![]()
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উপর অনেক সিনেমা তৈরী হয়েছে তার মাঝে দেখা হয়েছে খুব কমই তথাপি যতগুলি সিনেমা আমি আজ পর্যন্ত দেখেছি তার মধ্যে সবচাইতে সেরা হচ্ছে “লাইফ ইজ বিউটিফুল” সিনেমাটি। ২০ শে ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইতালিতে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি দেখার পর যে কেউ বলতে বাধ্য হবেন যে এটা একটা মাস্টারপিস মুভি।মুভিটির অরিজিনাল টাইটেল হল “লা ভিটা ই বেলা”।
গল্পের সারাংশ এমন,
গল্পের নায়ক গুইডু ও তার প্রেমিকা ডোরার প্রেম ও বিবাহ বন্ধন এর ঘটনা দিয়ে ঘটনার শুরু যাতে মিসে আছে হাস্যরসাত্নক ভাবনা।এর পরের অংশে গুইডু ও ডোরার একমাত্র ছেলে জোসুয়ার সাথে তার বাবার মিথ্যে সাজানো গল্পের এক নির্মম ঘটনা।খুব অল্পে বলতে গেলে এতটুকুই ঘটনা কিন্তু দেখার পর বোঝা যাবে জীবন কতটা নির্মম হতে পারে,যুদ্ধ কতটা আঘাত করে মানুষকে।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে একটি ইয়াহুদী পরিবারের উপর কেমন নির্যাতন করা হয়েছে তার খানিক বর্ননা। সুখ যেমন চিরকাল থাকে না তেমনি দুঃখও চিরকাল থাকে না এই সিনেমা দেখলে তা হাড়ে হাড়ে বোঝা যাবে।আমি সমগ্র পৃথিবীর সব বাবাদের এই সিনেমাটি দেখার জন্য অবশ্যই সাজেস্ট করব।
মুভিটির পরিচালক রবার্টো বেনিগিনি তার এই মুভিতে সকল দিক থেকে সফল একজন পরিচালক।পুরো মুভিতে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য আমার নজর কেড়েছে গুইডো ও তার ছেলে জোসুয়া।পুরো মুভি দেখার পর আমার মনের ভেতরটা পুরোপুরি ওলট পালট হয়ে গিয়েছিল।আসলে মন ছুয়ে যাওয়ার এ এক দারুণ উপাখ্যান।
ও আরেকটা কথা প্রথম অর্ধেক মুভি দেখে অনেকেই মিস আন্ডারস্ট্যান্ড করে বসতে পারেন।তাই তাদের জন্য বলব একটু সবুর করেন শেষ পর্যত্ন দেখুন।
বেস্ট এক্টর,বেস্ট মিউজিক,বেস্ট ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ ফিল্ম হিসাবে অস্কার পাওয়া এই মুভিটি তাহলে দেখেই ফেলুন।অস্কার ছাড়াও আরো অনেক পুরষ্কার কিন্তু পেয়েছে মুভিটি তার লিস্ট অনেক লম্বা,তাই দিতে পারলাম না।
ডাউনলোড করতে চাইলে গুগল করুন খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।
তারপর ও সমস্যা হলে নিচে কমেন্টস বক্স আছে আর আছি আমি। সিনেমা এইটা দেখতেই হবে। তারপর বলতে হবে রিভিউ লেখা ঠিক আছে কিনা।আর রিভিউ লিখতে গিয়ে আইএমডিবি এর কাছে আমি ঋণী।
সবাই সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৫ সকাল ১১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






