রোদরঙা ঘোড়াচরিত
বছরের শেষ মৃদু সন্ধ্যায় আমাকে এসে দেখে যায় মাছঘরের পাখি
ঘোরলাগা চোখে আমি তন্দ্রায় যাই আমার শিকারী পিতার মতন
কতো চন্দ্রমাস জালে আর জলে বন্দী নিজেদের পৌরাণিকী !
জেনো, আমারো ভাই ছিলো এক, লাঠিয়াল। আরেকজন বিভীষণ
আমাদের ধানসিঁড়ি নদীতে এসে জল খেতো রোদরঙা ঘোড়া
আমার বর্ষীয়সী দিদি’মা একবার কাঁথায় গেঁথেছিলো সেই অধ্যাস
পড়বে বলে আমার ভাই সেই যে ইশ্কুলে গেলো আর হয়নি ফেরা
আমার মা তাই মাঠের ভেতর খুঁটে ফেরে আত্মজ রক্তের ঘাস
প্রতি সন্ধ্যায় পুরোনো গাঙুর নদীটি উৎসবের সুরে
ভাঙতে ভাঙতে দু’তীর বেহুলার মতো মূক হয়ে যায়
আমার লখিন্দর ভাইটি তবু জেগে ওঠে না বিস্মরণের ভোরে
ধূম লেগেছে বিদ্রুমে আজ। নবানড়ব ‘উপ-হাসে’ বছরান্তর
কালো ডানা থেকে বিন্দুপুরে তবু কৈবর্ত্যরে উষ্ণতা বিলায়
বর্গি তাড়াবে তাই, আমার সন্তান শুধু জেগে থাকে রাতভর ।
আখ্যান ফের নাইওরি নাও
বড় অসহায় আজ লেপ্টে আছে ঘাসে
আজ নামেনি বাক্য আজ অভিমান
উড়তে শিখেছে নৈর্ঋতের আকাশে
উড়ে উড়ে বুঝে গেছে বৃত্তই প্রধান
কাল এসে পড়ে যেয়ো নাইওরবরন শাড়ি
কুঁচির ফাঁকে ফাঁকে মেঘ বরিষণ
ঝিঙের বধূরঙ ফুল আর স্মৃতিপ্রসারী
সব গহনা তুমি চেয়েছিলে ভীষণ
বৃত্ত ভেঙে তাই বুঝি প্রলুব্ধ করে দাও!
আর তাতেই খোয়াবেরও অতীত সব দৃশ্য দেখি
যেমন : দৃশ্যের আখ্যানে ফের নাইওরি নাও
নিকাহ্ হাওয়া লেগে গেলে পাল তোলে ঠিক-ই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


