
ছবিতে বিয়ের অনুষ্ঠানে লিনা।
ফেসবুকে রীল গুলো যদি দেখেন তবে আপনি দেখবেন ভন্ড জামাত শিবির, বলৎকারী হেফাজত, ভন্ড ভান্ডারী ও পীরপন্থীরা বিভিন্ন নসিহত আর ওয়াজ করছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে জামাত শিবির। কারণ এদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর ঘৃণ্য প্রচেষ্টার পাশাপাশি আমার দেশের স্মার্ট তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষা, বিজ্ঞান, আধুনিকতা, ক্লাসি ও স্মার্ট লাইফ স্টাইল থেকে বঞ্চিত করে মস্তিষ্কে সাম্প্রদায়িকতার ও জঙ্গিবাদের নোংরা বীজ রোপণ করার ঘৃণ্য প্রচেষ্টায় লিপ্ত হওয়া।
কিন্তু আমার সোনার বাংলায় কি তাদের উদ্দেশ্য কখনো সফল হবে? সম্ভব? কোনদিনওনা। বৃহ:,প্রতি শুক্র শনি বিয়ের দাওয়াত এবং ফটোগ্রাফি ছিল। বিশ্বাস করুন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েরা গায়ে হলুদে এত সুন্দর করে হিন্দি গানের নাচছে যে, দেখলে আপনি নস্টালজিক হয়ে যাবেন। গায়ে হলুদে সুন্দর নাচ ও গানের প্রোগ্রাম করা এখন একটা ট্রেন্ড। পরিবারের কারও বিয়ে আসলে ছেলে মেয়েরা অনেক আগে থেকে নাচ গান প্রাকটিস করে গায়ে হলুদে স্টেজ পারফর্ম করার জন্য। আমাদের তরুণ তরুণীরা পোশাক, কালচার, কথা বার্তায় এতোটাই আধুনিক যে জামাত শিবির পরিবার বিলং করে ওরাও আধুনিক লাইফ স্টাইলের দিকে ঝুকছে। ইসলাম কোন নির্দিষ্ট ড্রেস এর কথা উল্লেখ না করলেও এসব মৌলবাদীরা কালো কাপড় দিয়ে মেয়েদের ঢেকে রাখতে চায় কারণ তাদের অধিকাংশ সমকামী। তারা চায় সমকামীতার বীজ রোপন হোক আর নারীর সৌন্দর্য কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে থাকুক যাতে পুরুষ তাদের প্রতি আকৃষ্ট না হয়। এসব সমকামী জামাত হেফাজত দেখবেন সমকামীতার বিরুদ্ধে জিহাদ করে আবার নিজেরাই সমকামীতা করে। এক কথায় আপাদমস্তক এই ভন্ডের দল উপরে এক ভেতরে আরেক। এরা হিংসায় কুকুরকেউ হার মানায়। এরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত।এক মতাদর্শ আরেক মতাদর্শের মৌলবাদীদের প্রচন্ড হিংসা ও ঘৃণা করে।
এরা প্রেম, প্রেমের গল্প লেখা, ছবি তুলা, এগুলো হারাম বললেও নিজেরাই প্রেমের উপন্যাস লিখছে, প্রেমের কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে, ছবি তুলছে। এই ব্লগেও এমন কয়েকজন নারী পুরুষ পেয়ে যাবেন।

অস্পষ্ট ছবি দিলাম গায়ে হলুদে নাচের নোংরা জিকোদের যন্ত্রণাতে। ভিডিও দিতে চাইছিলাম। কিন্তু ব্লগে ইউটুব ভিডিও আপলোড এরর দেখাছে।
মেয়েরা হিজাব /বোরখা এগুলো মৌলবাদী পরিবারের চাপে পড়তে বাধ্য হলেও আমাদের মেধাবী ফ্যাশন ডিজাইনার ও মডেলরা হিজাব পড়েও কতটা স্মার্টলি নিজেকে রিপ্রেজেন্ট করা যায় তা শিখিয়েছে।
এখন তরুণ প্রজন্মের কাছে জামাত হেফাজত ভন্ড পীরদের মুখোশ উন্মোচিত।এদের দমন করা যাবেনা। আর কালও কাপড় দিয়ে ঢেকে গৃহ দাসী বানিয়ে রাখা যাবেনা। পরশু থেকে ভ্যালেন্টাইন্স উইক। এরা আগামী এক সপ্তাহ চকলেট ফুল টেডি হাগ কিস আর পবিত্র প্রেমে মেতে উঠবে। ছেলেটি হাঁটু গেড়ে মেয়েটিকে প্রপোজ করবে। মেয়েটি ক্রন্দনরত হয়ে যাবে। ওরে ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে ধরে চোখের পানি মুছে দিবে তার প্রিয়তম।
(আমি জানি মৌলবাদীরা এখানে হাউকাউ করবে। তাই বলে রাখছি - আমার বোন বা পরিবারের কোন মেয়ে কাউকে ভালোবেসে বিয়ে করলে আমার কোন আপত্তি নেই। ভালোবাসা খুবই পবিত্র। প্রেম সত্য, প্রে। শ্বাশত, প্রেম অবিনশ্বর, প্রেমের মাঝেই থাকেন ঈশ্বর। তবে প্রেম ভালোবাসার নামে অবৈধ সেক্স, মদ, জুয়া, বিয়ে না করে সেক্স এগুলো ঘৃণ্য।)
তাই মৌলবাদী জামাত শিবিরের পক্ষে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গি বানানো সম্ভব নয়। তবে ১-২% কে এরা কিশোর অবস্থাতেই ব্রেন ওয়াশ করে মগজে সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা ও জঙ্গিবাদ ঢুকিয়ে দেত। এই অপার সম্ভাবনাময়ী কোমলপ্রাণ কিশোর গুলোর জন্য খুবই মায়া হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


