ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান
অর্থবছরের বাজেট
অধিবেশনে মাননীয়
প্রোভিসি মহোদয় বলেছিলেন
"আইফোন ব্যবহার করা কোটিপতিদের
ছেলে মেয়েরা কেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩
টাকা বেতনে পড়বে " সূর্যসেন হলের
একটি অনুষ্টানে ট্রেজারার কামাল
উদ্দিন স্যার একই রকম ইঙ্গিত
দিয়েছিলেন একটি কম্পিউটার ল্যাব
এর জন্য অর্থায়নের অনুরোধ করায় ।
গতকাল সৌমিত্র শেখর স্যার ওএকই
কথা বললেন অন্য প্যাটার্নে"সিটি
কলেজে ৭০০
টাকা বেতনে পড়ে আসা একজন ছাত্র
কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩
টাকা বেতনে পড়বে"স্যার গভর্নমেন্ট
কলেজগুলোর
কথা এড়িয়ে গিয়ে সিটি কলেজের
প্রসঙ্গ তুললেন ।স্যার হয়তো জানেন
ঢাবিতে পড়তে আসা ৮০ শতাংশ
ছেলেমেয়ে কিভাবে তাদের
লাইফ লিড করে ।একদিন হল
ক্যান্টিনে খাইলে ,গনরুমে থাকলে হয়ত
বুঝতেন ১৩ টাকা বেতনের আসল
মর্মটা কি ? আসলে আমরা সকাল
বিকাল খোলস
পাল্টাই,চাকরি পাওয়ার
আগে চাকরিতে প্রবেশ সীমা ৩৫
করারজন্য আন্দোলনে যাই ,অথচ
চাকরি পাওয়ার পরে যখন
নীতি নির্ধারক হই তখন অবসরের বয়স
বাড়ানোর ফাইল পাশ করি ।চাকরির
প্রবেশের বয়সসিমার অর কোন খোঁজ
থাকে না ।আমাদের শিক্ষকদের
অবস্হা ঠিক একই রকম ,যখন ছাত্র ছিলেন
তখন বেতন ফি বৃদ্ধি পেলেই আন্দোলন
করতেন ,আর যখন শিক্ষক হয়ে যান তখন
অতীত আর মনে রাখেন না ।ছাত্র
বেতন বাড়াও ,ইভেনিং কোর্স
খোল,অবসরের বয়স ৬৭ কর ইত্যাদি হয়
তাদের নিত্য দিনের বুলি ।জাফর
ইকবাল স্যার কদিন আগে এর
বিরুদ্ধে একটি কলাম লিখেছিলেন ।
তারেক শামসুর রহমান স্যার
যুগান্তরে লিখেছিলেন
যারা কখোনো ঢাবি বা জাবিতে পড়ার
স্বপ্ন দেখেনি তারা এখন টাকার
জোরে ইভেনিং ডিগ্রী নিয়ে যাচ্ছে ।
প্রিজ এই লোগো বেচবেন না ,এ
লোগো গরীব ধনীরা মেধার
জোরে অর্জনকরে ।এসব
না করে ইউজিসিরকে বলুন নতুন
বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন
না করে বিদ্যমান গুলোকে পর্যাপ্ত
বাজেট দিতে না হলে বন্ধ
করে দিতে ।
উচ্চশিক্ষাকে বাণিজ্যিক
পণ্যে পরিনত করবেন না ।শিক্ষা খাত
ই রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের সবচেয় সফল
খাত ,এ বিনিয়োগ
কখনো বিভলে যায়
নি যাবে না,তাই উন্নত বা অনুন্নত
দেশ হোক না কেন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




