আজকে আমি আপনাকে বলব গরু মেরে জুতা দান এর সার সংক্ষেপ।
২০০৬ সালে ভারতের টালি সফ্টও্য়্যার বাংলাদেশে ৬০০০ টাকায় কিনতে পাওয়া যেত। তখন এই দামে বাংলাদেশের অনেক অনেক হেডম ওয়ালা সফ্টও্য়্যার কোম্পানিও একাউন্টিং সফ্টও্য়্যার বিক্রি করার স্বপ্ন পর্যন্ত দেখত না। এই দুঃখে তখন থেকেই বাংলাদেশের প্রথম সারির পাবলিক ইউনি এর ছাত্র গন বাইরের দেশের কাজ করে ডলার আয় করেই সুখী হওয়ার চেষ্টা করে আসছে। ইউরোপ আমেরিকাও বাংলাদেশকে দিয়ে ছুটা কাজ করিয়ে আরাম পায়। পন্চম শ্রেনীর একটি দেশের নাগরিকদের জন্যে কিছু করেও তারা আত্ন-তুষ্টি পেয়ে থাকে।
যেকোন দেশের ফাইন্যান্স সেক্টর বিশাল একটি সেক্টর। স্পর্শকাতর একটি সেক্টরও। জাতির ভাগ্য নির্ভর করে বলেই এই সেক্টরটি গুরুত্ব পেয়ে থাকে। যেমন স্টক মার্কেট, ব্যাংকিং। তো, বাংলাদেশের সেই সেক্টরটি এখন বাইরের দেশ গুলোর নিয়ন্ত্রন করে। ভারত জানে, বাংলাদেশের জিন্জিরার ২ হাত বাই ২ হাত দোকান ঘরে প্রতি মুহুর্তে কত টাকা লেনদেন হয়। সিংগাপুর জানে, আজকে এই মুহুর্তে শেয়ার এর সুচক কত। এটি সম্ভব হয়েছে টেকনোলজির মাধ্যমে। ভারত ৬০০০ টাকা দামের বিনিময়ে এই জাল বিস্তার করতে পেরেছে। আমাদের অনেক পড়াশুনা করানো প্রফেসরদের নিষ্ক্রিয়তার কারনে সিংগাপুর, ইংল্যান্ড, আমারিকা আমাদের ভাগ্য নিয়ন্তা - এটি হলো বাংলাদেশের জন্যে গরু মারার উদাহরন।
বাংলাদেশের আইটি সেক্টরে যে বাইরের দেশ গুলো বিভিন্ন সময়ে ট্রেনিং করিয়ে বাংলাদেশী দরিদ্র ইন্জিনিয়ার (যারা শুধু দেশীয় কাজ করে - যাদের সিংহভাগ প্রাইভেট ইউনি এর ছাত্র) দেরকে প্রমোট করার চেষ্টা করছে তাদের মধ্যে ভারত অন্যতম। শুধু মাত্র ইনস্টিটিউট নয় এখন বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলেও তারা তাদের অগ্রযাত্রা অব্যহত রেখে তাদের মুন্সিয়ানার সাক্ষর রেখেছে। তারা এখন এই টপিক গুলো নিয়ে রিসার্চ করছে "কেন বাংলাদেশের সফ্টও্য়্যার ফার্মগুলো টুপ টাপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।" - এটা হলো জুতা দান পর্ব।
যতদিন না বুয়েটিয়ান, ঢাকা ইউনি এর বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ছাত্রগন এই হতদরিদ্র বাংলাদেশের লোকাল মার্কেটে না খেয়ে পেটে পাথর বেধে মাটিতে পা ছড়িয়ে বসে কাজ না করছে ততদিন আমাদের ভাগ্য আমরা নই, অন্য কেউ নির্ধারন করবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




