
'হৃদকথন' উপন্যাস সম্বন্ধে ছোট করে বলতে গেলে, এটা হল সম্পর্কের গল্প, অনুভূতির গল্প, বহু দূরে থেকেও গভীর করে ছুঁয়ে দেওয়ার গল্প আর শুদ্ধতম ভালোবাসার গল্প। আজ থেকেই পাওয়া যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলার '১১২-১১৩-১১৪' নং স্টলে।
হৃদকথন বইয়ের ভূমিকা এখানে হুবহু তুলে দেওয়া হল।'
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে পবিত্র শব্দটি হল ‘মা’। আর সবচেয়ে সুন্দর শব্দটি হল ‘ভালোবাসা’। ভালোবাসার মত এমন সুন্দর অনুভূতি ত্রিভুবনে আর একটিও নেই।
আচ্ছা ভালোবাসা মানে কী? কেবলই দিনের পর দিন একসাথে থাকা? নিয়ম করে একজন অপরজনকে ছুঁয়ে দেওয়া? কিংবা শারীরিক সম্পর্ক? এর বাহিরে কিছু নেই?
একটা সময় তো মানুষ বৃদ্ধ হয়ে যায়। তখন তো একজন অপরজনের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারে না। তখনও একজনের অভাব অপরজনকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তোলে কেন? কিংবা একজনের দুঃখে অপরজন লুকিয়ে চোখের পানি ফেলে কেন? সেটাও কি কেবলই মায়া? কেবলই মুগ্ধতা? এর বেশি কিছুই নয়? তাহলে ভালোবাসা কাকে বলে?
আসলে, ভালোবাসা ভীষণ অদ্ভুত। প্রবল রহস্যময়। অনেকে খুব কাছে থেকেও সাথে থাকতে পারে না। আবার কেউ কেউ কাছে না থেকেও সাথে থেকে যায়। অনেকে মুখ ফুটে অনেক কথা বলেও কিছুই প্রকাশ করতে পারে না। আবার কেউ কেউ চোখের ইশারাতে অনেক কথাই বলে দিয়ে যায়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, একই ছাদের নীচে থেকে পাশাপাশি বালিশে শুয়েও কেউ কাউকে ছুঁয়ে দিতে পারে না। কিন্তু শত সহস্র মাইল দূরে থেকেও একজন অপরজনকে খুব গভীর করে ছুঁয়ে দিয়ে যায়।
গোলাম রাব্বানী
২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭
রবিবার, রাত তিনটা বেজে সাতচল্লিশ মিনিট।
ধানমণ্ডি ৪/এ, ঢাকা।
প্রকাশনীঃ নওরোজ কিতাবিস্তান
স্টল নংঃ '১১২-১১৩-১১৪'
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




