somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এ যেন এক অদ্ভুত শিক্ষকতা !!!

২৫ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এটা নতুন করে বলার কিছু নেই যে একটি জাতির উন্নতির সবচেয়ে বড় সোপান হল ''শিক্ষা''।
আর তার জন্য প্রয়োজন অনেক ভালো মানের শিক্ষক। যেহেতু স্কুল শিক্ষার প্রথম লেভেল টা হল ''প্রাইমারী স্কুল'', সেহেতু আজ আমি এটা নিয়েই কিছু বলার চেষ্টা করবো।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা আমাদের শিক্ষক কে ''Role Model'' ভেবে তাকে অনুসরণ করতে থাকি। তবে সেক্ষেত্রে প্রাইমারী র শিক্ষক দের সংখ্যা টাই বেশি যাদের আমরা একটু বেশি ই মনে রাখি। তাই জাতি কে খুব ভালো জায়গায় নিতে হলে অবশ্যই প্রাইমারীর শিক্ষক দের সেরা মানের হতে হবে। কারণ তারা মানুষ গড়ার কারিগর, তাঁদের উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে।
কিন্তু আজকাল আপনি খুব ভালো করে দেখেন বর্তমান সমাজে যারা মোটামুটি কোন জায়গায় চাকরি পায় না, তারা যেয়ে এখানে চাকরি নেয়। কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে সুযোগ কম, বেতন কম, খুব লোভনীয় না ইত্যাদি ইত্যাদি, তারপরে কোটা তো আছেই।
কিন্তু আসলেই কি এরকম হওয়ার কথা ছিল?
আমার দৃষ্টিতে এই চাকরির প্রার্থী গুলো নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই এটি
সকল সমঝোতার উরধে থাকতে হবে। নাহলে কলঙ্ক আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে।

এবং যারা এ পেশায় নিজেদের যোগ্য বলে মনে করবে তাদের ও ১ টা ব্যাপার খেয়াল রাখা উচিত, সব মেধাবী স্টুডেন্ট ই সবক্ষেত্রে ভালো শিক্ষক হয়ে উঠতে পারে না। এবং সকল ক্ষেত্রে মনে রাখা উচিত একজন শিক্ষক কে খুব ভালোভাবে পড়ানোর চেয়ে স্টুডেন্টের সাথে friendly minded হয়ে উঠা খুব বেশি জরুরী। আমি এখানে friend হওয়ার কথা বলছি না, কিন্তু friendly minded হওয়ার কথা বলছি। কারণ friendly minded না হতে পারলে সে ও তার স্টুডেন্ট কে বুঝবে না, আর তার স্টুডেন্ট ও তাকে বুঝবে না। তাই তার সকল চেষ্টাই ব্যার্থ। তবে কারো মাথা খুব বেশি গরম থাকলে তার এই পেশায় না আসাটাই ভালো। কারণ সে তো নিজেকেই control করতে পারে না, স্টুডেন্ট দের কিভাবে control করবে ???????????
এবং মনে রাখা উচিত খুব ভালো করলে ঝাড়ি মারলেই খুব ভালো টিচার হওয়া যায় না।

সেক্ষেত্রে আমাদের সরকারকে প্রাইমারী স্কুল এর শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এই পদের জন্য আরও অনেক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করতে পারেন, যেন খুব যোগ্যতা বান শিক্ষক কে প্রাইমারী স্কুলে দেখা যায়, যেন জাতি সামনের দিকে এগোতে পারে।

-----(গোলাম রাব্বানী)
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×