
বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি করে।
সকাল সাড়ে ১০টায় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনজন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেয়ার জন্য ঢাকায় এসেছে গতকাল বুধবার। কিন্তু তারা তাদের আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার কথা বলে চলে যায়। এরপর থেকে তাদের আমরা পাচ্ছি না। ফলে আজকের জন্য সাক্ষীর জবানবন্দি মুলতবি করা হোক।
তখন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, ‘আমাদের আদেশে তো সাক্ষীদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আপনারা আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।’
পরে প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘বুধবার আমরা ট্রাইব্যুনালের কাছে তিনজন সাক্ষীকে হাজির করার কথা বলেছি। সে অনুযায়ী তিন সাক্ষী সমর মিস্ত্রি, সুমতি রানী মন্ডল ও অশীষ কুমার মন্ডলকে ঢাকায় আনা হয়েছে। কিন্তু তারা বিকেলে তাদের আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার কথা বলে যাওয়ার পর আর পাওয়া যাচ্ছে না।’
এখানো তাদের তালাশ করছে তদন্তকারী হেলাল উদ্দিন বলে জানান এই প্রসিকিউটর।
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রানা দাস গুপ্ত বলেন, ‘আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করা চেষ্টা করছি। কিন্তু পাচ্ছি না।’
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কোনো দরখাস্ত দিলে তাতে যুদ্ধাপরাধীর বিচারে বাধাগ্রস্তের অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু তারা একের পর এক সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারার অজুহাত দিয়ে সময় নেয় তাতে কোনো ক্ষতি নেই। আমরা কোনো আবেদন করলেই মামলা বাধাগ্রস্ত হয়।’
তিনি বলেন, এ নিয়ে ১৫ জন সাক্ষীকে উপস্থিত করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রসিকিউশন।
সময় নিয়ে মুলত প্রসিকিউশন সাক্ষীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আসামিপক্ষের এ আইনজীবী।
অন্যদিকে, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতের অপর নেতা আব্দুল কাদের মোল্লা অসুস্থ থাকায় তাকে বারডেম হাসপাতালে নেয়া এবং সেখানের ডাক্তার যা বলে সে অনুযায়ী তার চিকিৎসার ব্যবস্থার কথা বলেছেন ট্রাইব্যুনাল।
একই সাথে প্রসিকিউশনের দেয়া তার বিরুদ্ধে সকল নথিপত্র তার আইনজীবীরা এক কপি দিয়ে আসলে জেল কর্তৃপক্ষকে তার কাছে সে কপি পৌঁছে দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়।
Link:

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




