সবার প্রথমে সবাইকে আমার পক্ষথেকে শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা।
সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচাইতে বড় উৎসব দূর্গা পূজার শুরু আজ থেকে। আজ ভোরে চন্ডী পাঠের মাধ্যমে মা দূর্গাকে স্বর্গলোক ছেড়ে মর্ত্যলোকে আসার আমন্ত্রন জানানো হবে এবং শুরু হয়ে যাবে দূর্গাপূজার ক্ষন গননা। দেবী দূর্গার ভক্তবৃন্দ এই দিনে গঙ্গা নদী তীরে আত্নীয় পরিজন ও পূর্ব পূরুষদের আত্নার সদ্গতি প্রার্থনা করেন।
মহালয়ার ঠিক সাত দিন পর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে মূল পক্রিয়া শুরু হবে।
এবার ৩০ শে সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজা
১ লা অক্টোবর সপ্তমী
২ রা অক্টোবর অষ্টমী
৩ রা অক্টোবর নবমী
এবং
৪ র্থ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালন করা হবে।
দেবী আসা ও যাবার ক্ষেত্রে যে নিয়ামক অনুযায়ী উহা নির্ধারিত এবং তার ফলাফল কি তা নিন্মরুপ।
“রবৌ চন্দ্রে গজারূঢ়া, ঘোটকে শনি ভৌময়োঃ, গুরৌ শুক্রে চ দোলায়াং নৌকায়াং বুধবাসরে।”
যার অর্থ হলো সপ্তমীর দিনে যদি রবিবার এবং সোমবার হয়, তাহলে দুর্গার আগমন ও গমন হবে গজে।
ফল-“গজে চ জলদা দেবী শস্যপূর্ণা বসুন্ধরা”।
ঠিক এই রকমই শনিবার ও মঙ্গলবারে দুর্গার আগমন ও গমন হলে, ঘোটকের প্রভাব থাকবে।
ফল-“ছত্রভঙ্গস্তুরঙ্গমে”।
যদি বুধবারে দেবী দুর্গার আগমন ও গমন হয়, তাহলে তিনি আসবেন এবং যাবেন নৌকায়।
ফল-“শস্যবৃদ্ধিস্তুথাজলম”।
আবার দুর্গার আগমন ও গমন যদি বৃহস্পতি ও শুক্রবারে হয় তাহলে তিনি দোলায় আসবেন এবং যাবেন।
ফল-“দোলায়াং মরকং ভবেৎ”।
এবার দেবী দূর্গা নৌকাতে চড়ে মর্ত্যলোকে আসবেন এবং পালকিতে চড়ে স্বর্গোলোকে ফিরে যাবেন। প্রতি বছর গজ, ঘোটক, নৌকা, দোলা এইসব যানবাহন করে দেবী দুর্গার মর্ত্যে আসা ও যাওয়ার সময় শুভ, অশুভ, ক্ষয়ক্ষতি ও নানাভাবে মানুষের মৃত্যুসংবাদও শোনা যায়।এবারের দেবীর আসা যাওয়ার সূত্র অনুযায়ী বলা যায় শষ্য ও জল বৃদ্ধি অপর দিকে মড়ক।
সে যাই হোক দেবী দূর্গার আগমন আমাদের এই দেশের সকল মানুষের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা বয়ে নিয়ে আসুক।জাতি হিসাবে আমরা সবাই একসাথে মিলেমিসে থাকতে পারি।মনের ভেতরের অসুরকে যেন দমন করতে পারি ,দূর্গা পূজোর প্রারম্ভে এই হোক আমাদের সবার প্রার্থনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





