somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কে.এফ.সি (KFC) এবং একটি প্রেরণামূলক জীবণবৃত্তান্ত।

২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৫ বছর বয়সে তাঁর বাবা মৃত্যুবরণ করেন,
১৬ বছর বয়সে তিনি পাঠশালায় যাওয়া ছেড়ে দেন,

১৭ বছর বয়সে তিনি চার চারটে চাকুরী হারিয়ে ফেলেন,

১৮ বছর বয়সে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন,

তিনি আইন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাতে অকৃতকার্য হন,

সেনাবাহিণীতে যোগদান করতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাতেও অকৃতকার্য হন।

১৮-২২ বছর পর্যন্ত তিনি ছিলেন রেলপথের কন্ট্রাক্টর কিন্তু ব্যর্থ,

১৯ বছর বয়সে তিনি পিতা হন,

২০ বছর বয়সে তাঁর স্ত্রী তাকে ত্যাগ করেন এবং একমাত্র কণ্যা সন্তানকে সাতে নিয়ে যান,

এর পর তিনি একটি ছোট ক্যাফেটারিয়াই বাবুর্চি এবং থালা বাসন ধোয়ার কাজে নিযুক্ত হন.

তিনি তার মেয়েকে কিডন্যাপ করতে চেয়েছিলেন তার স্ত্রীর কাছ থেকে কিন্তু ব্যর্থ হন এর পর স্ত্রীকে মানিয়ে ঘরে আনতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাতেও ব্যর্থ হন।

৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসর গ্রহণ করেন, অবসর গ্রহণের প্রথম দিন তিনি সরকার এর নিকট থেকে ১০৫ ডলারের একটি চেক পান। তিনি উপলব্ধি করলেন যে সরকার তাকে বোঝাতে চেয়েছে যে তিনি নিজের জন্য উপার্জন করতে ব্যর্থ। ফলস্বরুপ তিনি আত্মহত্যা করার জন্য মনোবাসনা স্থির করলেন কারণ তিনি এত পরিমাণ ব্যর্থ হয়েছিলেন যে তার কাছে বেঁচে থাকা নিরর্থক মনে হলো। তিনি একটি গাছের নিচে তার সম্পদের উইল লেখার জন্য বসলেন কিন্তু উইল না লিকে লিখলেন জীবণে তিনি কি কি অর্জন করতে পারতেন। এরপর দেখলেন যে এমন অনেক কিছু আছে যা তিনি এখনো করেননি কিন্তু করা প্রয়োজন। কর্ম জীবণে তিনি নিজের একটি রেসিপি খুব ভালোভাবে জানতেন যা আর কেউ জানতো না। অতঃপর তিনি তার ১০৫ ডলারের চেকের বিপরীতে ৮৭ ডলার ঋণ নেন এবং তার রেসিপি অনুযায়ী রান্না করে পাড়া প্রতিবেশীদের দরজায় গিয়ে গিয়ে তা বিক্রি করেন। ৬৫ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যা করতে গিয়ে মনবাসনা পরিবর্তন করেন এবং এই কাজ শুরু করেন শুধু মাত্র ৮৭ ডলার নিয়ে। ঘটনাটি আমেরিকার কেনটাকী অঞ্চলের আর সেই ব্যক্তি হলেন Colonel Harland David Sanders, যার সম্পদের পরিমান ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত ছিল দুই মিলিয়ন ইউ এস ডলার্স, আর কারো কথা নয় বলছি বিশ্ববিখ্যাত রেস্টুরেন্ট KFC (Kentucky Fried Chicken) এর উদ্যোক্তার জীবণ কাহিণী যেই রেস্টুরেন্ট এর বর্তমানে ৬০০ ও বেশী শাখা পৃথিবী জুড়ে আছে এবং সেই সম্পদের পরিমাণ মিলিয়ন নয় বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে শুধু মাত্র ৮৭ ডলার এবং নিজের সৃষ্ট সামান্য একটি মুরগীর মাংসের রেসিপি থেকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:৫২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

শুধু ভারত বিদ্বেষই না।

মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,

/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।

/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×