somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সামু ব্লগের সহজ পাঠ!! (অনভিজ্ঞদের জন্য) :-* :-* :-*

২১ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অভিজ্ঞ ব্লগাররা নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

এই যে! আপনি কি নতুন ব্লগিংয়ে আসছেন বিশেষত সামু ব্লগে? তাহলে নিন একরাশ ফুলেল শুভেচ্ছা।



নূতন ও অনভিজ্ঞ অনেকেই আছেন যারা কিছু টেকনিক্যাল কৌশল এবং নিজের মন থেকে বের করা কতিপয় ধারণা নিয়ে বসে আছেন যেগুলো একসময় অবশ্য আমিও করেছিলাম, আর আপনারাও ঠিক সেটাই করছেন। আমি নিতান্তই একজন সহব্লগার হিসেবে কিছু বিষয় আলাপ করতে চাই, একেবারেই খোলামেলা ভাষায় আশা করি সাথেই থাকবেন।

একদা আমি নিজেও রহস্যাছন্ন হয়েছিলাম :-* আমার পোস্টে আমি কমেন্টের উত্তর দিলে হলুদ মার্কিং হয় না, কিন্তু অন্যেরা করলে কেন হয়? :-* অবশ্য ২-১ দিনেই রহস্যের কূলকিনারা করে ফেলেছিলাম। :) নতুনদের এইরকম কিছু কর্মকান্ড দেখে একটি সামাজিক দায়িত্বের অংশ বিবেচনাপূর্বক (দয়াপরবশ হয়ে B-)) ) দিলাম এই পোস্টু। দয়া করে এই পোস্টু থিইক্কা দেইখ্যা নিন কি উপায়ে ব্লগিংটা আপনার, আমার, সবার জন্য উপভোগ্য হয়।

লিংক প্রসংগঃ
অনেকেই দেখি লিংক দেওয়ার ব্যাপারটা জানেন না বিধায় অন্য ব্লগারকে জিজ্ঞেস করেন। আমার তখন হাসিই পায়। নিচের লাল মার্ক করা (শিকলের) চিহ্ণে গোঁতা দেন।



দেখবেন আরেকটা সাবউইন্ডো খুলে গেছেঃ


ইউআরএল বক্সে ইংরেজিতে (http://) লিংক অ্যাড্রেসটা দিয়ে ফেলুন আর টাইটেল অংশে কি লেখায় লিংক যুক্ত হবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। ব্যাস ঝামেলা শেষ। কমেন্ট বক্সেও একই ব্যাপার।
প্রতিমন্তব্যের বক্সেও একই কাজ করবেন তবে সেক্ষেত্রে একটু নিচে স্ক্রল করে যেয়ে মন্তব্যের টুলবক্স থেকে এই কাজ করতে পারেন।

ছবি প্রসংগঃ
লিংক দেওয়ার ব্যাপারটার মতো অনেকেই জানেন না ছবি কিভাবে পোস্টে/কমেন্টে দিতে হয়। তাঁরা নিচের লাল মার্ক করা (ক্যামেরার) চিহ্ণে ক্লিক দেন।



দেখবেন আরেকটা সাবউইন্ডো খুলে গেছেঃ


এখন ফাইল সিলেক্ট করে দেন আর ইমেজের কোডটা যথাস্থানে বসিয়ে দিন।


প্রসংগ কমেন্ট রিপ্লাইঃ
প্রায়ই দেখি কিছু ব্লগার আছেন যারা কমেন্ট রিপ্লাই না করে নতুন আরেকটি কমেন্ট করে বসেন নিজের ব্লগেই। এটা ঠিক না মিয়া। :-< আপনার পোস্টে আপনি কমেন্টের অ্যানসার দিতে হয় কিভাবে জানেন না, এটা আপনার ট্যালেন্টের একটা নিম্নগামি পর্যায়ের স্বীকৃতি না? আঁতে ঘা লাগলে ওয়াশরুম থেইক্কা ফ্রেশ হইয়া আইসেন। ঠিক আছে?

আপনে কি ফেবু ইউজ করার সময় রিপ্লাই দেখেন/করেন না? তাইলে এইডা কেন করেন কন দেখি?

ভাল করে দেইখ্যা লন মিয়া। লাল দাগাঙ্কিত একটি সবুজ তীর চিহ্ণ আছে, এটাতে গোঁতা দিলেই একটা কমেন্ট রিপ্লাই বক্স আসবে।



এখন ঝটপট লিখে সাবমিট করেন। দেখবেন হলুদাভ মার্ক করা একটি প্রতব্য (ওরফে প্রতিমন্তব্য ওরফে রিপ্লাই ) চলে আসছে।



যারা প্লাস/লাইক দিয়েছেনঃ
এটা আজ আমি জানলাম জাকির ভাইয়ের কাছ থেকে। কব্জি চিহ্ণের পাশে নাম্বারে ক্লিক করে দেখুন কারা আপনার/পঠিত পোস্টে লাইক দিয়েছেন।





প্রসংগ প্রিয় ফিচারঃ



অনেককেই দেখছি 'প্রিয়তে নিলম' লেখেন অথচ প্রিয়তে গেলে পাওয়া যায় না। লাইক আইকনের পাশেই গাঢ় হলুদ একটা তারকা চিহ্ণ আছে এটাতে ক্লিক করেই প্রিয়তে নিতে হয়। আপনার ব্লগে গেলে যে কেউ সেটা দেখতে পাবে।
এটা অনেকটাই বুকমার্ক করে রাখার মতোও ব্যবহার করা যায়। আবার বেশি হয়ে গেলে সরিয়েও ফেলতে পারেন। ফিচারটা ব্যস্ত ব্লগারদের ভালই কাজে লাগে।

প্রসংগ প্লাসঃ
অনেক ব্লগারকেই দেখি কমেন্ট করেন প্লাস। কেউ কেউ বলেন পেলাস, পিলাস, পিলাচ, পেলাচ। মজা করে বলায় ব্লগটা উপভোগ্য হয়। অনেকেই প্লাস সাইন(+) ব্যবহার করে। তবে জায়গা বুঝে প্লাস কথাটা লিখা উচিত।

মর্মান্তিক বিষয় হইলো প্লাস লেখার পরেও এরা আসলে ঠিক বুঝে না প্লাস জিনিসটাই আসলে কি? প্লাস/লাইক বাটনে ক্লিক না করেই তারা মনে করে কাম শেষ।

বুঝা উচিত যে, প্লাস(লাইক) মানে হাতের কব্জি সাইনে ক্লিক করে সিস্টেমকে জানিয়ে দেওয়া। (নিচে লাল দাগাঙ্কিত আছে)



অত্যন্ত দুঃখের কথা হলো অনেক ব্লগারই অনেক কষ্ট করে ভালো ও উন্নত মানের পোস্ট তৈরি করেন যা আমাদের মতো সাধারণ ব্লগারদের জন্য নিতান্তই করা হয়ে ওঠে না। আপনি বেচারার এত পরিশ্রমী পোস্টে উপকৃত হলেন। জানলেন নতুন কিছু। অথচ লোকটাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য লাইক/কমেন্ট করলেন অথচ সিস্টেমে দেখা গেল মোটে কয়েকটা লাইক পড়েছে।
সেদিনও দেখেছি একটি পোস্টে লাইক (কহিয়াছেন) ও + (কহিয়াছেন কমেন্টে) ছিল ৩০-৪০টির মতো। অথচ দেখা গেল মাত্র ১১ টি লাইক।
এমনকি ১ বছর বা তারও অনেক বেশি হয়ে গেছে তারাও দেখেছি এমনটি করেন। এটা আসলে অনুচিত। মনে রাখবেন আপনার ১ টি লাইক পোস্টদাতার জন্য ১টি অণুপ্রেরণা।

মন্তব্য ও প্রতব্য(প্রতিমন্তব্য) প্রসংগঃ
আপনি পোস্ট দিছেন। খুব ভাল হইছে। সবাই-ই ভাল কইতাছে। আর আপনে একা একা মুচকায়া হাসছেন। আহারে আমার পোস্টটা হিট হয়ে গেছে। এমনকি আনন্দে ফালফালিও করতাছেন আর টেবিলে চাপড়াইতাছেন।
ভাল কথা। আপনার পোস্টে মানুষ অংশগ্রহণ করছে বলেই পোস্টে মজা পাইতেছেন। এখন আপনে কি কললেন? একখান আকাম কইরে বসলেন। আকামটা হইলো- কারো কমেন্টেরই রিপ্লাই না করে আপনি খালি পড়েই ফালাইতাছেন।

এইখানেই হলো সবচেয়ে বড়ো ঘাটতি। আপনি ব্লগিংয়ের মানে জানেন? ব্লগিংয়ে পোস্টদাতার জন্য কমেন্ট রিপ্লাই দেওয়াটা কতটুকু আবশ্যক সেটা কি জানেন? ব্লগের প্রাণ যদি পোস্ট হয় কমেন্ট করাটা তা হলে দেহ। আর রিপ্লাই/প্রতব্য হলো দেহের সজীব রক্ত।
আপনি সময় কম দেন সমস্যা নেই। কিন্তু আপনার ব্লগকে মৃত রাখলে যে ক্ষতি হয় সেটা সামুর/অন্য কারোর না, এটা আপনার।
নিজের পোস্টের ব্যাপারে আপনি যদি পাঠকের/ব্লগারের প্রশ্নের উত্তর একেবারেই না দেন তাহলে আপনি একটা ফাউল লোক বলিয়া খ্যাতি অর্জন করতে পারেন। ব্লগাররা যদি চিহ্ণিত করে ফেলেন যে এই লোকের পোস্টে রিপ্লাই আসে না তবে অনেকেই আপনার থেকে ১০০ হাত দূরে থাকতে সুবোধ লাভ করবে।
অন্তত ধন্যবাদ জ্ঞাপন তো করতে পারেন। জানেনই তো যারা ধন্যবাদ দিতে জানে না সোসাইটিতে তাদের কি প্রকারের জীব হিসেবে দেখা হয়।

:> আবুলীয় চিন্তাধারাঃ
অনেকেই এই ব্যাপারটার ওপর বেশি নজর দেন। কিছু কিছু বোকারাম আছে যারা মনে করে মন্তব্য পেয়েছি ও করেছি অংশের মধ্যে যতটুকু তফাৎ আছে তাতে নিজের ভাব ধরাটা নির্ধারিত হয়।
যেমন কেউ মনে করেন- অন্যের পোস্টে যত কম কমেন্ট করা যায় (মানে মন্তব্য পেয়েছি অংশটুকুর গণনা যত বেশি দেখান যায়) তাতেই নিজের ভাবটা বেশি বলে প্রোভ করা সম্ভব হয়।



আপনি যদি এইরুপ মানসিকতা নিয়া সামুতে ব্লগিং করেন তবে আপনে নিজের অজান্তেই ব্লগীয় হাবা হিসেবে নাম লেখালেন। কারন হাবারাই পারে এইরকম অদ্ভুততুড়ে মানসিকতা পোষণ করতে। আরে মিয়া অন্যের পোস্টে কমেন্ট না করলে কিভাবে ব্লগিং সমাজের সাথে মিশবেন। সম্পর্ক গড়ে ওঠবে কিভাবে? ব্লগীয় আড্ডা, ঝড়, ক্যাচাল, পঁচানো এগুলোই তো ব্লগিংকে উপভোগ্য করে তোলে। আর আপনি কিনা বলদের মতো দূর থেকে খালি দেখতে আছেন। এইটা নিয়া এখন আপনেই ভাবেন কি করা উচিত।

ভাল পোস্টে সংকীর্ণতা বশত যে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকে তাঁর জন্য একটা ট্যাগ দেয়া আবশ্যিক। সেটা হলো- ভুদাই।
গিয়াসলিটন ভাইয়ের কমেন্ট থেকে সংযোজিতঃ নতুনদের আরেকটা জিনিষ খেয়াল করা উচিত । সেটা হল সর্বশেষ কারা ব্লগ দেখেছে, সেই তালিকা দেখে তাদের ব্লগ থেকে ঘুরে আসা।
আপনার সময় কম? ঠিক আছে, পোস্টদাতার নিক উচ্চারণ করে ভাই/আপু সম্বোধন করেন, ছোটখাটো কমেন্ট করেন। সমস্যা কি; বরং এতেই ব্লগ তাঁর প্রাণে চাঞ্চল্য খুঁজে পাবে।

পোস্টিং সমস্যাঃ
আপনি যদি দিনে একাধিক পোস্ট দিতে থাকেন তবে একটা সম্ভাব্য ভবিষ্যৎবাণী করা যায় আপনাকে নিয়ে- "আপনি আর বেশিদিন নেই"।
ব্যাখ্যা হলো, জোয়ারের চোটে অনেকেই অগণিত পোস্ট প্রস্রব করতে থাকেন অথচ তারা সময়ের গর্ভে নিমজ্জিত হন অল্পকাল পরেই। এর কারণ অপব্যবহার। সময় নষ্ট, সামুর পাঠক ব্লগারদের উপেক্ষা, নির্বাচিত পাতায় না যাওয়ার মতো মানসিক রোগে সহজেই পেয়ে যেতে পারে।
নতুন বলেই আপনার উচিত বেশি করে পড়া। মন্তব্য করা, বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা। বিশেষত, আলোচিত ব্লগ অংশের অন্তত ৩টি পোস্টে অংশ নেওয়া (১ সেশনে)। তবেই একজন নিয়মিত ব্লগার হয়ে উঠতে পারেন আপনি।

তবে মাসে অন্তত ২টি পোস্ট না দিতে পারলে আপনি মাইর খাইছেন এইটা নিশ্চিত। আপনি অনেকটাই আড়ালে থেকে যাবেন তাদের থেকে যারা ব্লগিংয়ে এগিয়ে গেছেন, তা আপনি যত বড়ই ডিগ্রিধারী বা পদবীধারী হোন না কেন।
যেকোন পোস্ট দেওয়ার আগে ভালভাবে পড়াশুনা করেন, সার্চ করে দেখে নিন আপনার আগে কেউ এ বিষয়ে লিখল কি না। যদি লিখেই থাকে তবে সেটা পড়ুন, নিজের চিন্তা, সংগৃহিত তথ্য যোগ করুন, তথ্যসূত্র দিন। দেখবেন পোস্টটি মানসম্মত হয়ে গেছে।
আমার পরামর্শ থাকবে আপনার পোস্টটি প্রথমত নিজের কাছেই মানসম্মত হয়েছে কি না তা যাচাই করে দেখবেন হোক তা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, রাজনৈতিক পোস্ট, সাংষ্কৃতিক, সামাজিক, রিভিউ বা অন্য কিছু। তাই বলে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। একটা প্র‌াকটিক্যাল কথা আছে- "গাইতে গাইতে গায়েন, বাজাতে বাজাতে বায়েন"।

একটা পাবলিক সমস্যাঃ
কেবল আপনারা নতুনরাই না কতিপয় ব্লগার আছেন যারা স্থান কাল পাত্র বিবেচনাবোধটুকু হারিয়ে যেমনটি মাথায় আসে তেমনটি করে বসেন। যেমন ভয়ংকর/নৃশংস/নিউড/অসামাজিক/বিভৎস ছবি দিয়ে ১ম পেজে ছেড়ে দেন। তাঁদের মাথায় রাখা উচিত যিনি পোস্টটা দেখছেন তাঁর আশেপাশে যেকোন বয়সের মানুষ থাকতে পারেন। বাচ্চা থেকে শুরু করে অফিসের কোন লোকও। আপনি যে পোস্ট দিচ্ছেন তাতে যে ভাষা ও ছবি ব্যবহার করছেন তা ব্লগিং সমাজে কিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে সে বিবেচনাবোধটুকু থাকা উচিত। ব্লগিংটার অনিচ্ছা জন্মাবার বড়োরকমের একটা কারণ এই ব্যাপারটা। মডুরা তো ফিরিশতা না যে এগুলো ২৪/৭ রক্ষণাবেক্ষন করবেন। মূলত আমাদেরই দায়িত্ববোধ থাকা উচিত।
ইচ্ছেমত ছবি আপলোড না করে বিবেচনাপূর্বক ছবি দেওয়া উচিত যদি তা কোন দু্র্ঘটনা/অঙ্গহানি/বিভৎস হয় তবে সেটা ঝাপসা করে দেয়া উচিত। বরং না দিলেই ভাল হয়।
কমেন্টে আপনি গালি দিলে মূলত আপনার সামাজিক/বংশের একটা আত্মপরিচয় তুলে ধরেছেন মনে রাখবেন। ক্ষুদ্ধ হয়েই গালি দেওয়া সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ না এই বিষয়টা অনেকেই জানেন না। আপনার এইরকম অভ্যাস থাকলে দয়া করে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখিয়ে নিন। এটা কিন্তু সিরিয়াসলিই বলছি।

পরিশেষেঃ
সামু(somewhereinblog) বাংলা ভাষার সবচেয়ে বৃহৎ আন্তঃ সামাজিক আবজাল(নেটওয়ার্ক)। এটা আপনাকে সূযোগ করে দিচ্ছে নিজের প্রতিভা প্রদর্শনের। আপনার মষ্তিষ্কের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে পোস্ট করুন, কমেন্ট করুন। অযথা কোন কমেন্ট করে নিজের সময়/সম্পদ বিনষ্ট করবেন না। কমেন্ট করলে ভাললাগা বা নিজের উপলদ্ধি থেকেই করুন। আপনি যে বিষয়ের প্রতি আগ্রহী সে বিষয় সম্পর্কেই কিছু লিখুন। আবার দিনরাত সামুতে পড়ে থাকলেও চলবে না। আপনার মানসিক পরিপক্কতারও একটা ব্যাপার আছে না। অতএব জানুন, সবাইকে জানান। হ্যাপি ব্লগিং!!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:২০
১৬৫টি মন্তব্য ১৬১টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের কাশ্মীর ভ্রমণ- ৫: অবশেষে শ্রীনগরে!

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৯ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:২৬

গাড়ীচালক মোহাম্মাদ শাফি শাহ সালাম জানিয়ে তড়িঘড়ি করে আমাদের লাগেজগুলো তার সুপরিসর জীপে তুলে নিল। আমরা গাড়ীতে ওঠার পর অনুমতি নিয়ে গাড়ী স্টার্ট দিল। প্রথমে অনেকক্ষণ চুপ করেই গাড়ী চালাচ্ছিল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

চারিদিকে বকধার্মিকদের আস্ফালন!!

লিখেছেন ঘূণে পোকা, ১৯ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৭

জাতি হিসেবে দিনে দিনে আমাদের মধ্যে এক অদ্ভুত মানসিকতা গড়ে উঠছে।
আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্যকে বিচার করার এক অসাধারন দক্ষতা অর্জন করতে শিখে গেছি। আমাদের এই জাজমেন্টাল মেন্টালিটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন জনকের চোখে

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৬


আমি ছিলাম আল্লাহর কাছে প্রার্থনারত
হসপিটালের ফ্লোরে —পরিবারের সবাই
প্রতীক্ষার ডালি নিয়ে নতমস্তকে —আসিতেছে শিশু
ফুলের মতোন — ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শুভাগমন
কোন সে মহেন্দ্র ক্ষণে — পরম বিস্ময়ে সেই
... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা প্রেম!

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০



ইনবক্সের প্রেমের আর কী বিশ্বাস বলো
এসব ধুচ্ছাই বলে উড়িয়ে দেই হরহামেশা
অথচ
সারাদিন ডেকে যাও প্রিয় প্রিয় বলে.....
একাকিত্বের পাল তুলে যে একলা নদীতে কাটো সাঁতার
সঙ্গী হতে ডাকো প্রাণখুলে।

এসব ছাইফাঁস আবেগী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগারদের কিছু ফেসবুক ছবি

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৭


হাজী জুম্মুন আলি ব্যাপারী
:P

জাহিদ অনিক
এখানে কেউ খোঁজে না কাউকে কেউ যায়নি হারিয়ে।

গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই।

শাহিন বিন রফিক
... ...বাকিটুকু পড়ুন

×