somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঢাবির জগন্নাথ হলঃ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রসঙ্গ

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি খুব অবাক হই ভেবে যে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধু ধর্মের কারনে একটা বিভেদ তৈরি করা হয়ে আসছে।
এখানে অধ্যয়নরত মুসলমান ছাড়া বাকি সব ধর্মের ছাত্রদের একটি হলে (জগন্নাথ হল) সিট বরাদ্দ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় জন্মের সময় রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক নানা কারনে জগন্নাথ হলকে আলাদাভাবে গড়ে তোলা হলেও স্বাধীন বাংলাদেশে এরকম বিভেদ মানায় না, এবং সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। বরং সব ছাত্রদের যদি ধর্ম বিবেচনা না করে অনির্দিষ্টভাবে (randomly) বিভিন্ন হলে সিট দেয়া হয় আমি মনে করি সেটাই বিভিন্ন ধর্মের ছেলেদের মাঝে পারস্পারিক বোঝাপড়া (mutual understanding) এবং বন্ধুত্ব (friendship) বৃদ্ধি করবে। যা পরিণতিতে অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল দেশ গঠনকে ত্বরান্বিত করবে।
যদি কেও যুক্তি দেখান তাতে ধর্ম পালনে সমস্যা হবে, আমি তাদের বলব একটু পাশেই তাকাতে। মেয়েদের হলে এরকম কোন বিভেদ নেই, অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই এরকম ব্যবস্থা নেই। যেকোনো হলে যেকোনো ধর্মের কেও থাকতে পারে। সেখানেত সমস্যা হচ্ছেনা। আর আমি নিশ্চিত ঐসব হলে আমার বোনরা কিংবা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইরা অবশ্যই ধার্মিকতায় পিছিয়ে নেই ।
তাছাড়া আমি বিশ্বাস করি আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা এত নিচু মানের বা নিচু মনের নয় যে নিজের বা পাশের রুমে একজন ভিন্ন ধর্মের কেও থাকলে তাদের জাত চলে যাবে বলে এর প্রতিবাদ জানাবে। বরং ঢাবি’র ছাত্রদের এই বিভেদই এক ধরনের দূরত্ব ও colonialism mentality তৈরিতে ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ দেয়া আর প্রয়োজন মনে করছি না।
আমি আরও অবাক হই ভেবে যে এত বড় একটা গুরুত্বহীন বিভাজন এতদিন ধরে চলে আসছে, অথচ আমাদের অসাম্প্রদায়িকতার বুলি আওড়ানো বুদ্ধিজীবী এবং সরকারগুলো এর সমাধান এখনো করেনি কেন ??!
৮টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯৪

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৪১



ফারাজা তাবাসসুম খান-
আজ বুধবার, ৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। ইংরেজি ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬। বহু আগে একটা বই পড়েছিলাম- 'আদর্শ হিন্দু হোটেল'। প্রধান চরিত্রের নাম- হাজারি ঠাকুর। সে বাস্তববাদী, সহজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×