
'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।
ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম একটা বৃহৎ স্ক্যাম, সেটা আমরা প্রথম থেকেই বলছি। শুধু বলছিই না, আমাদের দাবীর স্বপক্ষে অচেনা একজন এর অক্লান্ত পরিশ্রমে খুঁজে বের করা অসংখ্য তথ্য, প্রমান, উপাত্ত দিয়ে প্রমানও করেছি।
আজ এই ভূয়া ও বিতির্কিত শহীদ গেজেটের আরেকটা বায়বীয় শহীদের তথ্য উপস্থাপন করবো।
ইনুসের জালিয়াতির তথাকথিত 'জুলাই শহীদ গেজেট'এ ৪৯৯ নম্বরে রয়েছে মোঃ শহিদ হোসেন'র নাম ( পিতা- আব্দুর রহমান, ঠিকানা- পশ্চিম বাড়ি, মদন গোপাল, সিধুলী, মাদারগঞ্জ, জামালপুর)।
ইনুস তার জালিয়াতির শহীদ গেজেটে অসংখ্য চতুরতার আশ্রয় নিয়ে কারোরই আহত/ নিহতের তারিখ, সময়, স্থান, কারন কিছুরই উল্লেখ করেনি। মোঃ শহিদ হোসেনের ক্ষেত্রেও এসব কিছুর উল্লেখ নেই।
তবে জামায়াতের তথাকথিত জুলাই শহীদ সাইটে ও তথাকথিত বৈষম্যবিরোধী জুলাই সন্ত্রাসীদের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে, "২৭জুলাই'২৪ বিকাল আনুমানিক ৪টায় উত্তরা এয়ারপোর্টে পুলিশের গুলিতে আহত হয় মোঃ শহিদ হোসেন এবং বিকাল ৫টায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়"!! এভাবেই মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার নাম তথাকথিত জুলাই শহীদ গেজেটে ঢুকানো হয়েছে।
অথচ ২৭জুলাই, ২০২৪ তারিখে ঢাকা এয়ারপোর্ট বা উত্তরাই শুধু নয়, সেদিন সম্পূর্ণ ঢাকা শহরেই, এমনকি সারাদেশের কোথাও পুলিশ/ র্যাব/ বিজিবি বা অন্যকোন আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনী কোন গুলি ছুঁড়েইনি। সম্পূর্ণ ঢাকা শহরে, এমনকি সারাদেশেই সেদিন কোথাও কেউই গুলিতে আহত বা নিহত হয়নি।
এভাবেই প্রতারনা করে অপতথ্য দিয়ে মিথ্যা দাবী করে ভূয়া নাম যুক্ত করেই তথাকথিত শহীদের তালিকা দীর্ঘ করে আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'গনহত্যাকারী' আখ্যা দেয়া হয়েছে!! এই অপচেস্টায় জামাতও যে জড়িত তা ভূয়া শহীদ মোঃ শহিদ হোসেনের নাম অন্তির্ভুক্তিতেই প্রমান হয়।
অসুবিধা নেই, আমরা প্রতিটি শহীদের ঠিকানা সংগ্রহ করে রেখেছি। কারন একজন শহীদ কখনো ২য়বার শহীদ হতে পারে না! কাজেই প্রকৃত শহীদের মর্যাদা দেওয়া হবে। এই শহীদ হোতে যারা সহযোগিতা করেছে। ভূয়া মামলা দিয়ে বানিজ্য করেছে। প্রত্যেকেই আমাদের ঋণী করে রেখেছে।আমারা এই ঋণ পরিশোধ করতে বদ্ধপরিকর ।
ইংংশাআল্লাহ্ সামনে সুদিন অপেক্ষা করছে প্রত্যেকের জন্য
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


