সাত কোটি টাকা বরাদ্ধের নির্মানাধীন ব্রিজে লোহার রডের বদলে জিআই তার
গোলাম মহিউদ্দিন নসু,বিশেষ প্রতিনিধি,নোয়াখালীঃ
নোয়াখালীর হাসান হাট বাজার সংলগ্ন নির্মানাধীন ব্রিজে রড ব্যবহার না করে জিআই তার ব্যবহার করা হয়েছে। আনুপাতিক হারে সিমেন্ট কম দিয়ে ঢালাই কাজ করা হচ্ছে। এমন সব অভিযোগ করে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে উত্তেজিত জনতা বেশ কিছু নির্মানাধীন অংশ ভেঙ্গে ফেলে। বিষয়টি বিভিন্ন সামজিক মিডিয়াতে প্রকাশ করলে ঘটনার সত্যতা মিলে। বর্তমানে ব্রিজের চলমান কাজ বন্ধ রয়েছে।
জেলার মাইজদী বাজার থেকে প্রায় ৪ কিঃমিঃ পূর্বে একলাশপুর-শরীফপুর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ন এ ব্রিজটি দিয়ে ২০২২ সালে একটি ট্রাক পার হতে গিয়ে ভেঙে পড়ে। ব্রিজটির গুরুত্ব বিবেচনা করে ঔ বছরেই ২২ ল্খা টাকা ব্যায়ে একটি বেইলী ব্রিজ নির্মান করে পারাপারে অস্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন-২০২৪ সালে ব্রিজটি ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে পূন নির্মানের কাজ শুরু করা হয়।কাজের শুরু থেকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজের মধ্যে নানা প্রকারের দূর্নীতি-অনিয়ম করার কারনে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলেও কোন প্রতিকার হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।
একলাশপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার সেলিম মিয়া আরো জানান,কাজের শুরু থেকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের প্রতবাদ করছিল এলকাবাসী। কিন্ত কোন প্রতিকার পায়নি। গত ২/৩ দিন থেকে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু অংশ ভেঙ্গে ফেলে রডের পরিবর্তে জিআই তার দেয়া,সিমেন্টের পরিমান কম দেয়ায় সাইডের রেলিংসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে পড়তে দেখে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ন বিধায় এর কাজের মান আরো অনেক ভালো হওয়া উচিত ছিল।
চলমান কাজটির বিষয়ে জানার জন্য দায়িত্বরত সহকারী প্রকৌশলী নাজমূল হককে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মনসুর আহাম্মদ আহমেদ জানান, “তিনি বুধবার সকালে সরজমিন পরিদর্শন করেছেন। ঠিকাদার তাদের অগোচরে রডের পরিবর্তে যে সব জায়গায় জিআই তার ব্যবহার করেছে-সে গুলো অপসারন করে সম্পূর্নœভাবে নতুন করে আবার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ঠিকাদারের বরাতে বলেন- শ্রমিকরা ঠিকাদারকে না জানিয়ে কিছু অনিয়ম করেছে। যা ঠিক করে দিবেন।’ টিকাদারের এ যুক্তি গ্রহন যোগ্য নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে পাওয়া ঠিকাদার ফরহাদ সৌরভের নাম¦ারে ফোন দিয়ে বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। তাই ঠিকাদারের বক্তব্য নেয়া যায়নি।
স্থানীয় জনসাধারনেরর দাবী জনগুরুত্বপূর্ন এ ব্রিজের কাজে যারা দূনীর্তি করছে- তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




