বেশ কিছুদিন আগে কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন দেশ জঙ্গিতে ভরে গিয়েছে। উনার সে কথার জন্য বাংলাদেশ কে বেশ বেগ পোহাতে হয়েছিলো। এবং সে কথার সুত্র ধরে উন্নত দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের এক ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
আগেই বলে রাখি, ''জঙ্গি ইজ এ ভেরি ডেঞ্জারাস টার্ম''
তালেবান, আল কায়দা, আইএস এরা হচ্ছে জঙ্গি। চাইলেই মুহূর্তে সব শেষ করে দিতে পারে। বাংলাদেশে এখনও সে অবস্থা হয় নি, আর এটাই আমাদের জন্য আশার বানী। তবে লক্ষণীয় ভাবে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদিতা/নৈরাজ্য বেড়ে যাচ্ছে। জঙ্গি আর সন্ত্রাস এক জিনিস নয় সেটা সকলকে বুঝতে হবে।
''আই রিপিট জঙ্গি ইজ এ ভেরি ডেঞ্জারাস টার্ম''
একের পর এক বিদেশী নাগরিককে খুনের ঘটনায় দেশের এখন এক বেহাল অবস্থা।
আজ খবরের কাগজে দেখলাম ''মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন বিদেশী নাগরিক হত্যায় বিএনপি/জামাতের হাত আছে''
আমি/আপনি/আমরা সবাই জানি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে যে কথা বলেছেন ওটা তিনি ''পলিটিক্যাল ওয়ে'' তে বলেছেন। ভেরি গুড! তবে এ ধরনের কথা গুলো তাঁকে আর বেশী ভেবে চিন্তে বলা দরকার। কারণ তাঁর এক একটা কথার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। কারণ বিদেশীরা এখন বাংলাদেশ বলতে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ চিনে। তাই সেখানে হাসিনার এমন কিছু বলা উচিত না যেটা তাঁর নামের সাথে অবিচার করা হয়।
''হোয়াটএভার আই সে হেয়ার, দেট ইজ ভেরি মিউন''। আমি এখানে বিএনপি/জামাত কে প্রোটকল দিচ্ছি না। আমার কথা হচ্ছে, বিএনপি/জামাত যদি এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে প্রমাণ সহ তাদের এগেইনস্ট এ একশন এ যান। কিন্তু কোন প্রমাণ ছাড়া দায়িত্বশীল মানুষের পক্ষে এ ধরনের কথা মানায় না।
তবে এটা সত্যি যে, এডুকেশন ব্যাতিত অন্যান্য সেক্টর গুলোতে দেশ মোটামুটি উন্নতি করছে। এই উন্নতির ব্যাঘাত ঘটাতে একটা মহল নানাভাবে ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। সেজন্যই একের পর এক বিদেশী নাগরিক কে খুন করে উন্নত দেশ গুলো যেন বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সেজন্য সরকার কে অনেক সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশ সরকার চাইলেই এ প্রতিরোধ সম্ভব। কারণ আমাদের গর্ব করার মত অনেক কিছু আছে, অনেক কিছু !!! আমরা চাই এর একটা সুরাহা হোক, যেন বাংলাদেশ কে সবাই নিজের মায়ের ভূমি মনে করে এখানে আশ্রয় নিতে পারে।
---গোলাম রাব্বানী
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




