি করে হেসে বলতেন- “বেতা পাইছ ?” – “ব্যাথা পেয়েছো ?” আমি মাথা নেড়ে “না” বলতাম আর মনে মনে বলতাম –“স্যার, এ তো আমার পরম সৌভাগ্য, অন্যায় যে ই করুক হাতের সীমানার ভেতরে আমি থাকাতে আপনি মারার জন্য প্রায় প্রতিদিন আমাকেই select করেন, মারেন। আর মারার পর –পান খাওয়া লাল ঠোঁটে মিষ্টি করে হেসে বলেন – ‘বেতা পাইছ ?’ স্যার, আপনার এই মার, আপনার এই আদর আমার যে কি দারুন লাগে ! মনে হয় আমি মা আর আপনি আমার জেদী – দুষ্টু একটা ছেলে।“ স্যার এখনো বেঁচে আছেন, ময়মনসিংহের আকাশে এখনও আছেন সূর্য হয়ে । উনি এখন আর ছাত্র পড়ান না। প্রার্থনা করি – ঈশ্বর এই সূর্যের আলোয় আরও আলোকিত করুন আমাদের আকাশ!
আমরা কলেজে পড়ার সময় হঠাত করেই ঈশ্বর আমাদের জন্য এক পরীকে পাঠিয়ে দেন আমাদের পুরো বন্ধু গ্রুপটার জন্য আমার সোমেন স্যার এর মাধ্যমে। হোলির একটা বোন হয়, অর্থাৎ সোমেন স্যার এর তৃতীয় মেয়ে হৃদিতার জন্ম হয়। কি সুন্দর নরম তুলোর মতো ! আমরা যেন একটা জীবন্ত খেলনা পেয়ে যাই। হৃদিতা হবার সময় নিবেদিতা চাচী (হোলির মা) ময়মনসিংহ মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে বি, এড করছিলেন। আমি আর হোলি কলেজে চলে যেতাম, হোলির দ্বিতীয় বোন টলি চলে যেত স্কুলে। চাচী ও তাঁর কলেজে চলে যেতেন আর দু-বাসার বাবা ই অফিসে। ফলে ডে-টাইমে হৃদিতার দেখা – শুনা নিয়ে একটা সমস্যা দেখা দিত। এগিয়ে এলেন আমার মা। হৃদিতা নীচতলার চাচীকে মা হিসেবে পেয়ে গেলো । আমার মা ই সারাদিন হৃদিতাকে রাখতেন, খাওয়াতেন, পরিচর্যা করতেন, ঘুম পাড়াতেন। প্রায় দুপুরে ই হৃদিতা আমার বাবার বুকের উপর ঘুমোত। কলেজ থেকে সন্ধ্যায় হৃদিতার মা ফিরে এসে যখন ওকে বাসায় নিতে আসতেন, ও আর যেতে চাইত না। সারাদিন আমার মায়ের সাথে থেকে ও মনে করতো- আমার মা ই ওর মা।
কলেজ পর্ব শেষে হোলি ভর্তি হল চমেক এ আর আমি বা ক বি তে। এখানে আমার অনেক বন্ধু হল - সালমা, কাফি, আমানু, পিন্টু...ফ্যাকাল্টির বাইরেও অনেকে। ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি থেকে বন্ধু হল – সুদীপ্ত (ময়মনসিংহ শহরের সাংস্কতিক অঙ্গনের অতি শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব স্বর্গীয় অধ্যাপক সুধীর দাস এর বড় ছেলে) । সুদীপ্তকে (বর্তমানে জেলাজজ হিসেবে সরকারি চাকুরী করছে) আমি “পাগল” ডাকতাম, এখনো ডাকি.........ও আসলে একটা পাগল ই । ওর সাথে আমার দারুণ ঝগড়া, দারুণ মিল। “টক-ঝাল-মিষ্টি” এই বন্ধুত্ব কখনো হারিয়ে যাবে ভাবলেই বুকটা ভেঙে আসে!
এসব বন্ধুত্বের বাইরেও পড়াশুনায় মন দিতে হল আমাকে আরো intensively………অন্যান্য বিষয়ের সাথে আমাদেরকে ১ম ও ২য় বর্ষে আবারো অংক করতে হত। বা ক বির ম্যাথ বিভাগের তখনকার শিক্ষক গফুর স্যার, বসাক স্যার, রত্নেশর কর্মকার স্যারদের নেয়া অংকের ক্লাশ করে আমাদের, আমার মনে হত - আরে অংক তো কোন বিষয়ই না। তারপরও অংকের কিছু জায়গায় আমার দুর্বলতা ছিল তাই রত্নেশর কর্মকার স্যার এর কাছে মাঝে মাঝে যেতাম অংক বুঝতে । স্যার আমার বাবার ও শিক্ষক ছিলেন, তাই প্রাক্তন ছাত্রের অনুরোধে নতুন ছাত্রীকে মাঝে মাঝে তিনি অংক বুঝিয়ে দিতেন। Step by step তিনি এত সুন্দর করে অংক বুঝিয়ে দিতেন যে- ওসব যেন অংকের লাইন নয়, একেকটি কবিতার লাইন......। ইচ্ছে করতো আমি রোজ তাকে সালাম করি। মনে মনে তাই করতাম। এখনো করি, কারন তাঁর কারনেই অংককে আমার কবিতার মতো মনে হয় ।

(লেখাটি আগামী পর্বে সমাপ্য)
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×