" বট গাছটা আর নাই,,,,হয়তবা কেউ তাকে আর মনেও করেনা,,আর প্রয়োজনই বা কি মনে করার,,,সময়ের আবর্তনে,,সব কিছুই এরকম বিলুপ্তি হয়ে যাই,,,এটা নতুন কিছু নই,,কিন্তু দুই একজন মাঝে মাঝে তার হারানো দিন গুলি হইতবা নিজের অজান্তেই মনে করে,,,তাইতো,,??? এখন তো কিছুই নাই,,জনাকীর্ণ অবস্থা চারিদিকে,,,,সবাই তার কাজ নিয়ে ব্যস্ত,,বটগাছ টার পাশেই,,,একটু ছোট্ট পরিবার,,,আকাশের কালো মেঘ গুলো তার ত্যজোদ্দীপ্ত গতিতে গাছটার ওপর দিয়ে অতিক্রম করতো,,কিন্তু অসহায় গাছটির কিছুই করার ছিলোনা,,,সে নির্বাক হয়ে টার গতির অবস্থা অবলোকন করতো,,সকাল হওয়ার আগেই একটি সুমিষ্ট কোকিল বটগাছটার ডালে বসে চারপাশে তার মধুর গান ছড়িয়ে দিতো,,,গাছটির পাশেই একটি ছোট সুখের সংসার পাচ জনের,,,বাড়িটির মালিক খুব খুশি হয়ে বলতো,,""বউ,,! লক্ষণ বালা আমাগো,,,,?? বউটি মাথার ঘোমটা ঠিক করে,,বলে উথলো,,"" কি বুলেন আফনে,,?? কিছু বুজি না??,সে বলল," আরে হুনো না,,,কোকিল মুনে হ আমাগোর জন্য সুখবর আনসে,,,!! বউয়ের ঠোটের কোণে একটু সুপ্রসন্ন হাসি,,," কি যে বুলেন,,,!! হুম,,আমি ঠিকি বুলছি,,,!,, বড় মিয়ে ক্লাশ ৮,,, মেজ ছেলে ক্লাছ ৫,,, আর ছোট ছেলে,,,এখনো মায়ের কোলেই নির্বাক হয়ে সব দেখে,,,কিন্তু মাসটা গেলোনা অন্য রকম,!!! বাড়ির মালিকটির প্রচণ্ড জ্বর এল,,,,ক্রমশ বাড়তেই থাকে,,,,দেড় মাস ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে,,,,,,, ভোরের দিকে খবর এলো,,,বাড়ির মালিক দুনিয়াই আর নেই,,তিনটা ছেলে মেয়ে আর যার সাথে সারা জীবন কাটিয়ে আসলো,,সবাইকে কাদিয়ে অজানা রাজ্যের ভিসা পেয়ে গেছে,,,বড় মিয়ের ভবিষ্যৎ এর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এখানেই ইস্তফা দিতে হলো,,,ক্লাসের সেরা ছাত্র বৃত্তি পেয়েও একটা দোকানের খাদেমদার হইতে বাধ্য করলো,,,,আর সেই শিশু,,,!!!!! সে কি বুঝে এই কষ্টের কিছু,,,??? মেয়েটার অল্প বয়সে বিয়ে মেনে নিতে পারছিলোনা কেউ,,,কিন্তু কি আর করার,,! দারিদ্র্যের কবলে যে পড়ে তার সব আশার গুড়ে বালি,,,,,,মেজ ছেলে তারও একি দশা,,,!! সবাই সব কিছু চাইলেউ সবার নসিবে জোটে না,,,শিশু ছেলেটা মনে হই,,সুখেই ছিলো,,,কারন সে অবুঝ,,অবুঝ বালক তো আর কষ্ট বোঝেনা,,তাই কষ্টও তাকে আক্রমণ করেনা,,,,ভাইটা রাতে এসে তার কপালে চুম্বন করতো আর বলতো,, "ভাই আমার তো পড়াশুনা হলোনা,,তুকে অনেক বড় করবো,,,আমার আশা তুই পুরন করবি,,,বলতে বলতে কখন যে তার চোখের কোণ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়তো,, সে তো খেয়াল করেনা,,কেননা,,চোখের পানি তো তাই নিত্য সঙ্গী হয়ে গেছে,,,বড় মেয়ে টা আর কিছু ভাবেনা,,,,ভাব্বার দরকারি বা কি,,??? আজ ১৮ বছর অতিক্রম করে গেছে,,সেই মেঘগুলো আর গাছটার অপর দিয়ে যাইনা,!!!! কোকিলটাও আর আসে না,,!!! গানের মাধ্যমে আর কিছু পুলোকিত করেনা,,,এখন পানি ছাড়া আর কিছুই দেখা যাইনা,,,বাড়ির মালিক ও তার বউকে আর তাকে উল্লেখ করে কিছু বলেনা!!! তবে সেই ছোট্ট শিশু তার ভায়ের স্বপ্ন পুরন করতে সক্ষম হয়েছে,,,সে আজ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্র,!!!!অনেকদিন পর চোখের কোনে আমি আবার সেই অজানা পানির সন্ধান পেলাম,,,,,!!!!!!!!
অজানা পানির সন্ধান
বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...
বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....
বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন
রম্য: পর্নের সেকাল একাল!
গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?
আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?
হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!

একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।