somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আর কতমাইল দুরে সেই গৃহযুদ্ধ

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গনতন্ত্র জন্ম হলো পার হলো দীর্ঘ ৪২ বছর। একটি স্বাধীন পতাকার জন্মর সাথে সাথে জন্ম হলো একটি সন্তান সেই সন্তানের বয়স ৪২ বছর। সেই সব সন্তানরা আজ যুবক হয়েছে তাদের উপর অনেক দায়িত্ব পড়েছে, পরিবার বা সমাজের সকল কাজের সিদ্ধান্ত এখন তাদের হাতে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীন পতাকার বয়স মনে হচ্ছে কারও হাতে গুচ্ছিত রয়েছে। তাই তো আমরা বিচারকে মানিনা, বিচার ব্যবস্থার উপড় শ্রদ্ধা কমতে শুরু করেছে কেন এমন হবে। যদি রাষ্ঠ বা পতাকার বয়স কারও হাতে তালুবন্ধি না থাকে তাহলে ছেড়ে দিন বিচার ব্যবস্থা আপন গতিতে চলবে এটা রাষ্ঠের ভিত্তি এটা জাতীয়মুল্যবোধ। দেখবেন শাহাবাগ গনজমায়েত হবে প্রতিটি গ্রামে তা জাতীয় ঐক্যের দিকে কোন দলের নয়। স্বাধীনতা সময় যে ছেলে বা মেয়েটির জন্ম হয়েছিলো সিদ্ধান্তগুলো কাউকে নিতে হযনা সে নিজেই নেয়।আজ সাধারন মানুষের ভীত কাজ করছে ঘর থেকে বাহির হওয়ার সময় স্ত্রী সন্তান সঙ্খীত। মনে হচ্ছে দেশে যুদ্ধ চলছে। এই ভাবে চললে গৃহযুদ্ধ আর কতদুর পরে? একদিকে ক্ষমতা অন্যদিকে নিজেদের আদিপত্তর লড়াই। সত্যমিথ্যা রাজনীতিতে বৈধ সেই আগে থেকে। সাধারন মানুষ আমরা দেখছি, একদিকে ধর্মীয়মুল্যবোধে আঘাত এর ইস্যু অন্যদিকে জাতীয়তামুল্যবোধের উপর আঘাত আনার ইস্যু। এই ইস্যু নিয়ে পক্ষ বিপক্ষ কতটুকু সাধারন মানুষের উপকারে আসবে আপনারা কেউ কি ভেবেছেন?
আমরা দেখেছি ১৯৪৬-৪৭ সালে ভারত-পাকিস্থান বিভাজনের সময় ধর্মীয় মুল্যবোধ সক্রিয় ভুমিকা পালন করার কারনে পঞ্চাব ও বাংলা প্রদেশের হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা লেগে যায়। ফলশ্রুতিতে সমগ্র ভারতবর্যে এই দন্দ্ব বাতাসের সাথে ভাসতে থাকে। ফলে ১৯৪৭ সালের জুন মাসে জাতীয়তাবাদী নেতৃবৃন্দ ধর্মেরব উপর ভিত্তি করে হিন্দু ও শিখ সংখ্যাগুরু অঞ্চলগুলি ভারতে ও মুসলমান সংখ্যাগুরু অঞ্চলগুলি নিয়ে পাকিস্থান আলাদা রাষ্ট হয়।
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে পুর্ববাংলায় জাতীয়তাবাদি মুল্যবোধ জেগে উঠে। রাজনৈতিক দলগুলোর এক পক্ষ ধর্মীয় মুল্যবোধ নিয়ে জনগনের সামনে দাড়ায়, অন্যপক্ষ জাতীয়তা তথা বাঙ্গালীবাদি মুল্যবোধ চেতনা নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে। ধীরে ধীরে গনজাগরনে রুপ নেয় বাঙ্গালীবাদি মুল্যবোধ এর ফসল বয়ে আনে ১৯৬৯ এর সরকার বিরোধী বিক্ষোপ অতপর ১৯৭১ সালে পুর্ব বাংলার সব রাজতিক প্লাটফরম, শুসিল সমাজের ও সব ধর্মের ধর্মীয় ফ্লাটফরমগুলো ঐক্য হয় এর মাধ্যেই কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নিজেদের সুবিধা নিতে গিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পরে।সেই ১৯৭১ সালের পটভুমি আজকে ২০১৩ সালে পটভুমি কি এক? সরকার বিরোধী শ্লোগান ছাড়া কোন আন্দোলন সফল হয়নাই এটা ইতিহাস বলে। একদিকে নাস্তিক/ আস্তিক যারা আ্ওয়ামীলিগ তাদের দিকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ঐ দেখ ওরা ইসলাম ধর্মের অপমান করছে আর এই দল হাত দিয়ে ইশরা করছে ঐ দেখ আমাদের জাতীয়তাবাদি মুল্যবোধে আঘাত হেনেছে ওরা জাতীয়তাবোধের অস্তিত্ব রাখবেননা। এই ভাবে জাতি দুই ভাগে ভাগ হবেই হোকনা জাতিয়তাবাদি বনাম ধর্মীয়মুল্যবোধ ।
সাধারন মানুষ চায় মেৌলিক অধিকার নিশ্চিত একটি সমাজ। আর সমাজ ঘিরে যড়যন্ত্র, কে দিবে সমাজের নিরাপত্তা? কেউ কি পারবে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে? ঢাকা থেকে শুরু হয়ে গ্রামে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে হিংস্র দুই পক্ষের শ্রোগান আর সেখানেই দুপক্ষের লড়াই। ভাইয়ের শত্রু ভাই অযথা ব্যবধান বাড়ছে হয়ত কেউ হাসছে। যে কার্যক্রম চলছে তাতে ভাবছি আর কতমাইল দুরে সেই গৃহযুদ্ধ?
জিসিবর্মন স্বপন
[email protected]
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×