বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের নোংরা কলুষিত রাজনীতি নিয়ে লিখেছিলাম "অন্ধকারের মানুষ" উপন্যাসটি। গ্রাম থেকে সহজ সরল একটি ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে কিভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। কিভাবে একজন শিক্ষক তার হীন স্বার্থে একের পর এক তাকে ব্যবহার করে যান।
শিক্ষকদের প্ররোচনায় একদিন সে একটা খুন করে বসে। সেই খুনের জন্য একসময় খুব মর্মান্তিকভাবে তার ফাঁসি হয়। যে ফাঁসির বর্ণনা লিখতে গিয়ে কেঁদে ছিলাম আমি নিজেও।
আমি লিখেছিলাম, কিভাবে একজন ভিসি তার গদি ধরে রাখার জন্য নানান কুুট কৌশল অবলম্বন করে। এবং সেই ভিসি কে একজন "বিচি" বলে গালি দেয়।
লিখেছিলাম, কিভাবে একজন মা তার সন্তানের শোকে পাগল হয়ে মারা যান।
আরো লিখেছিলাম, কিভাবে কিছু মেয়েকে নোংরা রাজনীতিতে ব্যবহার করা হয়।
আমার একজন শিক্ষক একদিন লেখাটি পড়ে আমাকে বললেন, "ওয়েল ডান বয়!" তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন, শিক্ষকদের রাজনীতি নিয়ে আমার লেখায় যেটুকু উঠে এসেছে, তার চেয়ে অনেক জঘন্য ও ঘৃণ্য ঘটনাও ঘটে শিক্ষক রাজনীতিতে।
এর আগে ২০০৫ সালে ছাত্ররাজনীতি নিয়ে উত্তমপুরুষে লিখেছিলাম "রঙিন ফানুস"। আমি যা দেখেছি, খুব সাদামাটাভাবে তাই লিখেছি এ উপন্যাসে।
গতকাল জাফর ইকবাল স্যারদের সাথে যেটা ঘটেছে, সেটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাদের নোংরা রাজনীতিরই ধারাবাহিকতা মাত্র। একদল শিক্ষার্থী গতকাল তাদের লাঞ্চিত করেছে। ঠিক তাদের মতোই আরেকদল শিক্ষার্থী আরেকদিন ভিসির শার্টের কলার টেনে ছিড়বে। এটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।
আগে নিজেদের ঠিক করুন। তারপর দেখবেন, সবই ঠিক হয়ে গেছে স্যার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৩:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



