ভোরের কাগজ : ০৪/১০/২০১৪
গোলাম মহিউদ্দিন নসু, বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) থেকে : নোয়াখালীতে ছোট-বড় শতাধিক বাজারে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। কিন্তু ‘হাসিল’ শতকরা কতো আদায় করা হবে এমন তথ্য প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্তারা জানাতে পারেনি। অজ্ঞাত কারনে তারা অন্ধকারে রয়েছেন। বিভিন্ন বাজার ঘুরে গতকাল শুক্রবার সকালে জানা গেছে, স্থানীয় এবং আমদানী করা কোরবানীর পশুর জমজমাট বাজারে নানা সাইজের গরু ছাগল ভেড়া উঠেছে। এরমধ্যে দেড় লাখ টাকা মূল্যেরও অনেক কিছু গরু রয়েছে বলে ব্যাবসারীরা জানিয়েছেন। তবে কয়েকটি বাজার থেকে জানা গেছে, পশু বিক্রয়ের পর হাসিল নিয়ে কিছুটা বিতর্ক হচ্ছে। ইজারাদারদের লোক হাজারে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা দাবী করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হাসিলের শতকরা রেইট জানতে জেলার বেগমগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জসহ একাধিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে আলাপ করেও হাসিলের নির্ধারিত রেইট জানা যায়নি। চৌমুহনী পৌর মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সল ও সচিব কাইয়ুম উদ্দিন জানান, চৌমুহনী পৌরসভাধীন বাজারে শতকরা ৩ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। যা জেলা প্রশাসন থেকে অনুমোদিত। নোয়াখালী পৌরসভার দক্তের হাট বাজারসহ পৌরসভাধীন সকল বাজারে শতকরা ৩ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একজন কর্মচারী জানান, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ বাজারের হাসিল রেইট নির্ধারণ করার কথা। কিন্তু জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌস বলেন, পৌরসভাধীন হাটের হাসিল রেইট করবেন পৌর কর্তৃপক্ষ, পৌরসভার বাহিরে উপজেলার হাটের হাসিল রেইট ঠিক করবেন উপজেলা প্রশাসন, যা সরকারী নীতিমালায় রয়েছে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



