তোমার সত্বা, ঘূর্ণবত্তা, আপিস ফেত্তা, সান্ধ্য ভীড়,
আমার বক্ষ, শূণ্য কক্ষ, কৃষ্ণপক্ষ জাহ্নবীর।
সত্যনিষ্ঠ, বুকনি মিষ্ট, মুক্তপৃষ্ঠ উড়ছে চুল,
চিনতে পারছি, পুচ্ছ নাড়ছি, কামড়ে খাচ্ছি পূর্বভুল।
প্রস্থে বাড়ছি, খিল্লি মারছি, একলা ভরছি, দিল্ কা ব্যাগ,
বিশ্বকর্মা, একটু শরমা, চারটে ফর্মা ছোট্ট ম্যাগ্।
বিরহ চিন্তা, ধিনতা ধিনতা, মিষ্টি নোনতা লিষ্টি ফুল্,
দশটা-পাঁচটা, খ্যামটা নাচটা, পিত্জা পাস্তা, অঙ্কে ভুল।
তোম্মা ওষ্ঠ, ইন্দ্র-প্রস্থ, আল্লু-পোস্ত, পান্তা ভাত,
খাচ্ছি দিব্বি, মাইরি দিব্যি, আম্মো বিব্বি দূরকা বাত্।
দৃষ্টি বহ্নি, শ্যামলা তন্বি, তোমার জন্যি বড্ড ভয়,
‘ললিতরঙ্গে রসতরঙ্গে’ চিকন অঙ্গে সন্ধে হয়।
একটু দ্যাখ্ মা, উষ্ণ-ম্যাগমা, জমাট বদ্ধ ভূম্মি-রূপ,
আমিও লক্ষ্মী, চাতক-পক্ষী, হৃদয়পিন্ড গুল্লি প্রুফ্।
চুপ্ বে শাল্লা, বাক্য তাল্লা, কেষ্ট-আল্লা দৃষ্টিপাত,
জান্নি আসবে, মুচকি হাসবে, সঙ্গে আনবে বৃষ্টিপাত।
ভাবনা অন্য, দিন আসন্ন, বধির-কর্ণ, অধির ঠোঁট,
খন্ড খন্ড, ব্রক্ষ্ম অন্ড, লিঙ্গ-দন্ড, বীর্য স্রোত।
এখন স্কন্ধ, কাটিয়ে দন্ধ, শব্দ-ছন্দ অন্ধকার,
সবার স্বার্থ, ফালতু ছাড়তো, ফুললী ব্যর্থ, কাব্যকার।
এক্কা-দোক্কা খেলতে খেলতে ছকের গর্তে রাত্রি পার,
রাত্রি পার?
স্বপ্ন কার?
গল্প ছাড়্;
ছিন্ন তার।
মূল কবিতাঃ অর্ঘ্য
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


