
১)
ফারজানা । একজন বুয়েটিয়ান। বুয়েটে চাঞ্চ পাওয়া মেয়ের একটু ভাব থাকবে স্বাভাবিক। বুয়েটে চাঞ্চ পাওয়ার আগে ইমতিয়াজকে ভাল বাসতো। চাঞ্চ পাওয়ার পর পল্টি। এক্সপেকটেশন বেড়ে লোভী হয়ে যায়। গরীব ইমতিয়াজকে ইগনোর করতে থাকে। আত্নসম্মানে আঘাত এলে নিজেকে কন্ট্রোল করে ফারজানাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করে। ভালোবাসা ভুলা তো সহজ না। তবুও একসময় সয়ে নিতে হয়। এদিকে ফারজানার ফ্রেন্ডলিষ্টে একের পর এক নতুন নতুব বন্ধু এড হতে থাকে। আরেক বুয়েটিয়ান এর সাথে হালকা কেমেস্ট্রি হয়। শেষ বর্ষের পরীক্ষার পর ফারজানা একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। এবং এক্সপেকটেশন আরও বেড়ে যায়। গ্রাজুয়েশন এর পর ফারজানার এবারের টার্গেট বিসিএস ক্যাডার। এবং বুইড়া টাইপ একটা বিসিএস ক্যাডারকে বিয়ে করে। কিন্তু হালায় পুরাই বলদ ও ক্ষ্যেত। এবং আপাদমস্তক মৌলবাদী। হেতেও একজন বুয়েটিয়ান কিন্তু ছাগু। তাই তার পছন্দ হচ্ছে ছাগী। ফারজানা পোস্ট গ্রাজুয়েশন কমপিটি করে টেলিটকে জয়েন করে। বিয়ের ১ সপ্তাহ যেতে না যেতে ফারজানার ছাগু স্বামী তারে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে টিপিকাল হাউজ ওয়াইফ হতে জোরাজোরি করে। দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ যেটা বর্তমানে ছাগুতে ভরপুর থেকে পাশ অপরিসীম সম্ভবনাময়ী আধুনিক ফারজানার উপর জোর করে কালো বোরখা চাপিয়ে দেয় তার ছাগু স্বামী। শুরু হয় মানসিক অত্যাচার। ফারজানার জীবন নরকে পরিণত হয়। পৃথিবীর কোন স্মার্ট মানুষের পক্ষে ছাগুশ্রেণীকে সহ্য সম্ভব নয়। ফারজানার ইমতিয়াজ এর কথা মনে পড়ে। ইমতিয়াজ ফারজানার সর্বশেষ দেখায় ইমতিয়াজ বলেছিল - মনে রেখ "প্রকৃতি প্রতিশোধ গ্রহণ করতে ভালোবাসে"। ছাগুকে ডিভোর্স লেটার পাঠায় ফারজানা। ৩ মাসে সে ডিভোর্স এক্সিকিউটও হয়। এরপর ফারজানা অনেক বিয়ের প্রস্তাব পায়। তবে বলদ, ডিভোর্সড, আগের বাচ্চা কাচ্চা আছে ওরকম ছাড়া মন মতো একটাও পায়না। আমাদের দেশে মেয়েদের ডিভোর্স হওয়ার পর তার চাহিদা কমে যায়। এক ডিভোর্সিকে ২য় হাজবেন্ড কখনই ভালোবেসে বিয়ে করেনা।বিয়ে করে শারিরীক চাহিদা মিটাতে। করলেও খুব কম। মানুষের ২য় বিয়ে হয় প্রয়োজনের কারণে।

২)
চ্যাকা খেয়ে ইমতিয়াজ এতই ভেঙ্গে পড়েছিল যে ২ বছর স্টাডি গ্যাপ। ২ বছর পর স্বাভাবিক হওয়ার পর সে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়। ইমতিয়াজ বরাবরই সিম্পল লাইফ স্টাইল পছন্দ করে। প্রাইভেট ইউনিতে সাধারণত বড় লোকের মেয়েরা পড়ে। ইময়িয়াজ দেখতে খুবই হ্যান্ডসাম। সিম্পল কিন্তু খুবই ক্লাসি। ক্লাসি কারা? যারা অহংকার করেনা, মানুষকে (ছাগু ও টক্সিক লোকজন ছাড়া) কষ্ট দিয়ে কথা বলেনা, যাদের ওয়ে অফ টকিং সুন্দরব, মানুষের বিপদে বসে থাকতে পারেনা, সত্যবাদী, যে কোন এনভায়রনমেন্টে এডজাস্ট করতে পারে ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত ওরাই ক্লাসি। ইমতিয়াজ ক্লাসিদের একজন।বড় লোকের মেয়েরা আবার ফারজানার মতো ফকিন্নি মানসিকতার না। ওরা বিসিএস ক্যাডার দেখে ইমপ্রেস হয়না। ওরা একটু ফাস্ট বা বিড়ি/সিগারেট/সীসা খেলেও মন ফকিন্নি না। একজন ছেলেকে ভালোবাসার জন্য প্রথম যে গুণটা তারা খুজে সেটা ছেলেটি মজার মানুষ কিনা। এই মেয়েটির নাম ইম্পা। ৫ ফীট ৪ ইঞ্চি হাইটের স্লিম ফিট মেয়েটা জিনস এর সাথে টপস পরে ইউনিতে যায়। ইমতিয়াজ টং এ চা- বিড়ি খায়। ডুন্ট কেয়ার টাইপ। পারসোনালিটি লেভেল খুবই হাই। একটি মডার্ন মেয়ে যেরকম ছেলেকে বয় ফ্রেন্ড হিসেবে ইমসজিন করে ইমতিয়াজ সে রকম। মাঝখানে অনেক ঘটনা। লিখলে পোস্ট বড় হয়ে যাবে। পাঠক পড়বেওনা। তাই শর্ট করছি। দুইজনের প্রেম হয়। ইমতিয়াজের ব্যাবসায়ীক সেন্স খুব ভালো। সে অনলাইনে বিজনেস শুরু করে। আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে বিজনেস। বড় হতে হতে একটা ক্লথিং ব্রান্ড স্টাবলিস করে ফেলে। এখন ঢাকা কুমিল্ল ও চট্টগ্রামে তার ৬ টি আউটলেট আছে। ইমতিয়াজকে প্রথম পুঁজিটা দিয়েছিল ইম্পা। এমন কি ফেসবুকে পেজ খুলার পর প্রথম লাইভটা করে দিয়েছিল ইম্লার বেস্ট ফ্রেন্ড সুমাইয়া।
কথায় আছে রাজা গরীব হলেও মনটা রাজার মতোই থাকে আর ফকিন্নী বড় লোক হলেও মনটা ফকিন্নির মতোই থাকে। ফকিন্নি ফারজানারা সবসময় ঐ ছাগুই পাবে আর আর ক্লাসি ইম্পারা তার বিএফ কে সাপোর্ট দিয়ে স্টাবলিশ করে শ্রেষ্ঠ বানিয়ে দিব।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


