
সীমান্ত। একজন ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর।তার স্ত্রী শান্তা। একজন শেফ। একটি ৪ তারকা হোটেলে প্রধান শেফ হিসেবে কর্মরত। সংগত কারণেই দুজনেরই নারী/পুরুষ সহকর্মী আছে। মাত্র ১ বছর আগে সামিজিক ভাবে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে, পবিত্র কালিমা পড়ে একে অপরকে স্বামী স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করে যেমন তেমন স্থানে নয়। তাদের আকদ হয়েছে আল্লাহর ঘর নামে খ্যাত মসজিদে। ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন হওয়ার পর হানিমুন করেছিল চীনে। প্রথম ২ মাস খুবই ভালো সব কিছু। কিন্তু ভেজাল শুরু হয়েছে শান্তার হঠাৎ অদ্ভুত পরিবর্তনে। মেয়েরা সাধারণত প্রশংসা পেতে খুব ভালোবাসে। একটি মেয়ের হৃদয় জয় করার মূল মন্ত্রটাই হইল 'তার প্রশপংসা করতে হবে'। বিশ্বাস করুন যতো কঠিন হৃদয়ের নারী হোক না কেন? প্রশংসা করুন। সে মেল্ট হবেই। বিশ্বাস না হলে শায়মা আপু, মিরোর উনাদের জিজ্ঞেস করুন। উনারা যদি মিথ্যাবাদী না হয়ে থাকেন আমি ১০০% নিশ্চিত তারা এক বাক্যে স্বীকার করবেন যে প্রশংসা তাদের হৃদয়কে মেল্ট করবেই।
যাই হোক গল্পে আসি। বিয়ের দিন সীমান্তের অনেক বন্ধু আত্নীয় কলিগসকে ইনভাইটেশন দেয়া হয়েছিল।তাদের মধ্যে একজন রুম্মান। রুম্মান সম্পর্কে সীমান্তের বন্ধু। বিবাহিত। প্রায় ৬ ফুট লম্বা ও হ্যান্ডসাম। ছেলেটির স্ত্রী তিথীও মারাত্নক সুন্দরী। বন্ধু সীমান্ত ও ও শান্তাকে গ্রীটিং জানাতে রুম্মান ও তিথি স্টেজে উঠেছে। ছবি তুলতে তুলতে শান্তাকে মাত্র একটা কমপ্লিমেন্ট দিসে "জাস্ট লুকিং লাইক আ ওয়াও "। ব্যাস। হয়ে গেল। শান্তা বিয়ের অনুষ্ঠানেই মার্ক করল রুম্মানকে। যেহেতু বিয়ের অনুষ্ঠান তাই ঐদিন কেমিস্ট্রি চোখা চোখি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।এর পর ওয়ালিমাতেও একই কেমিস্ট্রি ও হাই হ্যালো টাইপ টুকটাক কথা। একটা ছেলে যখন একটি মেয়েকে অন্য দৃষ্টিতে দেখে তখন মেয়েটি তার থার্ড আই ও সিক্স সেন্স দিয়ে উহা আইডেন্টফাই করতে পারে। যদি মেয়েটি সাড়া দেয় তবে বিভিন্ন রকমের সাইন দেয়। যেমন হাসা, রাগ না করা, এক কথায় এলাউ করা। শান্তা রুম্মানের নটাংকি গুলো রেসপন্স করা শুরু করল। রুম্মান বিয়ের দুই দিন পরই শান্তাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠালো।
টুকটাক চ্যাট হচ্ছে। অন্যদিকে নববধু সংসার স্বামীও মেন্টেন করছে। হানিমুন শেষ হতেই শান্তার সীমান্তের প্রতি ইন্টারেস্ট ০% এ চলে আসল। শুরু হলো ইগনোর ও মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং। মারাত্নক ভাবে সৎ সীমান্ত প্রতি রাতে স্ত্রীকে পেতে চায়, ভালোবাসতে চায় কিন্তু স্ত্রী কাছে আসতে দেয়না। তার মন পড়ে থাকে রুম্মানের কাছে। ঐদিকে রুম্মানেত স্ত্রী তিথিকেও ঠকানো হচ্ছিল। তিথিও রুম্মানকে পেতে চায় রাতে নিজের মতো করে, কিন্তু রুম্মান বিভিন্ন বাহানায় শহরের বাইরে থাকে। ঘরে থাকলেও ক্লান্তির বাহানায় এভয়ড করে। কাজের বাহানায় ড্রয়িং রুমে বসে শান্তার সাথে চিট চ্যাট করে।
মাঝখানে অনেক কাহিনী। দুইটি সুইট কাপল এর মধ্যে বিচ্ছেদ হলেও পরে তিথি ও সীমান্তের মধ্যে বিয়ে হয়। কিন্তু রুম্মান শান্তার মধু আহরণ করা পর অন্য ফুলের প্রতি মনোনিবেশ করে। একূল অকূল দুই কুলই হারায় শান্তা।
কথা সেটা নয়। কথা হলো শিরোনামে ফিরি। ভদ্র সীমান্ত যৌবনের তাড়নায় হালাল ভাবে বিয়ে করা বউ এর সাথে জোর করে সেক্স করলে কি মেরিটাল রেপ বলে গন্য হবে? আর পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ শান্তা আর রুম্মানের মতো। তাই মেরিটাল রেপড আইন প্রয়োগ হলে এটার গনহারে মিসইউজ হবে বলে আমার ধারণা।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১০:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



