শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফোরিডার এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। সিআইপি মর্যাদাও পেয়েছেন তিনি। রিয়াল এস্টেটসহ তার অন্য ব্যবসায় 30 কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জয়ের মা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি এ সমঙ্ত্তি অর্জন করেন। সমঙ্্রতি প্রকাশিত এক লিফলেটে এ সব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইংরেজি সাপ্তাহিক প্রোব।
প্রোব জানায়, শেখ হাসিনা শাসনামলের বিভিন্ন দুর্নীতির ফিরিস্তি নিয়ে প্রকাশিত ওই লিফলেটে এ সব প্রতিকারের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। 'উপেতি জনগণ'-এর নিবেদনে প্রকাশিত ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, সীমাহীন দুর্নীতি ও রাজনীতিকদের লোভ-লালসা দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি শেখ হাসিনার মতো দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিচার না করে, জনগণ সে বিচারের ভার নিজেদের হাতে তুলে নেবে বলেও হুমকি দেয়া হয়েছে ওই লিফলেটে।
লিফলেটে হাসিনা সরকারের আমলের কিছু দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ঘোড়াশাল তাপ ও বিদু্যৎ কেন্দ্রের আধুনিকায়ন ও পুনর্বাসন প্রকল্পেন কাজে ব্যাপক স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি করেছেন হাসিনা। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ আনা হয়েছে, ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ স্থাপনে তিনি ও তার মন্ত্রী নাসিম ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন, ভোলা, হরিপুর ও সিদ্ধিয়গঞ্জে বিভিন্ন বিদু্যৎ কেন্দ্রে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও কালপেন করেছেন, ভারত থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে বেশি মূল্যে খাদ্যশস্য ক্রয় প্রক্রিয়ায় পার্সেন্টিজ গ্রহণ ও বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয় করেছেন।
মিগ-29 বিমান ক্রয়, সার কারখানা স্থাপন, রাজউকের গুলশান, বনানী ও উত্তরা এলাকায় প্লট বরাদ্দ, ভলভো বাস ক্রয় এমনকি নির্বাচনী বাণিজ্যে দুর্নীতিরও বিবরণ দেয়া হয়েছে ওই লিফলেটে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


