২৫ মার্চ রাতে রাধজধানীর একটি কফি-শপে মুখোমুখি টেবিলে বসে আছি আমি আর আমাদের তারাকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।
ছোট ছোট শিশুরা সাকিবের সাথে ছবি তোলার জন্য ছুটে আসছে। সাকিব তাদেরকে কোলে নিয়ে সুন্দর সুন্দর পোজ দিচ্ছেন।
আমি মুগ্ধ হয়ে দৃশ্যটি উপভোগ করলাম বেশ কিছু সময় ধরে।
বেশ উপভোগ্য দৃশ্য বটে।
শিশুদের বাবা-মা সাকিব কে দেখিয়ে বলেন, "ঐ যে দেখ দেখ আমাদের সাকিব আল হাসান।"
এই শিশুরা ক্রিকেট না বুঝলেও সাকিব আল হাসানকে চেনে।
...এক ফাঁকে দৌড়ে ছুটে এলো চার-পাঁচ সদস্যের একটি পাকিস্তানি পরিবার। পাকিস্তানি মা উর্দুতে শিশু কণ্যাকে সাকিব আল হাসান সম্পর্কে খানিক বিবৃতি দিলেন....। তারপর মেয়েটিকে সাকিবের কোলে তুলে দিয়ে ফটাফট ছবি তুলতে শুরু করলেন।
সাকিব হাসিমুখে শিশুটিকে কোলে নিয়ে ছবির পোজ দিলেন।
...ইহাই স্বাধীনতার স্বাদ।
'৭১ এর যে ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি হায়েনার দল ‘অপারেশন সার্চ লাইট'-এর নামে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলে পড়েছিল নিরীহ বাঙালির উপর। হামলে পড়েছিল নারী ও শিশুদের উপর।.......
ঠিক সেই ২৫ মার্চের এক রাতেই ছবি তোলার জন্য কোন এক বাঙালি সন্তানের কোলে নিজ শিশু সন্তানকে তুলে দিলেন এক পাকিস্তানি মা।
আমাদের বাঙালি সন্তান হাসি মুখে ঐ পাকিস্তানি-শিশুটির সাথে ছবির পোজ দিলেন। ঐ মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করলেন।
ইহাই বর্বর পাকিস্তানিদের সাথে আমাদের পার্থক্য।
সাকিবের জায়গায় যদি সেখানে মুশফিক কিংবা মাশরাফি থাকতেন তবে ঠিক একই দৃশ্যের অবতারাণা হতো বলে আমার বিশ্বাস।....
...যারা বলেন দেশ স্বাধীন করে কী পেলাম আমরা। এই লেখাটি তাদেরই জন্য....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






