১। ঐতিহাসিক তথ্যের মূল সীমাবদ্ধতা তা ইতিহাসবিদের সত্যনিষ্ঠতার উপর নির্ভরশীল, তার মানে ইতিহাসবিদ যত কম সত্যনিষ্ঠ হবে, ইতিহাস তত বেশি বিকৃত হবে। একটি ঐতিহাসিক তথ্য যেই রেফারেন্স চেইনের মাধ্যমে বিবৃত হবে, সেই রেফারেন্স চেইনের মধ্যে একজন ইতিহাসবিদও যদি অবিশ্বস্ত হয়, তাহলে তারপরের জন থেকে আর ইতিহাসের বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না।
২। কোনক্ষেত্রে প্রথমক্ত সীমাবদ্ধতা যদি নাও থাকে, সময়ের সাথে সাথে ইতিহাসের তথ্যের বিস্তারিত বর্ননা হারিয়ে যেতে থাকবে।
৩। একটা ঘটনা প্রকৃত ভাবে কি ঘটেছিল, তা ঘটনা ঘটার কয়েকদিন পর বর্ণনা করার সময়ই ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির পারসেপশনের কারণে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উপস্থাপিত হয়। এই বর্ণনাগুলোই পরবর্তিতে ইতিহাসবিদরা সংগ্রহ করেন। কাজেই এখানে বর্ননাকারীর পারসেপশনের একটা প্রভাব থেকে যায়।
৪। বিজয়ী জাতি সবসময় ইতিহাস লেখে, যেমন ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ ব্যর্থ হলে শেখ মুজিবর রহমান এবং জিয়াউর রহমান হতেন বিশ্বাসঘাতক, আবার আওয়ামিলীগ এবং বিএনপির পলটিক্যাল প্রোপাগানডার কারণে এই দুইজন সম্পর্কে নিরপেক্ষ ধারণা খুব কম লোকেরই আছে।
একারণের কোন তথাকথিত জ্ঞানী যখন ৪০০০ বছরের পুরানো বিকৃত কোন ইতিহাসকে রেফারেন্স ধরে নাস্তিকগিরি ফলায়, এবং সেই তথাকথিত জ্ঞান গর্ভ পোষ্টে অন্যান্য তথাকথিত বিদ্যার জাহাজরা কমেন্ট করে মিছামিছি চরমপুলক লাভ করে, তখন সেইটাকে গুরুত্ব দেয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




