somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ গোফরান
জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

একটি লাস্যময়ী মেয়ে, শত জোড়া শকুন চক্ষুর লোলুভ দৃষ্টি, অত:পর একটি মানবিক কার রাইড।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ বড় অদ্ভুত! একটা ইস্যু পাইলেই হইল। শুরু হয়ে যাবে হাউকাউ। চলমান ট্রেন্সজেন্ডার ইস্যুতে ম্যাওপ্যাও পোস্টের ছড়াছড়ি। সত্যি বলছি - রোখসানা লেইস, কলা বাগান এর পোস্ট ছাড়া অন্য সব পোস্ট ম্যাওপ্যাও মনে হয়েছে। কেউ কেউ অহেতুক এখানে আল্লাহ ইসলাম কোরান হাদীসকে টানছে।সবকিছুর মধ্যে ধর্ম টানা রিয়েলি রিডিকোলাস। মৌলবাদীরা যথারীতি জঘন্য মিথ্যাচার করছে আল্লাহ নাকি পাপীদের শাস্তি দেয়ার জন্য হিজড়া সন্তান দেন। আচ্চা আল্লাহ কি এতই অমানবিক যে মা-বাবার পাপের কারণে একজন নিরপরাধ নিষ্পাপ এনজেল এর মতো পবিত্র শিশুকে হিজড়া বানাবেন। ব্লগার সোনাগাজী প্রতি পোস্টে পোস্টে গিয়ে বলছেন কে কোন জেন্ডার হবে বিষয়টি সায়েন্স এর। কিন্তু মুমিনগণ এখানে হিজড়া সন্তানের মা-বাবাদের শয়তানের পূজারী না বানিয়ে ক্ষান্ত হবেইনা। পৃথিবীর সবচেয়ে স্মার্ট মানুষ কারা জানেন? যারা কোন ইস্যু পেলে হাউকাউ শুরু না করে পুরা ব্যাপারটি গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তারপর সুচিন্তিত মতামত দেন।আর উক্ত বিষয়ে জ্ঞান না থাকলে চুপ থাকেন। কিন্তু আমাদের দেশের ৯৫% মানুষের পক্ষে কিছু একটা ঘটলে হাউকাউ না করে থাকা সম্ভব নয়। তাহেরী৷ হুজুর ওয়াজের নামে ফাজলামো করবে।ট্রেন্সজেন্ডার নিয়ে মন গড়া হাদীস বানাবে। আর মাহিফিলে প্রধান অতিথির আসনে বসে বলবে - "চা খাবেন? ঢেলে দেই?দেই একটু? বসেন বসেন - বইসা যান "
চলমান ইস্যু নিয়ে হাউকাউ করার মূড আমার নেই। কে কিভাবে তার লাইফ লীড করবে সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আর মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়, পছন্দ, লাইফস্টাইল ইত্যাদিতে যারা নাক গলায় ওরা আসলে ক্লাসলেস।


একদিন দেশের কোন একটি শহরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছিল। রাত তখন ১১ টা ছুইছুই। শীতকালে রাত ১১ অন্যান্য সময়ের রাত ১ টার সমান। রাস্তায় বেশী মানুষ থাকেনা। কোন এক সুন্দরী মেয়ে তার স্কুটি নিয়ে বাসায় ফিরছল। হঠাৎ তার স্কুটি নষ্ট হয়ে যায়। মেয়েটা এতই সুন্দর যে সেখানে কবি থাকলে প্রেমে পড়ে মুহুর্তের মধ্যে কবিতা লিখে ফেলতেন।কারণ কবিরা সাধারণত প্রেম ভরা মন হয়ে থাকে। কয়কশ জোড়া চোখ মেয়েটাকে গিলে খাচ্ছে। বেলি রোড স্টুডিও ইভিএফ থেকে শ্যুট শেষ করে বনানির দিকে যাচ্ছিলাম আমরা ৪ জন। আমাদের সাথে গাড়ি ছিল। মেয়েটির স্কুটি যেখানে নষ্ট হয়েছে সৌভাগ্যক্রমে সেখানে আমাদের একজনের বাসা। পরিস্থিতি কিছুটা ধারণা করতে পেরে গাড়ি থামানো হলো। আমাদের সাথে ওর চেয়েও সুন্দর একটা মেয়ে থাকায় তার সাথে কথা বলতে সুবিধা হল। শুধু ছেলেরা থাকলে মেয়েটি আমাদের ৪ জোড়া চোখকেও ১০০ জোড়ার মতো মনে করত। আমাদের সাথে ছিল সানা নামের একটি মেয়ে। সে কথা বলল। আমাদের পরিচয় জেনে মেয়েটা যখন নিশ্চিত হলো আমাদের বিশ্বাস করা যায় তখন ভেলি রোডে যার বাসা তার বাসায় স্কুটিটা ঐ রাতের জন্য রেখে আমাদের হেল্প নিতে রাজি হলো। তারে গুলশান ২ এ নায়িয়ে দেয়া হলো। সানা ফেসবুকে এড করল। মাত্র ৩৭ মিনিটে আমাদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেল।

আমাদের একজন তার প্রেমেও পড়ে গেল। কিছুদিন পর আমরা জানলাম সে লেসবিয়ান। ছেলেদের প্রতি কোন ইন্টারেস্টই নেই। ইভেন তার মেয়ে বয় ফ্রেন্ডও আছে। মেয়েটা নেমে যাওয়ার সময় সানাকে হাগ ও কিস করছিল। হাগ নরমাল হলেও কিসটা অস্বাভাবিক ছিল। অথচ মেয়েটিকে দেখে বুঝার উপায় মাত্র নেই সে লেসবিয়ান। ওর এটিচুড, পার্সোনালিটি প্রসংশা করার মতো সুন্দর। এখন মেয়েটি লেসবিয়ান বলে কি তার সাথে বন্ধুত্ব নষ্ট করে দিব? না। তবে তার সাথে আমাদের বন্ধুত্ব নষ্ট হয়েছে আমাদের মেয়ে বন্ধু/সহকর্মীদের সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করার জন্য। সমকামী / গে / হিজড়া/ লেসবিয়ান দের আমরা ঘৃণা করিনা। কিন্তু তাদের অস্বাভাবিক আচরণকে আমরা ঘৃণা করি। আমরা মানবিক ভাবে তারে হেলফ করতে গেলাম, কফি খাওয়ালাম, তার স্কুটি নিরাপদ স্থানে রাখলাম, অত্যন্ত সম্মান ও নিরাপত্তার সাথে বাসায় ড্রপ করলাম অথচ শেষ মুহুর্তে সে স্বাভাবিক মানুষের মতো আচরণ করতে পারেনি। সানাকে চুমাইয়া গাল লাল করে দিসে। এদের এই অস্বাভাবিক আচরণটাই আসলে ঘৃণ্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৪ রাত ১২:২০
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"তোমরা জানাযা করে দ্রুত লাশ দাফন কর।"

লিখেছেন এমএলজি, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:৩০

রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা জানাযা করে দ্রুত লাশ দাফন কর।" বেগম খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনায় এ কাজটি করা হয়নি বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যাচ্ছে।

বিষয়টি সত্য কিনা তা তদন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যক্তি বেগম খালেদা জিয়া কেমন ছিলেন?

লিখেছেন নতুন নকিব, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:০৪

ব্যক্তি বেগম খালেদা জিয়া কেমন ছিলেন?

ইয়াতিমদের সাথে ইফতার অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া, ছবি https://www.risingbd.com/ থেকে সংগৃহিত।

তিন-তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রীও তিনি। তাকেই তার বৈধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বছরশেষের ভাবনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৮


এসএসসি পাস করে তখন একাদশ শ্রেণিতে উঠেছি। সেই সময়ে, এখন গাজায় যেমন ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে, তখন বসনিয়া নামে ইউরোপের ছোট একটা দেশে এরকম এক গণহত্যা চলছিল। গাজার গণহত্যার সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উৎসর্গ : জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৩৮



খিচুড়ি

হাঁস ছিল, সজারু, (ব্যাকরণ মানি না),
হয়ে গেল “হাঁসজারু” কেমনে তা জানি না।
বক কহে কচ্ছপে—“বাহবা কি ফুর্তি!
অতি খাসা আমাদের বকচ্ছপ মূর্তি।”
টিয়ামুখো গিরগিটি মনে ভারি শঙ্কা—
পোকা ছেড়ে শেষে কিগো খাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

খালেদা জিয়ার জানাজা

লিখেছেন অপু তানভীর, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:৩৯

আমি যখন ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন আমার নানীর বোন মারা যান। নানীর বোন তখন নানাবাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। সেইবারই আমি প্রথম কোনো মৃতদেহ সরাসরি দেখেছিলাম। রাতের বেলা যখন লাশ নিয়ে গ্রামের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×