somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

'হৃদকথন' বইটি হল অনুভূতির গল্প আর শুদ্ধতম ভালোবাসার আখ্যান।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



'হৃদকথন' উপন্যাস সম্বন্ধে ছোট করে বলতে গেলে, এটা হল সম্পর্কের গল্প, অনুভূতির গল্প, বহু দূরে থেকেও গভীর করে ছুঁয়ে দেওয়ার গল্প আর শুদ্ধতম ভালোবাসার গল্প। আজ থেকেই পাওয়া যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলার '১১২-১১৩-১১৪' নং স্টলে।

হৃদকথন বইয়ের ভূমিকা এখানে হুবহু তুলে দেওয়া হল।'

এই পৃথিবীতে সবচেয়ে পবিত্র শব্দটি হল ‘মা’। আর সবচেয়ে সুন্দর শব্দটি হল ‘ভালোবাসা’। ভালোবাসার মত এমন সুন্দর অনুভূতি ত্রিভুবনে আর একটিও নেই।

আচ্ছা ভালোবাসা মানে কী? কেবলই দিনের পর দিন একসাথে থাকা? নিয়ম করে একজন অপরজনকে ছুঁয়ে দেওয়া? কিংবা শারীরিক সম্পর্ক? এর বাহিরে কিছু নেই?

একটা সময় তো মানুষ বৃদ্ধ হয়ে যায়। তখন তো একজন অপরজনের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারে না। তখনও একজনের অভাব অপরজনকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তোলে কেন? কিংবা একজনের দুঃখে অপরজন লুকিয়ে চোখের পানি ফেলে কেন? সেটাও কি কেবলই মায়া? কেবলই মুগ্ধতা? এর বেশি কিছুই নয়? তাহলে ভালোবাসা কাকে বলে?

আসলে, ভালোবাসা ভীষণ অদ্ভুত। প্রবল রহস্যময়। অনেকে খুব কাছে থেকেও সাথে থাকতে পারে না। আবার কেউ কেউ কাছে না থেকেও সাথে থেকে যায়। অনেকে মুখ ফুটে অনেক কথা বলেও কিছুই প্রকাশ করতে পারে না। আবার কেউ কেউ চোখের ইশারাতে অনেক কথাই বলে দিয়ে যায়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, একই ছাদের নীচে থেকে পাশাপাশি বালিশে শুয়েও কেউ কাউকে ছুঁয়ে দিতে পারে না। কিন্তু শত সহস্র মাইল দূরে থেকেও একজন অপরজনকে খুব গভীর করে ছুঁয়ে দিয়ে যায়।

গোলাম রাব্বানী
২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭
রবিবার, রাত তিনটা বেজে সাতচল্লিশ মিনিট।
ধানমণ্ডি ৪/এ, ঢাকা।

প্রকাশনীঃ নওরোজ কিতাবিস্তান
স্টল নংঃ '১১২-১১৩-১১৪'
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকীর্ণ মন

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮


রাস্তার মোড় যেনো সংকীর্ণ মন
ঘর উঠনে রাখবে আর কত কাল
চোখের নেশায় লালসার আগুন
জ্বলছে নিভবে না আর অমরণ

কখন মন জানালায় দেখেছ পায়রা
ভাবনার সফলী মাঠে যাচ্ছে উড়ে
দেখো নাই যে শান্তির পায়রা মন-
সংকীর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×