somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হারেমািন

১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হারমোনি-৪

বা ক বিতে শিক্ষক হলাম, উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলাম জাপানে, গেলাম। ভিন্ন দেশ, ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন পরিস্থিতি, ভিন্ন ধর্ম – বর্ণের মানুষ । স্বজন –বন্ধু কেউ পাশে নেই । কিন্তু শিক্ষা শেষে জাপান থেকে দেশে ফিরে আসার আগে আমার জন্য যে বিদায়ী পার্টিটা হল সেদিন জাপানের কচি ইউনিভার্সিটির ডরমেটরির লবিটা লোকারণ্য হয়ে গিয়েছিল আমার বাঙালী বন্ধু-বান্ধব ছাড়াও অন্যান্য দেশের বন্ধু-বান্ধব আর প্রায় ৮০/৯০ জনের উপর আমার জাপানী স্বজনের উপস্থিতিতে (আমার মেয়েদের বন্ধু-বান্ধব, তাদের বাবা-মা, শিক্ষক-শিক্ষিকারা মিলিয়ে) । যাদের প্রায় সবার সাথে এখনও আমার যোগাযোগ অক্ষুন্ন আছে ।
জাপানে পড়াকালীন সময়ে অনেকের স্নেহ আমাদের জীবনকে পূর্ণ করেছিল তাঁদের মধ্যে এক দম্পতি “ইমরান ভাই-শারমিন ভাবী” (দু-জনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ভাই অবশ্য এখন পি, এসসি তে “মেম্বার” হিসেবে কাজ করছেন)। উনাদের স্নেহের ছায়া এখনো আমাদেরকে (আমাকে, আমার পরিবারকে) শান্তি দেয়, শক্তি দেয়, অনুপ্রেরণা দেয়। উনাদের পড়া শেষে উনারা দেশে ফিরে এলে আমাদের সাথে ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল “নারায়ন দাদা-ঝুমু বউদি” দম্পতির (দাদা এখন সিলেটে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উনার ফ্যাকাল্টির ডীন)। নারায়ন দাদা-ঝুমু বউদি, আমি আর আমার হাসব্যান্ড কচি (জাপানে আমরা যে শহরে ছিলাম সে শহরের নামও ছিল কচি ; আমাদের প্রফেসর আমার হাজব্যান্ডকে মজা করে বলতেন একদিন তুমি এখানে পড়তে আসবে জেনেই এ শহরের নাম কচি রাখা হয়েছে। মজার ব্যাপার হল বাংলায় যেমন কচি বলতে ফ্রেশ/সবুজ বুঝায়, জাপানী ভাষায়ও কচি শব্দটার প্রায় একই অর্থ – “ সবুজ মাঠ”) কত হাজার হাজার ঘণ্টা যে এক সাথে সুখ-দুঃখ শেয়ার করেছি, ছেলেমানুষি করে, অদ্ভুত সব পাগলামি করে অপার আনন্দে বুক ভরেছি তার সাক্ষী প্রশান্ত মহাসাগরের জল, কচি শহরের পাহাড় - জংগল, আর বাসার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া “মনোবে” নদীটা। ওখানে পড়া শেষে দাদা-বউদি চলে আসার পর উত্তম দাদা ছিলেন (বঙ্গবন্ধু ক বি এর শিক্ষক ছিলেন, বর্তমানে কানাডা আছেন) আমাদের পাশে নিজের “বড়দাদা” হয়ে ।
এছাড়াও ইন্ডিয়ান “ঠাকুর – অঞ্জলী”, “প্যাটেল – রশ্মী” র সাথে ব্যাক্তি আমাদের হাসি – কান্না শেয়ার করতে করতে আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের যে একটা অদেখা “সোনার চেইন” সৃষ্টি হয়েছিল, সাধারন রোদ – বৃষ্টির ছটায় তার রং কখনো কি কোনদিন ফিকে হতে পারে? গতবছর বাংলাদেশে একটা কাজে এসে ঠাকুর ঠিকই খুঁজে বের করেছিল আমাকে, আমাদের বাসায় এসে ও ওর ক্যামেরায় ধারন করে আনা ওর বড় ছেলে আশীষের কথা আমাকে দেখানোর সময় ওর চোখ ভরে গিয়েছিলো পানিতে আর বলছিল – “ এই আশীষ জন্মের সময় যখন ও জীবন – মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে দাঁড়িয়ে, তখন চোখে জল নিয়ে আমার হাত ধরে শিখা একমাত্র তুমিই বলেছিলে ‘ঠাকুর আমার মন বলছে ও বেঁচে যাবে, তুমি দেখো’ – আমার ছেলে সত্যি বেঁচে গেছে, শিখা। তোমার কথা সত্যি হয়েছে। জানো তুমি, ওই মুহূর্তে তোমার ওই কথাটা আমাকে আর অঞ্জলীকে কতটা শক্তি, কতটা সাহস দিয়েছিল ? প্রতিবার যখনই আমার ছেলের দিকে চোখ পড়ে আমাদের মনে পড়ে যায় তোমার কথা, যতদিন বেঁচে থাকব মনে পড়বে।”
জাপানে থাকার সময়টাতে ঠাকুর, প্যাটেল ছাড়াও আরো অনেকের পাশাপাশি আমরা দিনে দিনে কাছে এসেছি নেপালী দম্পতি “দুরা-মিনা”র ; সততা আর শুদ্ধতার মাপে যাদের বন্ধুতা তুলনাহীন।
ল্যাবের সিঁড়ি, ডরমেটরির বারান্দা, স্টাডি ট্যুরের বাসে পাশাপাশি বসে অথবা ট্যুরে গিয়ে দো-তলা খাটের উপর-নীচে শুয়ে আমার ভিয়াতনামের বান্ধবী হু, ব্রাজিলের প্যাট্রিশিয়া, চীনা বান্ধবী লিউ, থাইল্যান্ডের দুসাদি, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার বান্ধবীদের সাথে “প্রানের সখী” হয়ে প্রত্যেকের পড়াশুনা, পারিবারিক এমনকি একান্ত ব্যাক্তিগত সুখ – দুঃখ শেয়ার করতে করতে আমরা যে কখনো কেঁদেছি, কখনো হেসেছি –এসব “হৃদয় - ছোঁয়া” স্মৃতি কি পৃথিবীর কোন মূদ্রার বিনিময়ে কেনা যাবে?
ওখানে থাকার সময় আমরা কাছে এসেছিলাম এক বৌদ্ধ মন্দিরের ফাদার-মাদারের। সময়ের সাথে সাথে সকল সংস্কারের ঊরধে উঠে আমাকে তাঁরা গ্রহন করেছিলেন তাঁদের মেয়ে হিসেবে। এখনো তাঁদের মেয়ে হয়েই আছি। অত্যন্ত দৃঢ় ভাবে, গভীর বিশ্বাস থেকে ফাদার কিছু অমূল্য আশীর্বাদ করেছিলেন আমাকে, আমার পরিবারকে; যা - ফলেছে, ফলছে আমার জীবনে, আমার পরিবারের জীবনে । আর মাদারের আদরের আতিশয্য এমন পরয্যায়ে ছিল যে – নিজেকে অত ভালবাসার কাছে ক্ষুদ্র মনে হত। মনে মনে বলতাম – “হায় ঈশ্বর!‘আমার ভাঙা ঘরে আমি এত চাঁদের আলো কোথায় রাখি ?’ আমি কি উনাদের এত আদরের যোগ্য ?” আমাকে আর আমার হাজব্যান্ডকে উনারা দু-বার মন্দিরের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি করেছিলেন। যতই কুন্ঠিত বোধ করতাম ততই (যখন তখন) নানা উপহারের বন্যায় তাঁরা আমার পরিবারকে ভাসিয়ে দিতেন। মাদারটা “real typical affectionate mom” ছিলেন। ওখানে থাকা অবস্থায় আমার বড় মেয়ে নুবাহর জন্ম হয়। আমি মা হবো একথাটা যখন উনারা প্রথম জানলেন, আমার সত্যিকার বাবা-মার মতোই উনারা দুজনে খুশীতে যেন পাগল হয়ে গেলেন! অবস্থা এমন দাড়িয়েছিল যে – হাসপাতালে চেক-আপের প্রতিটি ডেট এবং ডাক্তারের রিপোর্ট উনাদের জানাতে হতো। সে অনুযায়ী মাদার আমার উপর আদেশ, নির্দেশ জারি করতেন, উপদেশ দিতেন; উনার কথামত চলছি কি-না ওটাও এসে সময় সময় চেক করে যেতেন। বেবী হবার আগে এক বিকেলে মাদার এসে বললেন –“হাসপাতাল থেকে কি লিস্ট টা দিয়েছে তোমার আর বাচ্চার কি কি লাগবে?” আমি মনে মনে আঁচ করতে পারছিলাম, দিয়েছে বললে তো ওটা নিয়ে আমার “পাগলী মাদার” (!) সোজা বাজারে চলে যাবে, কিছুতেই তাঁকে মানানো যাবে না আর জিনিসপত্র নিয়ে এসে হাজির হলে উনাকে টাকাও সাধা যাবে না । এসব চিন্তা করে চুপচাপ ছিলাম, বলব নাকি লুকোব তাই ভাবছিলাম। কিন্তু উনার কাছে কোন কিছু লুকানোর সাধ্য আমার আছে? ডেট অনুযায়ী সব কিছুর সময় উনার মুখস্ত। তা-ও দুর্বল ভাবে বললাম –“কেন?” মাদার ধমক দিয়ে বললেন –“দিতে বলেছি, দাও ।“ অগত্যা.........। আমি যে উনার এই ধমককে বড় ভালবাসতে শুরু করেছিলাম তখন ! ব্যাগ থেকে লিস্ট টা আমি বেড় করতেই আমার হাত থেকে ছোঁ মেরে সেটি নিয়ে গট গট করে রওয়ানা দিয়েছিলেন দরজার দিকে, আমার সাথে আর কোন কথাই বলেননি ।
ঘন্টাদুয়েক পরে আবার ফিরে এসেছিলেন, এসেছিলেন গাড়ী ভর্তি একগাদা জিনিসপত্র নিয়ে আমার আর বেবীর জন্য। উনার ভর্তি গাড়ী খালি করতে লেগেছিলো প্রায় মিনিট দশেক। আমাকে কিছু ধরতে দেননি, নিজে নিজেই সব টেনেটুনে গাড়ী থেকে নামিয়েছিলেন আর এসব দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছিল বিল্ডিং এর সবাই। পাগলামীর চূড়ান্ত করেছিলেন আর কি !
যতদিন জাপানে ছিলাম ফাদার-মাদারের সার্বক্ষণিক স্নেহদৃষ্টি, মমতার দৃষ্টি ছিল আমার প্রতি, আমার সংসারের প্রতি। আমার কোন অভাব নেই তো, কোন কারনে আমার কোন কষ্ট হচ্ছে না –তো? হায় ঈশ্বর ! “love and care” কাকে বলে ! এত ভালবাসা, এত আদরের কি কোন বিনিময় হয়? আমি কি উনাদেরকে বিনিময়ে কিছু দেবার ক্ষমতা বা স্পর্ধা রাখি শুধু বুক উজার করা ভালবাসা ও গভীরতম শ্রদ্ধা জানানো ছাড়া ?
জাপানে থাকার সময়টাতে কচি শহরের রোটারি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট জনাব ইওশিমোতোর পরিবার আমাকে চিনিয়েছে আভিজাত্যের রূপ কত মায়াময়! উনাদেরকে দেখে আমি বুঝতে পেড়েছি আভিজাত্যও ভালবাসার রং এ কতোটা রঙিন হতে পারে ! ওখানকার দুই কৃষক পরিবারে লুকিয়ে ছিলেন আমার আরো দু-জন মা; পরম মমতায় শুধু আমাকেই নয় আমার পুরো পরিবারকে বুকে তুলে নিয়েছিলেন। ওখানকার ভলান্টিয়ার এ্যাসোসিয়েশনের জনাব তাকাহাসি আমাকে শিখিয়েছেন – নিজের খেয়ে অক্লান্তভাবে বনের মোষ তাড়িয়ে কিভাবে আবারো মিষ্টি করে হেসে বলতে হয় “কোন সাহায্য লাগলে বলতে দ্বিধা কর না, বাবা-মা, নিজের দেশ ছেড়ে এতদূর পড়তে এসেছো!”
জনাব শিরাইশি অসম্ভব হৃদয়বান একজন মানুষ। বাংলাদেশে তাঁর পালিত মেয়ে কুলসুমের কাছে বাংলায় চিঠি লেখার জন্য আমার হাজব্যান্ডের কাছে বাংলা শিখতে এসে ক্রমেই হয়ে উঠেছিলেন আমার পরিবারের সদস্য। সময়ের সাথে সাথে তিনি হয়ে গেছেন আমার বড় ভাই আর আমার মেয়েদের বড়মামা, প্রিয় শিরাইশি মামা। আমি বুঝতে পারি এ যেন নিয়তির মতো সত্য যে- “রাখি” না পরিয়েও তিনি আমার “রাখিভাই”। আমি বেঁচে থাকতে - কখনো উনি নেই, এই কথাটা আমাকে যেন ঈশ্বর কখনো না শোনান! আমার এই বড় ভাই এর সাথে এখনো নিয়মিত যোগাযোগ আছে আমার। ভাইকে ছেড়ে এসেছি ৭ বছর হয়। সামনাসামনি আমার ভাইকে আমি দেখি না ৭ টি বছর! হায়! কতদিন, কতগুলো ঘণ্টা! আমার ভাইটা আমার হাতে রান্না করা খাবার খেতে খুব পছন্দ করতো। আহারে! কতদিন আমার ভাইকে রান্না করে খাওয়ানোর সুখ থেকে বঞ্চিত আছি আমি! আমার এই বড়ভাই এর কথা মনে এলে আমার চোখ এমনিতেই ঝপসা হয়ে আসে । অসাধারন – অলৌকিক এক ভালবাসার বন্ধনে উনি বেঁধে রেখেছেন আমাকে, আমার পরিবারকে!
জাতি, গোষ্টি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঈশ্বর পৃথিবীর সর্বত্র ভালবাসার এত এত হীরক খন্ড ছড়িয়ে রেখেছেন! মানুষের সাথে মানুষকে গেঁথে রেখেছেন কি পরম মায়ায়, মমতায়! আমার ক্ষুদ্র জীবনে আমি এত ভালবাসার মনি-মুক্তো কুড়ানোর চেষ্টা করেছি ; আমার মতো প্রায় সবাই হয়তো কম-বেশী ভালবাসা পেয়েছেন, দিয়েছেনও । তারপরও আমাদেরই কেউ কেউ কিভাবে এই মায়া, এই ভালবাসাকে অগ্রায্য করে ভয়ানক সব অস্ত্র - রামদা, ত্রিশূল, তলোয়ার, বন্দুক নিয়ে ছুটে যাই একে অন্যের দিকে ? কিভাবে নির্দ্বিধায় রক্ত ঝরাই একে অন্যের শরীর থেকে ? কিভাবে আমরা পানিপথে পাঠাই রণতরী, স্থলপথে সাঁজোয়াযান আর আকাশ থেকে বোমা মেরে গুঁড়িয়ে, নিশ্চিনহ করে দিই একটা গোটা জনপদ? স্বপ্ন-ভালবাসা-আদরে-আশায় গড়ে তোলা একেকটি পরিবার, সে পরিবারের ঘর–বারান্দা কিভাবে আমরা ধ্বংস করে দিই? এজন্য কি আমাদের হাতটা একটুও কেঁপে উঠে না ? বুকটা একটিবারের জন্যেও মুচড়িয়ে উঠে না? আমাদের কেউ কেউ এই রক্ত ঝরা নিয়ে আবার উৎসব ও পালন করি। কেন করি? কি-ভাবে করি ? কেউ কেউ চোখের পলকে ভেঙে ফেলি মসজিদ, পুড়িয়ে দিই মন্দির – এতে যে কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস আহত হলও, কোটি কোটি মানুষের মন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো, মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে গেলো হাজার বছরেরও ঐতিয্য – এসব যেন আমাদের অনেককে স্পর্শই করে না। কেন করে না ? কেন আমরা বুকে ভালবাসার সূর্য না জ্বেলে ঘৃণার অন্ধকূপে প্রবেশ করি ? এতে কি পাওয়া যায়? সুখের পাখিটা ভয় পেয়ে দূরে উড়ে চলে যায় না কি? আর সুখের চেয়ে বড় কোন ঐশ্বর্য আছে নাকি পৃথিবীতে?
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জীবনের এটুকু পথে আমি ভালবাসার হাজারো হীরে কুড়িয়ে আমার জীবনকে দারূন ঐশ্বর্যময় করার সুযোগ পেয়েছি। জাতি, গোষ্টি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে অসাধারন এক হারমোনির মোহময় পথে অবিরাম হেঁটে হেঁটে এতদিনে স্বর্গীয় সুখের ঐশ্বর্যময় এক ভুবনে আমি প্রবেশ করেছি। এই আনন্দ- ঐশ্বর্যময় সুখের ভুবন থেকে আমি বা আমার পরিবার কখনো, কোনদিন যেন বিতাড়িত না হই! হে ঈশ্বর ! আমার এই প্রার্থনা তুমি শুনতে কি পাও ?

(সমাপ্ত..................)
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×