somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ গোফরান
জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

লীগ ও জাতীয়তাবাদী উভয়ের মা বোন স্ত্রী কন্যাই নির্যাতিত হয়। তাই জাতীয়তাবাদী দের উচিৎ মৌলবাদীদের সমর্থন না করা।

০২ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


*** মেয়েদের কপালে টিপ দেখলে যদি আপনার জ্বলে তবে পোস্টটি এড়িয়ে যান ***

সামান্তা। একজন চাকুরিজীবী। প্রতিদিন সকাল ৮ টাই বের হয় অফিসের উদ্দেশ্যে। এন্ট্রি লেভেল জব। বেতন কম। তাই যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম বাস। অফিসে যেতে আর বাসায় ফিরতে চড়তে হয় বাসে। আর এর সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন কোন না কোন বাস্টার্ড তার শরীর স্পর্শ করে। আদৃতা একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। ভোর ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত সামান্য মজুরী দিয়ে ১২'ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করে। অসংখ্য অসভ্য তাকে নোংরা ইভটিজিং করে অসম্মান করে। ফ্লোর সুপারভাইজার এর নোংরামি তো আছেই।

বয়ফ্রেন্ড এর সাথে বিয়ে দিচ্ছেনা বলে বাসা থেকে প্ল্যান করে পালিয়েছে সিফাত।সিফাতের বাড়ি রাজশাহী। সত্যিকারের প্রেম না হলে একটি মেয়ে কখনোই বাসা থেকে বের হয়ে আসেনা। বয় ফ্রেন্ড ঢাকায় থাকে। বাস টার্মিনালে অপেক্ষা করার কথা প্রেমিক। বাস থেকে নেমে পাগলের মতো ফোন করে সিফাত। কিন্তু প্রেমিকের মুবাইল বন্ধ। বাসায় ফিরে যাওয়ার অবস্থা নেই। সারারাত একটি কাউন্টারে নিদ্রাহীন কাটানোর পর ভোর বেলা হাঁটার শক্তি নেই মেয়েটির। সামান্য কিছু টাকা ছিল মফস্বলের মেয়েটির ব্যাগে। সে টাকা দিয়ে ঢাকায় ২ দিন থাকাও সম্ভব না। নিরুপায় হয়ে গ্রামে ফিরে যাওয়ার পর মূর্খ পরিবার এমন নির্যাতন করছে যে মেয়েটি অনেকদিন ডাম্ব ছিল।

আজ সন্ধ্যায় বাইক নিয়ে বের হলাম বাসা থেকে। কথা নাই বার্তা নেই হুট করে রাস্তার উন্নয়ন কাজ করার অজুহাতে রাস্তা ব্লক করে দিল। অ হুট করে রাস্তা ব্লক করার আগে ডিক্লেয়ার দেয়া উচিৎ ডিক্লেয়ার না দিলে অন্তত ২ দিন আগে থেকে একটা ব্যানার টাঙানো উচিৎ। একটি মেয়ে যেসব লেবারেরা অন্যায় ভাবে রাস্তা ব্লক করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করল। লেবার গুলোর মধ্যে একজন বেয়াদব মেয়েটাকে ভুয়া ভুয়া বলে চিল্লাতে লাগল। মুবাইল বের করে ছবি নিলাম।রাস্তা মেরামতের কাজটি করছে মিলিটারিরা। তাই সবাই চেয়ে চেয়ে মেয়েটির অপমানিত হওয়া দেখছিল। আমি বাইক সাইড করে ছবি তুললাম। তাদের সুপাইভাইজার এর সাথে কথা বললাম। লেবারটাকে মেয়েটার কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করলাম।


এভাবে কোটি নারী প্রতিদিন নির্যাতিত হচ্ছে দেশে। নুসরাত ইমরোজ তিশার স্ট্যাটাসে পড়লাম - "বাংলাদেশে প্রতি তিনজনে একজন নারী ঘরে বাইরে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে এটা নিয়ে তেমন কোনো প্রতিবাদ হয় না। কারণ, আমাদের সমাজে নারীদের শেখানোই হয় নীরবে সহ্য করতে। কিন্তু আমরা চাই, এই ট্যাবু ভেঙে আওয়াজ তুলুক প্রতিটি নারী। কারণ চুপ না থেকে কথা বললেই কেবল সম্ভব এইসব সহিংসতা বন্ধ করা।

আর তাই, নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ হিসেবে ‘Odd Dot Selfie’. যেখানে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে নারীর সাজের চিরায়ত সঙ্গী কপালের ‘টিপ’।

কপালের এই টিপ মাঝখানে না পরে আশপাশে সরিয়ে দিয়ে সেলফি তুলে #OddDotSelfie লিখে ছবি শেয়ার করুন সোশ্যাল মিডিয়ায় আর আপনিও যোগ দিন এই প্রতিবাদে।

এই সব হ্যাশট্যাগ দিয়ে প্রতিবাদ কতটুকু ফলপ্রসূ জানিনা। তবে মনে করি সকলের অংশগ্রহণ করা উচিৎ। কিন্তু এদেশের অধিকাংশ মানুষ মৌলবাদী।এদের কারণে দেশ প্রতিদিন পিছিয়ে যাচ্ছে। কারণ মৌলবাদী মাত্রই নারী বিদ্বেষী। তারপরও হোক প্রতিবাদ। হ্যাস ট্যাগ দিয়ে OddDotSelfie লিখুন ইনস্টা, ফেসবুক ও টুইটারে।


ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে মৌলবাদ এর নোংরামির বিরুদ্ধে লিখলে, জাতীয়বাদীরা তাদের পক্ষ নিচ্ছে। এটা বড় দু:খজনক,নিন্দাজনক ও
লজ্জাজনক। আচ্চা শুধু কি লীগ কিংবা প্রগতিশীল দের মা বোন স্ত্রী কন্যারা নির্যাতিত হচ্ছে? বিম্পির মা বোন স্ত্রী কন্যারা মৌলবাদের নোংরা অভিশাপে অভিশপ্ত না? তাহলে তারা কেন মৌলবাদীদের পক্ষে কথা বলবে? বুঝলাম না বিষয়টি।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:২৮
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটা অপরাধ দশটা অপরাধের সুযোগ করে দিতে পারে ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


রাড্ডা হাসপাতালে লুটপাট
ঢাকার মিরপুর এক নম্বরে রাড্ডা ক্লিনিকের ওপর দিয়ে যেন টর্নেডো বয়ে গেছে! গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতের অন্ধকারে ১৫০-২০০ জন দুর্বৃত্ত রাড্ডা ক্লিনিকের ভেতরে প্রবেশ করে রীতিমতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্ব্বহারা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×